রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
উত্তর : আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-কে প্রাণাধিক ভালোবাসা ঈমানের শর্ত। আল্লাহ ও রাসূল (ﷺ)-কে যারা কটাক্ষ করে তাদের যদি বুঝিয়ে ফেরানো সম্ভব না হয়, তবে তাদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে তাদের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করো না, অথচ তোমাদের কাছে যে সত্য এসেছে তা তারা অস্বীকার করেছে এবং রাসূলকে ও তোমাদেরকে বের করে দিয়েছে এজন্য যে, তোমরা তোমাদের রব আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছ। তোমরা যদি আমার পথে সংগ্রামে ও আমার সন্তুষ্টির সন্ধানে বের হও (তবে কাফিরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না।) তোমরা গোপনে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব প্রকাশ কর অথচ তোমরা যা গোপন কর এবং যা প্রকাশ কর তা আমি জানি। তোমাদের মধ্যে যে এমন করবে সে সরল পথ হতে বিচ্যুত হবে’ (সূরা আল-মুমতাহিনাহ : ১)।

আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,

لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ، حَتَّى أَكُوْنَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِيْنَ

‘তোমাদের মধ্যে কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার নিকট তার পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি এবং সকল মানুষের চাইতে অধিক প্রিয় না হই’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৫; ছহীহ মুসলিম, হা/ ৬৯)। অন্য হাদীছে রাসূল (ﷺ) বলেন,

إِنَّ أَحْسَنَ الحَدِيْثِ كِتَابُ اللهِ، وَأَحْسَنَ الهَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ ﷺ

‘সর্বোত্তম বাণী হচ্ছে আল্লাহর বাণী এবং সর্বোত্তম চরিত্র হচ্ছে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর চরিত্র’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬০৯৮; ছহীহ মুসলিম, হা/৮৬৭) ।

উপরিউক্ত আয়াত ও হাদীছগুলো থেকে বুঝা যায় যে, আমাদের মুসলিম ও মুমিন হিসাবে পরিচয় দিতে চাইলে সর্বপ্রথম আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-কে ভালোবাসতে হবে। শুধু তাই নয় ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশও ঘটবে। একটা উদাহরণ দিলে বুঝে আসবে, তা হলো, আমার পিতা-মাতাকে কেউ গালি দেয় সে সময় আমি যতটুকু রাগ করি তার চেয়েও শতগুণ বেশি রাগ আসবে যখন কেউ আমার আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ) নিয়ে কেউ কোন কটুক্তি করবে।


প্রশ্নকারী : জাহিদ, জয়পুরহাট।





প্রশ্ন (২২) : মাগরিবের আযানের পর সুন্নাত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : শৈশব অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা কাফির ও মুশরিকদের সন্তানরা জান্নাতী, না-কি জাহান্নামী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : তৃতীয় লিঙ্গ তথা হিজড়াদের অধিকার, মীরাছ, ইবাদতের পদ্ধতি, পোশাক, মু‘আমালাত, চালচলন, কর্মজীবন ইত্যাদি সম্পর্কে ইসলামের নির্দেশনা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করা কি হারাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : গ্রামের জুমু‘আর ছালাত হবে না। এই হাদীছ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : জনৈকা মহিলার বাসায় প্রত্যেক জুমু‘আর দিন ৭০ বছর বয়স্ক একজন মসজিদের ইমাম ছাহেব এসে কুরআনের আলোচনা পেশ করেন। এভাবে মহিলার ইমাম আলোচনা করতে পারবেন কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : মসজিদের জমি ওয়াক্ফ হতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : মাছ মরে পানির উপরে ভেসে উঠলে তা খাওয়া বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : শরী‘আতে একাকী দু‘আ করার ক্ষেত্রে দু‘আর শুরুতে হামদ ও দরূদ পাঠের কথা বলা হয়েছে (তিরমিযী, হা/৩৪৭৬) কিন্তু শেষে হামদ ও দরূদ পাঠ করার কথা হাদীছে পাওয়া যায় না। প্রশ্ন হল- দু‘আ করার সময় হামদ ও দরূদ দিয়ে শেষ করা শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ’, ‘ইয়া হাবীবাল্লাহ’ বলা যাবে কি? যেমন- আমার আব্বু, দাদী এবং আত্মীয়-স্বজন অনেকের মুখে শুনি, তারা ভাত খাওয়ার পর বলেন ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ’, ‘ইয়া হাবীবাল্লাহ’। এমনকি তারা প্রায় সময় আল্লাহর যিকির না করে এইগুলো বলে থাকেন। এভাবে বললে কি শিরক হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : প্রচলিত আছে যে, রাসূল (ﷺ)-এর যে নিয়মে চুল রাখতেন সেই নিয়মকে ‘বাবরী চুল’ বলা হয়। আসলে ‘বাবরী চুল’ দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : রামাযান মাসে ওমরাহ করলে হজ্জের নেকী পাওয়া যায়। এই বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ