রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : স্ত্রীর জন্য জায়েয নয় স্বামীর কাছে যাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখা। বরং ক্ষতির আশঙ্কা অথবা অপরিহার্য কাজে ব্যস্ত না থাকলে স্বামীর আহ্বানে সাড়া দেয়া স্ত্রীর উপর অপরিহার্য। আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, যদি কোন পুরুষ তার স্ত্রীকে তার সঙ্গে একই বিছানায় শোয়ার জন্য ডাকে, আর সে আসতে অস্বীকার করে, তাহলে সকাল পর্যন্ত ফেরেশতাগণ ঐ মহিলার উপর অভিসম্পাত বা লা‘নত বর্ষণ করতে থাকে (ছহীহ বুখারী, হা/৩২৩৭, ৫১৯৩, ৫১৯৪; ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৩৬; মুসনাদে আহমাদ, হা/৯৬৭৭)। যদি সে কোন অজুহাত ছাড়াই প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে সে অবাধ্য, পাপী। তার ভরণপোষণ ও পোশাক বাজেয়াপ্ত করা উচিত। স্বামীর দায়িত্ব তাকে উপদেশ দেয়া, আল্লাহর শাস্তি সম্পর্কে ভীতি প্রদর্শন করা। তাকে বিছানা থেকে আলাদা করে দেয়া। আর প্রয়োজনে সে তাকে মৃদুভাবে প্রহার করবে।

যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, ‘আর তোমরা যে নারীদের অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদেরকে সদুপদেশ দাও, বিছানায় তাদেরকে ত্যাগ কর এবং তাদেরকে (মৃদু) প্রহার কর। এরপর যদি তারা তোমাদের আনুগত্য করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমুন্নত মহান’ (সূরা আন-নিসা : ৩৪)। উক্ত আয়াতে যেসব স্ত্রীলোক স্বামীদের আনুগত্য করে না কিংবা যারা এ ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শন করে। আল্লাহ তা‘আলা সংশোধনের জন্য পুরুষদেরকে যথাক্রমে তিনটি উপায় বলে দিয়েছেন। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন তার স্ত্রীকে চাকর-বাকরদের মত না মারে, পরে সে দিনের শেষে তার সাথে আবার সহবাস করবে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫২০৪)। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘স্ত্রীর জন্য স্বামীর অবাধ্য হওয়া এবং নিজেকে তার থেকে বিরত রাখা জায়েয নয়। বরং স্ত্রী যদি তার থেকে বিরত থাকে এবং তার উপর অটল থাকে, তাহলে তাকে মৃদুভাবে প্রহার করতে পারে এবং সে খোরপোষ বা ভাগের যোগ্য নয় (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ৩২/২৭৮-২৭৯ পৃ.)।

‘ইসলাম ওয়েব’-এর আলেমগণ বলেন, আলাউদ্দীন আল-মিরদাবী (রাহিমাহুল্লাহ) ও ইবনু আবেদীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, শারঈ কোন কারণ ছাড়া ধারাবাহিকভাবে সহবাসে রাজি না হলে ক্ষতি করা ব্যতীত জোরপূর্বক সঙ্গম করা জায়েয (ইসলাম ওয়েব, ফৎওয়া নং-৩৮২১৩২)।


প্রশ্নকারী : রিযওয়ান, গাজীপুর।





প্রশ্ন (১৮) : মসজিদে ছালাত আদায়ের পর অবসর সময়ে মসজিদের বাতি জ্বালিয়ে বা ফ্যান চালিয়ে কুরআন-হাদীছ পড়া এবং কুরআন-হাদীছের আলোচনা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ‘যে ব্যক্তি খুশি মনে, নেকীর আশায় কুরবানীর পশু যবেহ করবে, তার জন্য সে পশু জাহান্নামের ঢাল হবে’। উক্ত হাদীছের সনদ সম্পর্কে জানতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : অনেকে ব্যবসার স্বার্থে জাল-যঈফ হাদীছ ও মিথ্যা কাহিনী সম্বলিত বই-পুস্তক বিক্রি করে থাকে। এই ব্যবসা হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : পড়ার জন্য আমার সংগ্রহে অনেক বইয়ের পিডিএফ আছে। আমি জানি না যে, প্রকাশনী বা লেখক থেকে এগুলোর অনুমোদন আছে কি নেই। যদি না থাকে তাহলে সেগুলো পড়া বা সংগ্রহে রাখা কি গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : ছিয়াম পালনকারীর শ্বাসকষ্ট উপশমকারী স্প্রে (ইনহেইলার বা পাফার) ব্যবহারের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : বিনোদনের জন্য বাদ্যযন্ত্রের পরিবর্তে মুখ নাক দিয়ে মিউজিক তৈরি করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : কুরবানীর পশুর বয়স কত বছর হলে কুরবানী করা যায়? পশুর দুধের দাঁত পড়ার পর নতুন দাঁত উঠা কি শর্ত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : কুরবানীর পশুর বয়স কত বছর হলে কুরবানী করা যায়? পশুর দুধের দাঁত পড়ার পর নতুন দাঁত উঠা কি শর্ত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৮) : রামাযানের ছিয়াম ক্বাযা রেখে শাওয়ালের ছিয়াম রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : নাবালগ ছেলে হজ্জের সময় কি তাকে ইহরামের কাপড় পরিয়েই হজ্জের যাবতীয় কার্যাবলী সম্পন্ন করাতে হবে? হজ্জের কার্যক্রমগুলো যেমন: ত্বাওয়াফ ইত্যদি কি তার পক্ষ থেকে অন্য কেউ পালন করিয়ে দিতে হবে, না-কি তাকে সাধারণ পোশাক পরালে চলবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : আহলে কিতাবদের যব্হ করা পশু খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : আমি একজন প্রবাসী। গত পাঁচ বছর যাবৎ কয়েকটি দেশ হয়ে এখন আমি ইতালিতে বসবাস করি এবং আমার প্রয়োজনীয় সব কাগজ-পত্রও আছে। এটি যেহেতু অমুসলিম প্রধান দেশ, তাই আমার কিছু জিজ্ঞাসা রয়েছে, যা নিম্নোক্ত: (১) উন্নত জীবন-যাপনে জন্য কোন মুসলিম কি অমুসলিম প্রধান দেশে বসবাস করতে পারবে? এক্ষেত্রে পরিবার বা নিজস্ব চাহিদা পূরণ, দারিদ্রতা, দেশে চাকরি সংকট ইত্যাদি নানা অযুহাত দিয়ে এটাকে কি জায়েয করার কোন সুযোগ আছে? (২) যদি অমুসলিম প্রধান দেশে বসবাস জায়েয না হয়, তাহলে সেখানের আয়ের ব্যাপারে ইসলাম কী বলে? সেখানকার উপার্জন হালাল, না-কি হারাম? (৩) এই টাকা খেয়ে আমি বা আমার পরিবার ইবাদত করলে তা-কি কবুল হবে? (৪) আমি একজন মুসলিম হওয়ায় আমার কাছে দ্বীন পালন করা বড়, না-কি পার্থিব জীবনকে উন্নত বা ভালোভাবে বাঁচার চেষ্টা করা দরকার? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ