রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
উত্তর : বৌদ্ধধর্মের মধ্যে কিন্তু সে রকম কোন নির্দিষ্ট মূল গ্রন্থ নেই। আলাদা আলাদা দেশের বৌদ্ধরা ভিন্ন ভিন্ন ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী ধর্মগ্রন্থ রচনা করেছে এবং সেই মোতাবেক ধর্মীয় জীবন-যাপন পালন করছে। এজন্যই বিভিন্ন বৌদ্ধ ঐতিহ্যের মধ্যে কোন ঐকমত্য নেই। প্রতিটি বৌদ্ধ ঐতিহ্যের নিজস্ব গ্রন্থের সংগ্রহ রয়েছে, যার বেশিরভাগই ভারতের প্রাচীন পালি ও সংস্কৃত বৌদ্ধ গ্রন্থের অনুবাদ। উদাহরণ স্বরূপ, চীনা বৌদ্ধ ক্যাননে ৫৫টি খণ্ডে ২১৮৪টি পাঠ রয়েছে, অপরদিকে তিব্বতীয় ক্যাননে ১১০৮টি পাঠ রয়েছে, যার সবগুলোই বুদ্ধ দ্বারা কথিত বলে দাবি করা হয়েছে (তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া)। এই মতপার্থক্যের মূল কারণ হল, এটি একটি মানব রচিত ধর্ম। যার উৎপত্তি হয়েছে, খৃষ্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে প্রাচীন ভারতের পূর্বাঞ্চল মগধ রাজ্য (যা বর্তমানে ভারতের বিহার প্রদেশ) থেকে। বৌদ্ধ ধর্মের অস্তিত্ব মূলত সিদ্ধার্থ গৌতম বুদ্ধের শিক্ষার উপর ভিত্তি করে (তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া)।

দ্বিতীয়তঃ প্রত্যেক ধর্মের মধ্যেই কিছু না কিছু ভালো জিনিস আছে। তেমন বৌদ্ধ ধর্মের মধ্যেও কিছু ভালো জিনিস আছে। এ ধর্মের মূল বাণী হল- মানব সেবা, মানব জাতিকে কষ্ট থেকে মুক্ত করা। যদিও তাদের নীতি ও কর্মের মধ্যে পূর্ব-পশ্চিম পার্থক্য আছে। যা আমরা হামেশাই লক্ষ্য করেছি, সাম্প্রতিক মায়ানমারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর যে নির্মম নির্যাতন ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। আজ চীনের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা উইঘুর মুসলিমদের উপর যে বর্বর নির্যাতন ও অমানবিক অত্যাচারের স্টিমরোলার চালাচ্ছে সে সম্পর্কে আমরা সকলেই অবগত। বাকি পার্থক্য তো অসংখ্য আছে। ইসলাম ধর্ম ও বৌদ্ধ ধর্মের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হল- ইসলাম ধর্মের মূলনীতি হচ্ছে এক ইলাহতে বিশ্বাস করা, অপরদিকে বৌদ্ধ ধর্ম অঈশ্বরবাদী। বৌদ্ধ সৃষ্টিতত্ত্ব দেবতা নামক প্রাণীর অস্তিত্বকে স্বীকার করে। এ ধর্ম সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বরে বিশ্বাস শেখায় না। তাদের মধ্যে অন্য সব পার্থক্য এই থেকেই প্রবাহিত। আমরা এক কথায় বলতে পারি যে, বৌদ্ধরা নাস্তিক্যবাদে বিশ্বাসী।


প্রশ্নকারী : যহরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা।





প্রশ্ন (২৭): ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে কথা বলা এবং তার দিকে তাকানো কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : মসজিদের মেহরাবের দক্ষিণ দেয়ালে থুথু ফেলার জন্য কি জানালা রাখা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ‘একই বিক্রয়ে দু’টি শর্ত বৈধ নয়’ (তিরমিযী, হা/১২৩৪) হাদীছের সঠিক ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : স্বামী মারা গেলে স্ত্রীর ইদ্দত ৪ মাস ১০ দিন। বৃদ্ধ নারী বা যার সন্তান হওয়ার সম্ভবনা নেই তার ক্ষেত্রেও কি এটিই প্রযোজ্য? আর উক্ত ইদ্দত চলাকালীন কী কী কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ছালাত আদায় করার সময় শুধু রুকূ‘ পেলেই কি পুরো রাকা‘আত পাওয়া হবে, না-কি পরবর্তীতে ঐ রাক‘আত আবার পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : ক্বদরের রাত্রে সারা রাত নফল ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : পিতা মারা যাওয়ার আগেই কোন জমি বা ভিটে-মাটি ছেলে-মেয়েদের নামে নির্দিষ্ট করে লিখে দিতে পারবে কি? যাতে করে পরবর্তীতে মেয়েদেরকে তার ছেলে বঞ্চিত করতে না পারে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : জনৈক ব্যক্তি বিশেষ ফযীলত মনে করে প্রতি শুক্রবার ছিয়াম পালন করেন। এভাবে ছিয়াম রাখা যাবে কি? ক্বাযা ছিয়াম শুক্রবারে আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : পুরুষরা হাতে-পায়ে মেহেদি লাগাতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : রামাযানের ক্বাযা বা ছুটে যাওয়া ছিয়াম কখন আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : ইবনু মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, ‘কষ্ট যদি একটি গর্তেও প্রবেশ করে, স্বস্তি একে অনুসরণ করে এতে প্রবেশ করবে’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান) মর্মে বর্ণানটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ‘মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত’-এটি কি ছহীহ হাদীছ? দলীল জানালে উপকৃত হব। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ