রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
উত্তর : মালিক ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে অগ্রীম যে সিকিউরিটি নিয়ে থাকে, তা দুই প্রকার। যথা: (১) অগ্রীম ভাড়া হিসাবে ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে এককালীন অ্যাডভান্স সিকিউরিটি মানি গ্রহণ করা। যা পরবর্তীতে প্রতি মাসে কিস্তি পদ্ধতিতে চুক্তির শেষ মেয়াদ পর্যন্ত কিছু কিছু করে ভাড়া হিসাবে কাটা হয়। এতে কোন সমস্যা নেই। মূলত এখানে ভাড়ার কিছু অংশ অগ্রীম নেয়া হয়ে থাকে। যেমন বিলম্ব করে ভাড়া দেয়া জায়েয, ঠিক তেমনি অগ্রীম ভাড়া দেয়াও জায়েয। একই সঙ্গে ৭-৮ বছরের ভাড়া গ্রহণ করা বিশুদ্ধ এবং উভয়ের সম্মতিক্রমে সেটি কিস্তি পদ্ধতিতে পরিশোধ করাও জায়েয (মানারুস সাবীল, ১/৪২৩ পৃ.)

(২) অগ্রীম ভাড়া হিসাবে গ্রহণ না করা। বরং তা সিকিউরিটি মানি হিসাবে গ্রহণ করা। মালিক যামানত হিসাবে ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে এই শর্তে ঐ টাকা গ্রহণ করে থাকে যে, ভাড়ার চুক্তি শেষে তা আবার ভাড়াটিয়াকে ফেরত দিয়ে দিবে। এক্ষেত্রে যেহেতু টাকাটা মালিকের কাছে আমানতস্বরূপ জমা রাখা হয়। সুতরাং তা নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করা বা খরচ করা বৈধ হবে না। যদি মালিক ঐ টাকা খরচ করে, তাহলে সেটি ঋণের আওতায় চলে আসবে। অথচ শরী‘আতের দৃষ্টিতে ভাড়া ও ঋণকে একত্রিত করা জায়েয নয়। কারণ রাসূল (ﷺ) বলেছেন, لَا يَحِلُّ سَلَفٌ وَبَيْعٌ ‘ঋণ ও বিক্রয় একত্রে জায়েয নয়’ (আবূ দাঊদ, হা/৩৫০৪; তিরমিযী, হা/১২৩৪; নাসাঈ, হা/৪৬১১, সনদ হাসান ছহীহ)। আর ভাড়া এক প্রকারের লাভজনক ব্যবসা। সে জন্য অধিকাংশ আলেম ভাড়ার সঙ্গে বিক্রয়ের চুক্তিকে হারাম ঘোষণা করেছেন। টাকাটা মালিকের কাছে থাকলেও আসলে এর মালিক কিন্তু ভাড়াটিয়া ব্যক্তি। সুতরাং সিকিউরিটি মানির যাকাত ভাড়াটিয়া প্রদান করবে। অন্যদিকে অ্যাডভান্স হিসাবে প্রদানকৃত টাকার মালিকানা ভাড়াটিয়া থেকে ভাড়াদাতার কাছে চলে যায়। তাই এর যাকাত ভাড়াদাতা প্রদান করবে (ক্বারারাত ওয়া তাওছি‘আত মাজমাউল ফিক্বহিল ইসলামী, পৃ. ২৬৫)

সিকিউরিটি মানির উপর ভিত্তি করে ভাড়া কমবেশি করা জায়েয নয়। অর্থাৎ সিকিউরিটি মানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে ভাড়া কমে যাওয়ার যে প্রচলন আমাদের সমাজে রয়েছে, তা জায়েয নয় (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-৩৪৩০২৫)। ‘ইসলাম ওয়েব’-এর আলেমগণ বলেন, ‘ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে সিকিউরিটি মানি নেয়া বৈধ, কিন্তু তার দ্বারা লাভবান হওয়া বা উপকৃত হওয়া হারাম’ (ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-২৬১৪৭৫)


প্রশ্নকারী : সামিঊল ইসলাম, কুলপাড়া, রাজশাহী।





প্রশ্ন (১৩) : কোন বিধবা কিংবা ডিভোর্সি মহিলা কি তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করতে পারবে? যদি বিয়ে করে ফেলে, তাহলে সে বিয়ে কি সঠিক হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : বড় অপবিত্রতা থেকে গোসল করার পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : আমি একজন বেসরকারি চাকুরিজীবী। মাসে ৮-১০ দিন আমাকে টানা ২৪ ঘন্টা অফিস করতে হয়। এই দীর্ঘ সময়ে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় অফিসের অনেক হক্ব নষ্ট হয় যেমন অলসতা, গাফেলতি, ঘুম, ছলচাতুরী ও নেট ব্রাউজিং এর মাধ্যমে (যা চেষ্টা করলেও শতভাগ রক্ষা করা প্রায়ই অসম্ভব)। এমতাবস্থায় উপার্জনে হারামের সংশয় নিরসনে- এই হক্ব নষ্টের কোন কাফ্ফারা আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : আমি একজন নার্স, মাঝে মধ্যে কোন কোন রোগী আমাকে খুশি হয়ে ১০০ বা ২০০ টাকা দেয়, আবার কখনো খাবার খেতে দেয়, এই টাকা ও খাবার গ্রহণ করা কি ঘুষ বা হারাম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : হাজীরা ত্বাওয়াফ করার সময় পড়েন, اللَّهُمَّ إِيمَانًا بِكَ وَتَصْدِيقًا بِكِتَابِكَ، وَاتِّبَاعًا لِسُنَّةِ نَبِيِّكَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ। দু‘আটা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : মেয়েরা যে বডি লোশন বা কসমেটিকস ব্যবহার করে সেগুলোতে সুন্দর ঘ্রাণ আছে। সেগুলো কি মেয়েরা ব্যবহার করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : প্রথম স্ত্রী ইন্তিকালের পর তার গহনা দিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর মোহর আদায় করা কিংবা হাদিয়া দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : তারাবীহর ছালাতে এক ব্যক্তি দু’বার দুই জায়গায় ইমামতি করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩): পারস্পরিক ভালোবাসা বৃদ্ধির জন্য জাদু, তন্ত্রমন্ত্র ও বশীকরণ বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : স্ত্রীকে ত্বালাক্ব দেয়ার নিয়ম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : যে ব্যক্তি রাসূলের উপর দরূদ পাঠ করতে ভুলে যাবে, সে জান্নাতের পথ ভুলে যাবে’। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : ‘দেবর মৃত্যু সমতুল্য’ এই হাদীছের তাৎপর্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ