রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
উত্তর : সঊদী আরবের স্থায়ী ফাতাওয়া কমিটি, শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ), শায়খ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) ও শায়খ ছালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ) বলেন, ‘দূরবীন, টেলিস্কোপ বা অন্যান্য আধুনিক যন্ত্রপাতির সাহায্যে চাঁদ দেখা জায়েয। এটি কোনভাবেই ধর্মীয় মূলনীতির বিরোধী নয়। কেননা পূর্বের লোকেরাও তাঁদের সুবিধার্থে মিনারে, বাড়ির ছাদে অথবা অন্য কোন উঁচু জায়গায় উঠে চাঁদ দেখার চেষ্টা করতেন। তবে জ্যোতিষ্কলোক বা পঞ্জিকার উপর নির্ভরশীল হওয়া বা এর মাধ্যমে অনুমান করা জায়েয নয় (ফাতাওয়া লাজনা আদ-দায়েমাহ, ৯/৯৯, প্রশ্নোত্তর নং-১২৪৫; ফাতাওয়া নূরুন আলাদ দারব লিইবনি বায, ১৬/৮১-৮৩; ফাতাওয়া উলামায়িল বালাদিল হারাম, পৃ. ১৯২-১৯৩)।

বর্তমান যুগের কিছু ভ্রান্ত মস্তিষ্কের আলিম দ্বিমত পোষণ করলেও কিন্তু অধিকাংশ আলিমের মতে, উপায় যায়ই হোক না কেন চাঁদ দেখাই হচ্ছে বড় কথা। সঊদী আরবের উচ্চ উলামা পরিষদ ‘মাজলিসু হাইআতি কিবারিল ওলামা’ও এই মত প্রদান করেছেন। ১৬/৫/১৪০৩ হিজরীতে পরিষদের সকল সদস্য নিম্নোক্ত সিদ্ধান্তসমূহে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। যথা : (১) চাঁদ দেখার কাজে সহযোগী হিসাবে মিনার নির্মাণ করা যেতে পারে। এতে শারঈ কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। (২) এর মাধ্যমে চাঁদ দেখা না গেলেও, শুধু খালি চোখে চাঁদ দেখা গেলে তাই গ্রহণযোগ্য হবে। (৩) অনুরূপভাবে টেলিস্কোপের মাধ্যমে যদি সত্যি সত্যি চাঁদ দেখা সম্ভব হয়, তাহলে তাও গ্রহণযোগ্য হবে, যদিও খালি চোখে তা দেখা না যায়। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, لَا تَصُوْمُوْا حَتَّى تَرَوْا الْهِلَالَ وَلَا تُفْطِرُوْا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوْا لَهُ ‘চাঁদ না দেখে তোমরা ছিয়াম পালন করবে না এবং চাঁদ না দেখে ইফতার বন্ধ করবে না। যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে তার সময় (ত্রিশ দিন) পরিমাণ পূর্ণ করবে’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৯০০-১৯০৬; ছহীহ মুসলিম, হা/১০৮০)। অন্যত্র তিনি বলেন, صُوْمُوْا لِرُؤْيَتِهِ وَأَفْطِرُوْا لِرُؤْيَتِهِ فَإِنْ غُبِّيَ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوْا عِدَّةَ شَعْبَانَ ثَلَاثِيْنَ ‘তোমরা চাঁদ দেখে ছিয়াম আরম্ভ করবে এবং চাঁদ দেখে ইফতার করবে। আকাশ যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে শা‘বানের গণনা ত্রিশদিন পূর্ণ করবে’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৯০৯; ছহীহ মুসলিম, হা/১০৮১)।

উপরিউক্ত হাদীছগুলোতে চাঁদ দেখার শর্তারোপ করা হয়েছে মাত্র, সেগুলোতে খালি চোখ, টেলিস্কোপ বা অন্য কোন মাধ্যমে দেখা বা না দেখার কোন শর্তারোপ করা হয়নি। তাছাড়া হ্যাঁ-সূচক (المثبت) দলীল না-সূচক (النافي) দলীলের ওপর অগ্রাধিকারযোগ্য।

প্রশ্নকারী : আরিফ বিল্লাহ, ময়মনসিংহ।





প্রশ্ন (৩৩) : টাকার নিছাব দুইভাবে হিসাব করা হয়। স্বর্ণ ও রৌপ্যের হিসাবে। কিন্তু বর্তমানে স্বর্ণ ও রৌপ্যের মূল্যে বিস্তর ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়। এমতাবস্থায় কোন্ হিসাবে যাকাত দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : সুস্থ সক্ষম পিতা-মাতার জন্য বদলি ওমরাহ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : ৪ রাকা‘আত ছালাতের ১ম বৈঠকে বসে আত্তাহিয়্যাতুর পর ভুল করে দরূদ পড়ার কারণে সহো সিজদা দিতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : জাহান্নামের স্তর কয়টি? কারা কোন্ স্তরে প্রবেশ করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়াদের ব্যাপারে একজন মুমিনের কেমন ধারণা থাকা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জান্নাতী দলের পরিচয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : দোকানের চতুর্দিকে অনেক ছবি আছে। এমন স্থানে ছালাত আদায় করলে ছালাত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : সূরা ইয়াসীন ও ত্বা-হা পাঠের ফযীলত বর্ণনায় বলা হয় যে, আল্লাহ তা‘আলা আসমান ও যমীন সৃষ্টির এক হাযার বছর পূর্বে সূরা ‘ত্বা-হা’ ও ‘ইয়াসীন’ পাঠ করলেন। তখন ফেরেশতারা শুনে বললেন, ধন্য সেই জাতি, যাদের উপর এটা নাযিল হবে, ধন্য সেই পেট যে সেটা ধারণ করবে এবং ধন্য সেই মুখ যে সেটা উচ্চারণ করবে (দারেমী, হা/৩৪১৪; মিশকাত, হা/২১৪৮; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/২০৪৫, ৫/১৮ পৃ.)। বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : তাওহীদ কাকে বলে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : কারো স্বামী মারা গেলে তাকে গয়না খুলে রাখতে হয়, রঙিন কাপড় বাদ দিয়ে সাদা কাপড় পড়তে হয়। এ ব্যাপারে ইসলামের দিক-নির্দেশনা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : নানীর আপন ভাইয়ের মেয়ে মাহরাম, না-কি গায়রে মাহরাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) :  জনৈক আলেম বলেছেন, মুমিনরা সবাই আল্লাহর ওলী। কিন্তু অন্যজন বলেছেন, কারা আল্লাহর ওলী তা আমরা কেউই জানি না। এ বিষয়ে সঠিক সমাধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ