রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন
উত্তর : জাহান্নামের সাতটি স্তর রয়েছে, যা একটির পর একটি স্থাপিত। প্রত্যেক জাহান্নামীর জন্য তার নিজ নিজ অপরাধ অনুযায়ী নির্দিষ্ট স্তর বণ্টন করা আছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

وَ اِنَّ جَہَنَّمَ لَمَوۡعِدُہُمۡ اَجۡمَعِیۡنَ – لَہَا سَبۡعَۃُ اَبۡوَابٍ لِکُلِّ بَابٍ مِّنۡہُمۡ جُزۡءٌ مَّقۡسُوۡم

‘নিশ্চয় জাহান্নাম তাদের (ইবলীসের অনুসারী) সকলেরই প্রতিশ্রুত স্থান। যার সাতটি দরজা আছে, প্রত্যেক দরজার জন্য পৃথক পৃথক শ্রেণী আছে’ (সূরা আল-হিজর : ৪৩-৪৪)। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, اَبۡوَابٌ শব্দের অর্থ স্তরসমূহ, একটির পর একটি স্তর। ছা‘আলাবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, একটিকে আরেকটির উপর স্থাপন করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা জান্নাতকে যমীনের উপর স্থাপন করেছেন। আর জাহান্নামকে একটির পর একটি স্তরভিত্তিক স্থাপন করেছেন। যেমন সবার উপরে জাহান্নাম, তার নীচে হুত্বামা, তার নীচে সাক্বার, তার নীচে জাহীম, তার নীচে লাযা, তার নীচে সাঈর এবং তার নীচে হাবিয়া। এর প্রত্যেক স্তর প্রজ্জ্বলিত উত্তপ্ত আগুন দিয়ে তৈরি, যা সত্তর বছর ধরে জ্বালানো হয়েছে। মুফাস্সিরদের মতে, জাহান্নাম হল সর্বোচ্চ স্তর। আর এটা মুহাম্মাদ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উম্মতের পাপীদের জন্য নির্দিষ্ট। যাহ্হাক বলেন, জাহান্নামের সর্বোচ্চ স্তর উম্মতে মুহাম্মাদীর মধ্যে যারা নাফরমান তাদের জন্য, দ্বিতীয় স্তর খ্রিষ্টানদের, তৃতীয় স্তর ইহুদীদের, চতুর্থ স্তর ছায়েবদের (মূর্তিপূজকদের), পঞ্চম স্তর অগ্নি উপাসকদের, ষষ্ঠ স্তর মুশরিকদের, সপ্তম স্তর মুনাফিক্ব, ফেরাঊনের সম্প্রদায় এবং খাজাঞ্চিওয়ালাদের তথা মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর সাথে যারা কুফরী করেছে তাদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে (তাফসীরে কুরতুবী, ১০ তম খণ্ড, পৃ. ৩০, উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যা দ্র.)।


প্রশ্নকারী : আব্দুল আযীয, রাজনগর, সাতক্ষীরা।




প্রশ্ন (১৬) : কখন রসিকতা করা জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : কখন ফজর ছালাত আদায় করতে হবে এবং এর সঠিক সময় কোন্টি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, ছেলে-মেয়ে ও নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য বগলের লোম তুলে ফেলতে হবে, ব্লেড ব্যবহার করা যাবে না। এই দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : হজ্জ মানুষের পাপকে ধুয়ে দেয়, যেভাবে পানি ময়লাকে ধুয়ে দেয়। এই হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : জেহরী ছালাতে ইমাম আমীন বলতে ভুলে গেলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে না বললে মুক্তাদীগণের আমীন বলতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং -এর কাজ করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কারো নাম কি মাছুমা বিলকীস কিংবা শুধু মাছুমা রাখা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : ‘যে ব্যক্তি কোন হাজীকে চল্লিশ কদম এগিয়ে দিবে, অতঃপর আলিঙ্গন  করে তাকে বিদায় করবে, উভয়ে পৃথক হওয়ার পূর্বেই আল্লাহ তার গোনাহ মাফ করে দিবেন’ বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : কোন মুসলিম ব্যক্তি যদি বলেন, মুসলিমরা খুব খারাপ। এর চেয়ে হিন্দু, খ্রিস্টানরা ভালো। মুসলিমরা অসাধু এবং আরো অনেক নিন্দাসূচক মন্তব্য। তাহলে কী ঐ ব্যক্তি ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : ঈমানদার জিনরা কি ঈমানদার মানুষের সাথে বিবাহ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : খিযির (আলাইহিস সালাম) কি নবী ছিলেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : দীর্ঘ ৪/৫ বছর ধরে দুই বোনের মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই। কারণ এক বোনের ছেলেরা তার মাকে তাদের খালার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে তারা আবার সম্পর্ক রাখতে চায়। কিন্তু সমস্যা হল- অন্য বোনের মেয়েরা তার মাকে বলছে যে, খালা তার ছেলেদের কথায় আমাদের সাথে সম্পর্ক রাখেননি এখন তুমিও খালার সাথে সম্পর্ক রাখবে না। কিন্তু তিনি তার বোনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাচ্ছেন না। তখন তার মেয়েরা বলছে, হয় খালার সাথে সম্পর্ক রাখতে হবে, না হয় মেয়েদের সাথে। এই বলে মেয়েরা মায়ের উপর রাগ করে দীর্ঘদিন কথা বলে না। প্রশ্ন হল- মেয়েরা কী ধরনের গুনাহ করছে? এই ক্ষেত্রে মায়ের করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ