বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-কে প্রাণাধিক ভালোবাসা ঈমানের শর্ত। আল্লাহ ও রাসূল (ﷺ)-কে যারা কটাক্ষ করে তাদের যদি বুঝিয়ে ফেরানো সম্ভব না হয়, তবে তাদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে তাদের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করো না, অথচ তোমাদের কাছে যে সত্য এসেছে তা তারা অস্বীকার করেছে এবং রাসূলকে ও তোমাদেরকে বের করে দিয়েছে এজন্য যে, তোমরা তোমাদের রব আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছ। তোমরা যদি আমার পথে সংগ্রামে ও আমার সন্তুষ্টির সন্ধানে বের হও (তবে কাফিরদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না।) তোমরা গোপনে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব প্রকাশ কর অথচ তোমরা যা গোপন কর এবং যা প্রকাশ কর তা আমি জানি। তোমাদের মধ্যে যে এমন করবে সে সরল পথ হতে বিচ্যুত হবে’ (সূরা আল-মুমতাহিনাহ : ১)।

আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,

لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ، حَتَّى أَكُوْنَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِيْنَ

‘তোমাদের মধ্যে কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার নিকট তার পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি এবং সকল মানুষের চাইতে অধিক প্রিয় না হই’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৫; ছহীহ মুসলিম, হা/ ৬৯)। অন্য হাদীছে রাসূল (ﷺ) বলেন,

إِنَّ أَحْسَنَ الحَدِيْثِ كِتَابُ اللهِ، وَأَحْسَنَ الهَدْيِ هَدْيُ مُحَمَّدٍ ﷺ

‘সর্বোত্তম বাণী হচ্ছে আল্লাহর বাণী এবং সর্বোত্তম চরিত্র হচ্ছে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর চরিত্র’ (ছহীহ বুখারী, হা/৬০৯৮; ছহীহ মুসলিম, হা/৮৬৭) ।

উপরিউক্ত আয়াত ও হাদীছগুলো থেকে বুঝা যায় যে, আমাদের মুসলিম ও মুমিন হিসাবে পরিচয় দিতে চাইলে সর্বপ্রথম আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-কে ভালোবাসতে হবে। শুধু তাই নয় ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশও ঘটবে। একটা উদাহরণ দিলে বুঝে আসবে, তা হলো, আমার পিতা-মাতাকে কেউ গালি দেয় সে সময় আমি যতটুকু রাগ করি তার চেয়েও শতগুণ বেশি রাগ আসবে যখন কেউ আমার আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ) নিয়ে কেউ কোন কটুক্তি করবে।


প্রশ্নকারী : জাহিদ, জয়পুরহাট।





প্রশ্ন (৪) : বর্তমানে সমাজে ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। এমন অবস্থায় যদি কেউ আত্মরক্ষার কোন উপায় না থাকা সত্ত্বেও সম্মান, জীবন বা সম্পদ রক্ষার নিয়তে প্রতিরোধ করে এবং এতে আহত বা নিহত হয়, তাহলে শরী‘আতের দৃষ্টিতে সে কি শহীদ হিসাবে গণ্য হবে? অপরদিকে, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, প্রতিরোধ করলে মৃত্যুর আশঙ্কা নিশ্চিত, তারপরও কেউ দুঃসাহসিকভাবে প্রতিরোধ করে, তবে কি তা আত্মহননের শামিল বলে গণ্য হবে, না-কি ইজ্জত রক্ষার একটি শারঈ বৈধ প্রয়াস হিসাবে বিবেচিত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য ভ্রু প্লাক (pluck) করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : খিযির (আলাইহিস সালাম) কি নবী ছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : বালতিতে বা আবদ্ধ পাত্রে নাপাক কাপড় ধৌত করলে তা কীভাবে পবিত্র করতে হবে? অনেকে বলে ৩ বার ধৌত করলেই তা পবিত্র হয়ে যাবে। এ কথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : বর্তমানে আহলেহাদীছদেরকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন স্থানে তাদের মসজিদ ভেঙ্গে দেয়া হচ্ছে, বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। আহলেহাদীছদের পরিচয় এবং তাদের মৌলিক নিদর্শনগুলো কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : আল্লাহর যেমন হাত, পা, চেহারা আছে, তেমন আল্লাহর রূহু আছে কি? অর্থাৎ এরকম কোন বর্ণনা আছে কুরআন ও হাদীছে আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : এক সন্তানের বয়স ১৫ বছর, আরেক সন্তানের বয়স ৯ বছর। তাদের আক্বীক্বা দেয়া হয়নি। এখন তাদের আক্বীক্বা দেয়া যাবে কি? গরু বা মহিষ দ্বারা আক্বীক্বা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : জনৈক আলেম বলেন, যে ব্যক্তি বিড়ি-সিগারেট, গুল, জর্দা পান করবে তার চল্লিশ দিনের ছালাত কবুল হবে না। তিনি দলীল হিসাবে ইবনু মাজাহর ৩৩৭৭ নং হাদীছ পেশ করেছেন। উপরিউক্ত নেশাদার দ্রবগুলোর প্রেক্ষিতে উক্ত দলীল পেশ করা যুক্তিযুক্ত হয়েছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪১) : কাউকে উৎসাহ দিতে হাততালি দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : শরী‘আতে শরীরে ট্যাটু করা হারাম। কিন্তু ভিটিলিগো বা শ্বেত রোগের চিকিৎসা হিসাবে ট্যাটুর মত করে কালার করা হয়; যা ত্বকের পূর্বের রং ফিরিয়ে আনে। এমতাবস্থায় শ্বেত রোগ থেকে মুক্তির জন্য এমনটি করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : কবরস্থানে জন্মানো গাছ থেকে কিছু খাওয়া যাবে? কবরস্থানে থাকা প্রাণী খাওয়া যাবে? যেহেতু এসবের খাদ্যের মূল উৎস মরা মানুষ। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : সুতায় দু‘আ পড়ে অনেকে গিট দেয় এবং গলায় দেয়। এটা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ