বৃহস্পতিবার, ২৩ Jul ২০২৬, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : অমুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যাওয়া, তাদের মন্দির বা পূজা পরিদর্শন করা, উদ্বোধন করা, সেখানে আনন্দ-উল্লাস করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্যই হারাম। কারণ এতে তাদের শির্কী কর্মকাণ্ডের প্রতি স্বীকৃতি ও ভালোবাসার প্রকাশ পায়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা সৎকর্ম ও তাক্বওয়ায় পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং মন্দকর্ম ও সীমালঙ্ঘনে একে অন্যের সহযোগিতা করো না। আর আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ শাস্তি প্রদানে অত্যধিক কঠোর’ (সূরা আল-মায়িদাহ : ২)। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম ইবনু কাছীর (রাহিমাহুল্লাহ) ও ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘এখানে আল্লাহ তা‘আলা মুমিন ব্যক্তিদেরকে ভালো কাজে সহযোগিতা করতে আদেশ করেছেন এবং অন্যায়, অসৎ ও হারাম কাজে সাহায্য, সহযোগিতা করতে নিষেধ করেছেন’ (তাফসীর ইবনু কাছীর, ২/১২; তাফসীরে কুরতুবী, ৬/৪৬-৪৭ পৃ.)।

প্রশ্নকারী : তানযীম, চট্টগ্রাম।




প্রশ্ন (২৬) : এক রাকা‘আত বিতর পড়লে তাহাজ্জুদ ছালাত সর্বনিম্ন দুই রাকা‘আত পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : হিন্দুদের কাটা ছাগলের চামড়া কোন মুসলিম কিনতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : যারা আল্লাহর ঘর ধ্বংস করে (মসজিদ ভেঙ্গে দেয় বা আগুনে পুড়িয়ে দেয়) ইসলামী শরী‘আতে তাদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : অনেক সময় মানুষের গায়ে পা লাগলে অনেকেই সালাম করে এবং চুমু খায়। এটা শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : জুমু‘আর খুত্ববায় মিম্বার তৈরির আগে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লাঠি নিয়ে খুত্ববাহ দিতেন। কিন্তু মিম্বার তৈরি হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লাঠি নিতেন না। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : জামা‘আতে ছালাত ১/২ রাক‘আত ছুটে গেলে বৈঠকে শুধু তাশাহহুদ পড়বে, না-কি দুরূদ ও দু‘আ মা’ছুরাও পড়বে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : আমি নিয়মিত কবর খনন করি। আমি জানতে চাচ্ছি যে, কবর খনন করলে কী নেকী হয়? প্রচলিত আছে, যে ১০০টি কবর খনন করবে সে বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে। এর প্রমাণে কোন দলীল আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : বর্তমানে স্পোর্টসের দোকানগুলোতে এবং যুবকদের মধ্যে ইউরোপীয় জাতীয় দল ও ক্লাবগুলোর নামযুক্ত জার্সি পরার প্রবণতা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ক্লাবের কিছু লোগোতে ক্রস (খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় প্রতীক)ও রয়েছে। যদি এসব জার্সি বিক্রি বন্ধ করি, তাহলে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হব, এমনকি দোকান বন্ধ করে দিতে হতে পারে। তবে আমরা হালাল উপার্জনের ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। অতএব নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর হুকুম শরী‘আতের আলোকে কী হবে? (১) ইউরোপীয় ক্লাবের জার্সি কেনা, বিক্রি করা ও পরিধান করার হুকুম কী? খেলোয়াড়ের নাম লেখা থাকলে তা পরে ছালাত পড়া যাবে কি? (২) যেসব জার্সিতে নাম নেই, কেবল নম্বর আছে, সেগুলো বিক্রি করার হুকুম কী? (৩) যেসব জার্সিতে নাম বা নম্বর কিছুই নেই, সেগুলো বিক্রি করার হুকুম কী? (৪) যেসব জার্সির লোগো থেকে ক্রস মুছে ফেলা হয়েছে, সেগুলো বিক্রির হুকুম কী? (৫) এটি কি “عمت به البلوى” (সর্বব্যাপী সাধারণ বিপদ) হিসাবে গণ্য হবে? (৬) যদি এসব জার্সি বিক্রি করা বৈধ না হয়, তবে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : হলুদ এবং লাল রং এর পোশাক পরা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : মুমিন ও‌ মুসলিমের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ইক্বামতে ‘ক্বাদ ক্বা-মাতিছ ছালাহ’-এর জবাবে ‘আক্বা-মাহাল্লাহু ওয়া আদামাহা’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : মৃতব্যক্তিকে ‘মরহূম’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ