বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
উত্তর : এটি কোন মুমিনের অভ্যাস হতে পারে না। মুমিনের আদর্শ হল, তাঁরা মহান আল্লাহর আনুগত্য ও হুকুম পালনের ক্ষেত্রে কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারকে ভয় ও পরোয়া করবে না। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি গুণ। সমাজে যখন কোন পাপের প্রচলন ব্যাপক হয়ে যায়, তখন তার বিরুদ্ধে এই গুণ ছাড়া নেকীর উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা এবং আল্লাহর বিধানের আনুগত্য করা সম্ভব নয়। সমাজে কত শত এমন মানুষ আছে যাঁরা পাপাচরণ, আল্লাহদ্রোহিতা এবং সামাজিক অশ্লীলতা থেকে বাঁচতে চেষ্টা করে, কিন্তু এই নিন্দুকের নিন্দা ও তিরস্কারের মোকাবেলা করার মত ক্ষমতা নেই বলে তারাও ঐ পাপের মধ্যে লিপ্ত হয়ে যায়। পাপের ঐ দলবল হতে বের হতে পারে না। ফলস্বরূপ হক্ব ও বাতিলের মাঝে পার্থক্য করার মত তাওফীক্বও লাভ হয় না।

পক্ষান্তরে আল্লাহ তা‘আলা মুমিনদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলেন, ‘যারা আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করে না’ (সূরা আত-তাওবাহ : ১৮)। অন্যত্র তিনি বলেন, وَ لَا یَخَافُوۡنَ لَوۡمَةَ لَآئِمٍ ‘তাঁরা কোন নিন্দুকের নিন্দার বা তিরস্কারকারীর তিরস্কারকে ভয় করবে না’ (সূরা আল-মায়িদাহ : ৫৪)। ছাহাবীগণ রাসূল (ﷺ)-এর হাতে বাই‘আত হওয়ার সময় বলেছিলেন, আমরা যেখানেই থাকব হক্ব কথা বলব। আল্লাহর ব্যাপারে কোন ভৎর্সনাকারীর ভৎর্সনাকে ভয় করব না’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৭০৯)। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) ভাষণ দিতে দাঁড়ালেন এবং তাঁর ভাষণে বললেন, ‘সাবধান! মানুষের ভয় যেন কোন ব্যক্তিকে সজ্ঞানে সত্য কথা বলতে বিরত না রাখে। রাবী বলেন, (এ হাদীছ বর্ণনাকালে) আবূ সাঈদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) কেঁদে দিলেন এবং বললেন, আল্লাহর শপথ! আমরা বহু কিছু লক্ষ্য করেছি কিন্তু বলতে ভয় পেয়েছি। (ইবনু মাজাহ, হা/৪০০৭; আহমাদ, হা/১০৬৩৪, ১০৮৬২, সনদ ছহীহ)।

দ্বিতীয়তঃ কোন ব্যক্তির জন্য জায়েয নয় নিজের জন্য কোন হালাল জিনিসকে হারাম করে নেয়া অথবা হারাম জিনিসকে হালাল করে নেয়া। কোন মানুষকে এই অধিকার দেয়া হয়নি। আল্লাহ তা‘আলা স্বয়ং রাসূল (ﷺ)-এর কাছে কৈফিয়ত তলব করে বলেন, ‘হে নবী! আল্লাহ আপনার জন্য যা বৈধ করেছেন, আপনি তা অবৈধ করছেন কেন? আপনি আপনার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি চাচ্ছেন? আর আল্লাহ চরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’ (সূরা আত-তাহরীম : ১)। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘হে মুমিনগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্য যেসব উৎকৃষ্ট বস্তু হালাল করেছেন সেগুলোকে তোমরা হারাম করো না এবং সীমালংঘন করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সীমালংঘনকারীকে পসন্দ করেন না’ (সূরা আল-মায়িদাহ : ৮৭)।


প্রশ্নকারী : জহিরুল ইসলাম, চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ।প্রশ্নকারী : জহিরুল ইসলাম, চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ।





প্রশ্ন (৩৩) : হারাম ভক্ষণকারী কি চিরস্থায়ী জাহান্নামী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : কোন রোগের কারণে চিকিৎসক যদি অল্প পরিমাণে মদ্যপান বা অন্য কোন হারাম বস্তু খাওয়ার নির্দেশনা দেয়, তবে তা গ্রহণ করা জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : কোন ব্যক্তি নিরুপায় হয়ে সূদভিত্তিক লোন গ্রহণ করে তার নিজস্ব প্রয়োজন মেটায়, তাহলে তার দু‘আ কবুল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : বিবাহের জন্য একাধিক মেয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া জায়েয হবে, না-কি সরাসরি দেখার ক্ষেত্রে একজনের বেশি দেখা যাবে না? মেয়ে দেখার ক্ষেত্রে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : আমাদের এলাকায় অনেকেই ফজর ছালাতের পর ১৯ বার ‘বিসমিল্লা-হ’ পাঠ করে থাকে। এটা কতটুকু শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : কুরআন তিলাওয়াত, কুরআন মুখস্থ, ইসলামী জ্ঞান চর্চা বা দ্বীনি কাজে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা এবং আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিজয়ীদের পুরস্কার গ্রহণের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : প্রচলিত আছে যে, ‘৭০ বছর বয়স হলে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের কোন পাপ ফেরেশতারা লিখেন না’। উক্ত দাবী কি শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : অনেক সময় বাবা-মা ভুল বুঝে সন্তানকে বদ দু‘আ দেয়। অথচ সন্তান তেমন কোন অপরাধ করেনি। এতে কি সন্তানের কোন ক্ষতি হবে? আর যারা কথায় কথায় বদ দু‘আ কিংবা অভিশাপ দেয় তাদের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৩) : দাড়ি রাখা সুন্নাত না ওয়াজিব? এটি না রাখার পরিণতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : যে ব্যক্তির জানাযা হয়েছে তার গায়েবানা জানাযা পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : মাহরাম ছাড়া নারীর সফর করা হারাম। প্রশ্ন হল- শরী‘আতের দৃষ্টিতে মাহরামের শর্তাবলী কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : বিভিন্ন বইয়ে দোয়েল, উটপাখি, পাতিহাঁস, মাছ, হরিণ, বাঘ ইত্যাদির ছবি থাকে। অনেক সময় ঘরের মধ্যে ঐ বইয়ের পাতাগুলো খোলা অবস্থায় থাকে। এমনকি আমরা যে ঘরে ছালাত আদায় করি ঐ ঘরে অ্যাকুরিয়ামের মধ্যে জীবন্ত মাছ আছে। এসব ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করবে কি? আর সেখানে ছালাত আদায় করা জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ