বুধবার, ২২ Jul ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
উত্তর : শর্তসাপেক্ষে ঋণ দিয়ে তাগাদা ও বলপ্রয়োগ করে বেশি নেয়াটা নিঃসন্দেহে সূদ। তবে কোন পূর্ব শর্ত ও বলপ্রয়োগ ছাড়াই বেশি দেয়াটা দোষনীয় নয়। সুতরাং যদি তাকে তার পারিশ্রমিক বা প্রয়োজনের অতিরিক্ত দেয়া হয়, তবে এটি তার উপর একটি বিশেষ অনুগ্রহ হবে। কেননা সে একজন হিতাকাক্সক্ষী, পরিশ্রমী ও অসহায় মানুষ। আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত। একজন লোক নবী করীম (ﷺ)-এর নিকট তার (প্রাপ্য) উটের তাগাদা দিতে আসে। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) ছাহাবীদের বললেন, তাকে একটি উট দিয়ে দাও। তাঁরা বললেন, তার চেয়ে উত্তম বয়সের উট ছাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বললেন, সেটিই তাকে দিয়ে দাও। লোকটি বলল, আপনি আমাকে পূর্ণ হক্ব দিয়েছেন, আল্লাহ আপনাকে যেন পূর্ণ হক্ব দেন। তখন নবী করীম (ﷺ) তিনি বললেন, فَإِنَّ مِنْ خِيَارِ النَّاسِ أَحْسَنَهُمْ قَضَاءً ‘কেননা মানুষের মধ্যে সেই উত্তম, যে উত্তমরূপে ঋণ পরিশোধ করে’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৩০৫, ২৩০৬, ২৩৯০, ২৩৯২, ২৩৯৩, ২৬০৬, ২৬০৯; ছহীহ মুসলিম, হা/১৬০১)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি নবী করীম (ﷺ)-এর কাছে আসলাম।

وَكَانَ لِيْ عَلَيْهِ دَيْنٌ فَقَضَانِيْ وَزَادَنِيْ

‘তাঁর কাছে আমার কিছু ঋণ প্রাপ্য ছিল। তিনি আমার ঋণ আদায় করলেন এবং পাওনার চেয়েও বেশি দিলেন’ (ছহীহ বুখারী, হা/৪৪৩, ২৪৯৪)। অতএব যদি শ্রমিক ব্যক্তিটি সৎ এবং হিতাকাক্সক্ষী হয়, সেক্ষেত্রে তাকে যদি তার পারিশ্রমিকের চেয়ে বেশি দেয়া হয়, তবে এটি উত্তম চরিত্রের উদাহরণ (আল-মুগনী, ৪/২১২ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১৪৮৪৫৮; ফাতাওয়া নূরুন আলাদ দারব, ইবনে বায, https://binbay.org.sa/fatwas/11977/%D8%।

প্রশ্নকারী : ইমতি, মিরপুর, ঢাকা।





প্রশ্ন (৮) : কেউ যদি কোন ছালাতের জামা‘আতে এক রাক‘আত পেয়ে যায়, তাহলে সে উক্ত ছালাত পেয়ে গেল; এমনকি সে পুরো ছালাতই পেয়ে গেল (ছহীহ বুখারী, হা/৫৮০; ছহীহ মুসলিম, হা/৬০৭; মিশকাত, হা/১৪১২)। প্রশ্ন হল- ২, ৩ অথবা ৪ রাক‘আত বিশিষ্ট ছালাতের বাকী রাক‘আতগুলো কি পড়তে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : কোন শ্রেণীর ভিক্ষুক স্বাদাক্বাহ পাওয়ার অধিক উপযুক্ত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : মসজিদে প্রবেশের সময় এবং বের হওয়ার সময় উচ্চৈঃস্বরে সালাম দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : ছালাতে প্রথম ও তৃতীয় রাক‘আত শেষে না বসে সরাসরি উঠে যাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : সন্তান-সন্ততি এবং অর্থ-সম্পদ তোমাদের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ (আনফাল ২৮; তাগাবুন ১৫)। এ কথার সঠিক ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : সাত দিনের পূর্বে সন্তান মারা গেলে আক্বীক্বা দেয়া লাগবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : ক্বদরের রাত্রে সারা রাত নফল ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : ‘পীর-অলীদের মৃতদেহ মাটিতে খায় না বরং তা অক্ষত থাকে’-এরূপ আক্বীদা সঠিক কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ‘যে ব্যক্তি সকালে ও বিকালে সূর্যোদয়ের আগে ও সূর্যাস্তের আগে ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে সে যেন একশ’টি হজ্জ আদায় করল বা একশ’টি উট আল্লাহর ওয়াস্তে দান করল। যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার ‘আল-হামদুলিল্লাহ’ বলল সে যেন আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য ১০০টি ঘোড়ার পিঠে মুজাহিদ প্রেরণ করলো অথবা আল্লাহর রাস্তায় ১০০ টি গাযওয়া বা অভিযানে শরীক হলো। আর যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার করে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পাঠ করলো, সে যেন ইসমাঈল বংশের একশ’ ব্যক্তিকে দাসত্ব থেকে মুক্তি প্রদান করলো। আর যে ব্যক্তি এই দুই সময়ে ১০০ বার করে ‘আল্লাহু আকবার’ বলল, ঐ দিনে তার চেয়ে বেশি আমল আর কেউ করতে পারবে না। তবে যদি কেউ তার সমান এই যিকরগুলো পাঠ করে বা তার চেয়ে বেশি পাঠ করে তাহলে ভিন্ন কথা। (তাহলে সেই শুধু তার উপরে উঠতে পারবে।) ইমাম নাসাঈর বর্ণনায় ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু’-র পরিবর্তে ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুআ আলা কুলিল শাইয়্যিন কাদীর’ ১০০ বার পাঠ করার কথা বলা হয়েছে (তিরমিযী, ৫/৫১৩, নং ৩৪৭১; নাসাঈ, আস-সুনানুল কুবরা, ৬/২০৫)। উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি আমলযোগ্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : কঠিন রোগে আক্রান্ত হলে আরোগ্য লাভের উদ্দেশ্যে নফল ছিয়াম রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : বিবাহের সুন্নাতী তরীকাগুলো কী কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : পুরুষদের ফেয়ারনেস ক্রিম মাখা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ