রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
উত্তর : এটি কোন মুমিনের অভ্যাস হতে পারে না। মুমিনের আদর্শ হল, তাঁরা মহান আল্লাহর আনুগত্য ও হুকুম পালনের ক্ষেত্রে কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারকে ভয় ও পরোয়া করবে না। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি গুণ। সমাজে যখন কোন পাপের প্রচলন ব্যাপক হয়ে যায়, তখন তার বিরুদ্ধে এই গুণ ছাড়া নেকীর উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা এবং আল্লাহর বিধানের আনুগত্য করা সম্ভব নয়। সমাজে কত শত এমন মানুষ আছে যাঁরা পাপাচরণ, আল্লাহদ্রোহিতা এবং সামাজিক অশ্লীলতা থেকে বাঁচতে চেষ্টা করে, কিন্তু এই নিন্দুকের নিন্দা ও তিরস্কারের মোকাবেলা করার মত ক্ষমতা নেই বলে তারাও ঐ পাপের মধ্যে লিপ্ত হয়ে যায়। পাপের ঐ দলবল হতে বের হতে পারে না। ফলস্বরূপ হক্ব ও বাতিলের মাঝে পার্থক্য করার মত তাওফীক্বও লাভ হয় না।

পক্ষান্তরে আল্লাহ তা‘আলা মুমিনদের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলেন, ‘যারা আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কাউকে ভয় করে না’ (সূরা আত-তাওবাহ : ১৮)। অন্যত্র তিনি বলেন, وَ لَا یَخَافُوۡنَ لَوۡمَةَ لَآئِمٍ ‘তাঁরা কোন নিন্দুকের নিন্দার বা তিরস্কারকারীর তিরস্কারকে ভয় করবে না’ (সূরা আল-মায়িদাহ : ৫৪)। ছাহাবীগণ রাসূল (ﷺ)-এর হাতে বাই‘আত হওয়ার সময় বলেছিলেন, আমরা যেখানেই থাকব হক্ব কথা বলব। আল্লাহর ব্যাপারে কোন ভৎর্সনাকারীর ভৎর্সনাকে ভয় করব না’ (ছহীহ মুসলিম, হা/১৭০৯)। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) ভাষণ দিতে দাঁড়ালেন এবং তাঁর ভাষণে বললেন, ‘সাবধান! মানুষের ভয় যেন কোন ব্যক্তিকে সজ্ঞানে সত্য কথা বলতে বিরত না রাখে। রাবী বলেন, (এ হাদীছ বর্ণনাকালে) আবূ সাঈদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) কেঁদে দিলেন এবং বললেন, আল্লাহর শপথ! আমরা বহু কিছু লক্ষ্য করেছি কিন্তু বলতে ভয় পেয়েছি। (ইবনু মাজাহ, হা/৪০০৭; আহমাদ, হা/১০৬৩৪, ১০৮৬২, সনদ ছহীহ)।

দ্বিতীয়তঃ কোন ব্যক্তির জন্য জায়েয নয় নিজের জন্য কোন হালাল জিনিসকে হারাম করে নেয়া অথবা হারাম জিনিসকে হালাল করে নেয়া। কোন মানুষকে এই অধিকার দেয়া হয়নি। আল্লাহ তা‘আলা স্বয়ং রাসূল (ﷺ)-এর কাছে কৈফিয়ত তলব করে বলেন, ‘হে নবী! আল্লাহ আপনার জন্য যা বৈধ করেছেন, আপনি তা অবৈধ করছেন কেন? আপনি আপনার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি চাচ্ছেন? আর আল্লাহ চরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’ (সূরা আত-তাহরীম : ১)। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘হে মুমিনগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্য যেসব উৎকৃষ্ট বস্তু হালাল করেছেন সেগুলোকে তোমরা হারাম করো না এবং সীমালংঘন করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সীমালংঘনকারীকে পসন্দ করেন না’ (সূরা আল-মায়িদাহ : ৮৭)।


প্রশ্নকারী : জহিরুল ইসলাম, চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ।প্রশ্নকারী : জহিরুল ইসলাম, চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ।





প্রশ্ন (৩) : কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকুরি করার কারণে অনেক সময় হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিষ্টান ধর্মের প্রশ্নপত্র টাইপ করতে হয়। এমন কাজ করলে কি গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : মোবাইল ব্যবসা করা কি হালাল হবে? কারণ বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষ মোবাইল অপব্যবহার করে, যেমন গান, বাজনা, গেম খেলা ইত্যাদি। বলা বাহুল্য, কিছু কাস্টমার দোকানদারকে বলে আমাকে গেমিং ফোন দেন। এই থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় ছেলেটা হয়ত গেম খেলবে। শরী‘আতের দৃষ্টিতে এর সমাধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য মহিলা চোখের ভ্রƒ উঠাতে ও কাটতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : যে ঘরে কুরআন আছে, সে ঘরে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে কাপড় পরিবর্তন করা যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ফরয ছালাতের পর বিভিন্ন দু‘আর সাথে সূরা ইখলাছ, ফালাক্ব, নাস ইত্যাদি পড়ার পর বুকে ফুঁ দিয়ে এবং হাতে ফুঁ দিয়ে গোটা শরীর মাসাহ করা কি ঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমি একজন সিএনজি চালক। দিনের বেলায় যে জায়গার ভাড়া ২০ টাকা- রাতের বেলায় সে একই জায়গায় অনেক চালক ৪০ টাকা নিয়ে থাকে। এভাবে রাতে ভাড়া বাড়ানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) কি নির্দিষ্ট কোন মাযহাবের অনুসরণ করতেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ, প্রতিবাদ মিছিল, মানববন্ধন করা কী ইসলামে জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : অধিক সম্পদ পুলছিরাত পার হতে কষ্টের কারণ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে বলেছেন, গর্ভবতী মায়ের পেটে কী আছে তিনি ছাড়া কেউ জানে না। কিন্তু বর্তমানে আল্ট্রাসনোগ্রাফীর মাধ্যমে জানা যাচ্ছে। কুরআনের উক্ত আয়াতের সঠিক ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : ‘রিযিক’ এবং ‘বিবাহ’ কি লাওহে মাহফূযে লিখিত আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২): ইনসূরেন্স কোম্পানিতে ১২ বছরের জন্য টাকা রাখা আছে এবং ফিক্সড ডিপোজিটও করা আছে। এগুলো হারাম জানার পর এখন আর চলমান থাকবে না। কিন্তু মূলধন এখন তোলা যাবে না, কয়েক বছর পর তোলা যাবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে- প্রতি বছরই কি ঐ টাকার যাকাত দিতে হবে, না- টাকা হাতে আসার পর যাকাত দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ