রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
উত্তর : জাহান্নামের সাতটি স্তর রয়েছে, যা একটির পর একটি স্থাপিত। প্রত্যেক জাহান্নামীর জন্য তার নিজ নিজ অপরাধ অনুযায়ী নির্দিষ্ট স্তর বণ্টন করা আছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

وَ اِنَّ جَہَنَّمَ لَمَوۡعِدُہُمۡ اَجۡمَعِیۡنَ – لَہَا سَبۡعَۃُ اَبۡوَابٍ لِکُلِّ بَابٍ مِّنۡہُمۡ جُزۡءٌ مَّقۡسُوۡم

‘নিশ্চয় জাহান্নাম তাদের (ইবলীসের অনুসারী) সকলেরই প্রতিশ্রুত স্থান। যার সাতটি দরজা আছে, প্রত্যেক দরজার জন্য পৃথক পৃথক শ্রেণী আছে’ (সূরা আল-হিজর : ৪৩-৪৪)। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, اَبۡوَابٌ শব্দের অর্থ স্তরসমূহ, একটির পর একটি স্তর। ছা‘আলাবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, একটিকে আরেকটির উপর স্থাপন করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতকে যমীনের উপর স্থাপন করেছেন। আর জাহান্নামকে একটির পর একটি স্তরভিত্তিক স্থাপন করেছেন। যেমন সবার উপরে জাহান্নাম, তার নীচে হুত্বামা, তার নীচে সাক্বার, তার নীচে জাহীম, তার নীচে লাযা, তার নীচে সাঈর এবং তার নীচে হাবিয়া। এর প্রত্যেক স্তর প্রজ্জ্বলিত উত্তপ্ত আগুন দিয়ে তৈরি, যা সত্তর বছর ধরে জ্বালানো হয়েছে। মুফাস্সিরদের মতে, জাহান্নাম হল সর্বোচ্চ স্তর। আর এটা মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মতের পাপীদের জন্য নির্দিষ্ট। যাহ্হাক বলেন, জাহান্নামের সর্বোচ্চ স্তর উম্মতে মুহাম্মাদীর মধ্যে যারা নাফরমান তাদের জন্য, দ্বিতীয় স্তর খ্রিষ্টানদের, তৃতীয় স্তর ইহুদীদের, চতুর্থ স্তর ছায়েবদের (মূর্তিপূজকদের), পঞ্চম স্তর অগ্নি উপাসকদের, ষষ্ঠ স্তর মুশরিকদের, সপ্তম স্তর মুনাফিক্ব, ফেরাঊনের সম্প্রদায় এবং খাজাঞ্চিওয়ালাদের তথা মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর সাথে যারা কুফরী করেছে তাদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে (তাফসীরে কুরতুবী, ১০ তম খণ্ড, পৃ. ৩০, উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যা দ্র.)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল আযীয, রাজনগর, সাতক্ষীরা।




প্রশ্ন (৫) : নৌকা বাইচ খেলা তথা পানিতে নৌকা চালনার প্রতিযোগিতা পরিদর্শন বা তাতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) একবার দাবা খেলায় রত কিছু মানুষের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বললেন, এই মুর্তিগুলো কী, যাদের সামনে তোমরা বসে আছ? এগুলো স্পর্শ করার চেয়ে জলন্ত অঙ্গার নির্বাপিত হওয়া পর্যন্ত তাতে হাতে রেখে দেয়া ভাল (সুনানে কুবরা, বায়হাক্বী, ১০/২১২)। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে দাবা খেলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, সেটা ‘নারদ’ (নামক খেলা) থেকে নিকৃষ্ট (সুনানে কুবরা, বায়হাক্বী, ১০/২১২)। ইমাম আবু হানীফা (রাহিমাহুল্লাহ)-এর ছাত্র ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু হাসান (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন, ‘দাবা খেলা, পাশা খেলা এবং এ জাতীয় খেলাগুলোতে কোন কল্যাণ নেই’। উপরিউক্ত দলীলের আলোকে লুডু, তাস, ক্যারাম ইত্যাদি খেলাকেও হারাম বলা হয়। প্রশ্ন হল, ছাহাবী বা তাবেঈ কি কোন জিনিস হারাম করতে পারেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : টাকার নিছাব দুইভাবে হিসাব করা হয়। স্বর্ণ ও রৌপ্যের হিসাবে। কিন্তু বর্তমানে স্বর্ণ ও রৌপ্যের মূল্যে বিস্তর ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়। এমতাবস্থায় কোন্ হিসাবে যাকাত দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়ার উদ্দেশ্যে মুহরিম ব্যক্তির জন্য গোসল করা কি জায়েয? মুহরিমের জন্য ইহরামের কাপড় পরিবর্তন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : কেউ যদি ছালাত ছেড়ে ছেড়ে পড়ে যেমন আছর পড়লে মাগরিব পড়ে না, এশার পড়লে ফজর পড়ে না। এমন ব্যক্তিও কি কাফের হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : বিবাহের পূর্বে বাগদানের আংটি পড়ানোর বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : মহিলার দেহ থেকে লোম তুলে ফেলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : এশার ছালাত নির্দিষ্ট ওয়াক্তে না পড়ে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পড়া কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : যদি কেউ প্রকাশ্যে শিরক ও কুফরী করে এবং পর্দা করাকে জীবন্ত মূর্তি বলে তাচ্ছিল্য করে, তাহলে তার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : সুন্নাতকে অস্বীকার করলে পরিণাম কী হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ওয়াক্বফ্ করা সম্পত্তি ফিরিয়ে নেয়া যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : কুরআন খতমের পর নিম্নের দু‘আ পড়ার কোন ছহীহ দলীল আছে কি? اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي بالقُرْءَانِ وَاجْعَلهُ لِي إِمَاماً وَنُوراً وَهُدًى وَرَحْمَةً اللَّهُمَّ ذَكِّرْنِي مِنْهُ مَانَسِيتُ وَعَلِّمْنِي مِنْهُ مَاجَهِلْتُ وَارْزُقْنِي تِلاَوَتَهُ آنَاءَ اللَّيْلِ وَأَطْرَافَ النَّهَارِ وَاجْعَلْهُ لِي حُجَّةً يَارَبَّ العَالَمِينَ - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ