শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
উত্তর : তাদের উক্ত দাবী সঠিক নয়। কারণ আল্লাহ যেমন কুরআনকে হেফাযত করেন, তেমনি সুন্নাহকেও হেফাযত করেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُوْنَ ‘আমরা যিকর নাযিল করেছি এবং আমরাই এর হেফাযতকারী’ (সূরা আল-হিজর : ৯)। এখানে ‘যিকর’ শব্দটি কুরআন ও সুন্নাহ উভয়কে শামিল করে। কেননা আল্লাহ তা‘আলা নিজেই যিকর দ্বারা সুন্নাহকেও বুঝিয়েছেন। তাছাড়া হাদীছ বা সুন্নাহ হচ্ছে শরী‘আতের মূল উৎসের অন্যতম, যা কুরআনের ব্যাখ্যা। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন,  وَأَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الذِّكْرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيْهِمْ وَلَعَلَّهُمْ يَتَفَكَّرُوْنَ  ‘আর আমরা আপনার প্রতি ‘যিকর’ নাযিল করেছি মানুষকে ব্যাখ্যা করে দেয়ার জন্য, যা তাদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে (সূরা আন-নাহল : ৪৪)।  

তাই হাদীছও আল্লাহর অহী, যা নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেন,  وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَى- إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْيٌ يُوحَى  ‘রাসূল নিজ হতে কিছুই বলেন না। কেবল সেটাই বলেন, যা তার নিকট অহী করা হয়’ (সূরা আন-নাজম : ৩-৪)। রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমাকে কুরআন ও অনুরূপ একটি কিতাব দেয়া হয়েছে (আবূ দাঊদ, হা/৪৬০৪, সনদ ছহীহ; মিশকাত, হা/১৬৩, সনদ ছহীহ)। পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সমস্ত মুসলিমের ইজমা হয়েছে এ মর্মে যে, সুন্নাহ তথা হাদীছ দ্বীনের হুযযাত বা শরী‘আতের দলীল। শুধু তাই নয় কুরআনের সংরক্ষণ নির্ভরশীল সুন্নাহর সংরক্ষণের ওপর। কারণ সুন্নাহ কুরআনের ব্যাখ্যাদাতা ও স্পষ্টকারী (ফাতাওয়া আশ-শাবাকাতিল ইসলামিয়াহ, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ৮৪৮১)।


প্রশ্নকারী : আব্দুর রহীম, উত্তরা, ঢাকা।




প্রশ্ন (২৩) : অনেক মসজিদে ফজরের ছালাতের পর সূরা হাশরের শেষের তিন আয়াত সম্মিলিতভাবে তেলাওয়াত করা হয়। আর ফযীলত হিসাবে বলা হয় যে, ফজর এবং মাগরিবের ছালাতের পর যে ব্যক্তি সুরা হাশরের শেষ তিন আয়াত তেলোয়াত করবে, ৭০ হাজার ফেরেশতা সারাদিন ও সারারাত তার জন্য দু‘আ করতে থাকবে। উক্ত বর্ণনাটি কি বিশুদ্ধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : জনৈক ব্যক্তি জর্জ কোর্টে মুহুরীর সহযোগী হিসাবে কাজ করে। মজুরী হিসাবে টাকাও পায়। কিন্তু যার সহযোগী হিসাবে কাজ করে সে মানুষের কাছ থেকে মিথ্যা/প্রতারণা করে টাকা নেয় এবং বিভিন্ন সময় তাকেও মিথ্যা কথা বলতে হয়। এ ধরনের চাকরী করা বৈধ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : আমার পরিবার আমার বোনের বিয়ের সময় যৌতুকে রাজি হয় এবং বিয়ে দেয়। এখন তারা যদি তা পরিশোধ না করে মারা যায়, তাহলে কি আমি সেগুলো পরিশোধ করতে পারব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : বদ নযর কি সত্য? আর যদি বদ নযর লেগেই যায়, তাহলে তা থেকে পরিত্রাণের উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : অনেক বক্তা বলেন, জুমু‘আর দিনটি গরীবের হজ্জ। এই দাবী কি সত্য? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : ব্যাংকে চাকরীর পর প্রাপ্ত পেনশনের টাকায় ব্যবসা করলে উপার্জন হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জনৈক ব্যক্তির একটি স্কুল আছে, সেখানে ছাত্র-ছাত্রীর জন্য নির্দিষ্ট একটি প্রকাশনীর বই নির্বাচন করায় প্রকাশনী হতে কিছু টাকা দেয়। উক্ত টাকা নেয়া জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : পড়ার জন্য আমার সংগ্রহে অনেক বইয়ের পিডিএফ আছে। আমি জানি না যে, প্রকাশনী বা লেখক থেকে এগুলোর অনুমোদন আছে কি নেই। যদি না থাকে তাহলে সেগুলো পড়া বা সংগ্রহে রাখা কি গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : পৃথিবীতে যা কিছু আছে আল্লাহর কাছে মাছির ডানা সমতুল্য নয়, তাহলে আল্লাহর  শাস্তি এত কঠোর কেন? মাথায় এমন প্রশ্ন আসলে কি ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : হানাফী মাযহাবের আলেমরা বলে থাকেন যে, একটি মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হলে সে নিজে নিজে বিবাহ করতে পারবে। অভিভাবকের অনুমতির প্রয়োজন নেই। তারা দলীল হিসাবে পেশ করে নিম্নের হাদীছটি। একদা রাসূল (ﷺ)-এর কাছে এসে এক মেয়ে বলল, আমাকে বিয়ে করুন। রাসূল (ﷺ) বললেন, আমার প্রয়োজন নেই। তখন এক ছাহাবী দাঁড়িয়ে বলেন, আপনার প্রয়োজন না হলে আমার প্রয়োজন আছে। তখন রাসূল (ﷺ) তাদেরকে বিবাহ করিয়ে দেন (বুখারী, হা/২৩১০; মুসলিম, হা/১৪২৫)।। তাদের দাবী কি সঠিক? কোন মেয়ে অভিভাবক ছাড়া বিয়ে করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : মৃতের গোসল করানোর ছহীহ পদ্ধতি কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : হজ্জের সফরে গিয়ে একাধিক ওমরা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ