বুধবার, ২২ Jul ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
উত্তর : উক্ত বক্তব্যটি আল্লাহর বাণী দ্বারা প্রমাণিত। আল্লাহ বলেন,  مَاۤ  اَصَابَکَ مِنۡ حَسَنَۃٍ  فَمِنَ اللّٰہِ ۫ وَ مَاۤ اَصَابَکَ مِنۡ سَیِّئَۃٍ  فَمِنۡ نَّفۡسِکَ   ‘তোমার যে কল্যাণ হয়, তা আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়। আর যে অকল্যাণ হয়, তা তোমার নিজের আমলের কারণে হয়’ (সূরা আন-নিসা : ৭৯)। অর্থাৎ আল্লাহ সব সময় বান্দার মঙ্গল করেন। কিন্তু বান্দা ভুলক্রমে বা ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেই নিজের ক্ষতি করে থাকে। আল্লাহ তাতে বাধা দেন না বান্দার স্বাধীন ইচ্ছা শক্তিকে অব্যাহত রাখার জন্য। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,

وما أصابك من نعمة نصر و عافية ورزق من الله نعمة أنعم الله بها عليك، وما أصابك من سيئة: فقر وذل و خوف ومرض وغير ذلك، فن نفسك وذنوبك و خطاياك

‘সাহায্য, নিরাপত্তা ও রিযিকের যে নে‘মত তুমি পেয়ে থাক, তা আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার প্রতি এ বিশেষ অনুগ্রহ। আর অপমান, লাঞ্ছনা, ভীতি ও অসুস্থতাসহ যেসব বিপদের সম্মুাখীন তুমি হয়ে থাক, তা তোমার পাপ ও গুনাহের কারণে হয়ে থাকে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ ফাতাওয়া, ৮ খণ্ড, পৃ. ২৩৯)।

তবে এটাও তাক্বদীর অনুযায়ী হয়ে থাকে, যা পূর্বেই নির্ধারিত ছিল। প্রকৃত ঈমানদারের জন্য ভাল-মন্দ উভয়টিই কল্যাণকর হয়ে থাকে। যেমন রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,

 عَجَبًا لِأَمْرِ الْمُؤْمِنِ، إِنَّ أَمْرَهُ كُلَّهُ خَيْرٌ، وَلَيْسَ ذَاكَ لِأَحَدٍ إِلَّا لِلْمُؤْمِنِ، إِنْ أَصَابَتْهُ سَرَّاءُ شَكَرَ، فَكَانَ خَيْرًا لَهُ، وَإِنْ أَصَابَتْهُ ضَرَّاءُ، صَبَرَ فَكَانَ خَيْرًا لَهُ

‘মুমিনের ব্যাপারটি কতই না বিস্ময়কর! তার সব কাজই তার জন্য কল্যাণকর, এটা মুমিন ছাড়া আর কারো জন্য হয় না। যদি তার কোন মঙ্গল স্পর্শ করে, সে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে। এটা তার জন্য কল্যাণকর। আর যখন তাকে কোন মন্দ  স্পর্শ করে, তখন সে ধৈর্য ধারণ করে। আর এটাও তার জন্য কল্যাণকর হয়’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৯৯৯; মিশকাত, হা/৫২৯৭)।

প্রশ্নকারী : সালমান, ফেনী।




প্রশ্ন (৩৭) : মাগরিবের পূর্বে দু’রাক‘আত সুন্নাত ছালাত আদায় করার দলীল জানতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : নেকির আশায় হাতের আঙ্গুলে গুণে গুণে দু‘আ ও যিকির করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কেউ যদি এমন পাপ করে যার কারণে ঐ ব্যক্তির শাস্তি সরাসরি হত্যা। এমন ব্যক্তির তওবার সুযোগ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যিলহজ্জ মাসে কয়দিন তাকবীর পাঠ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ক্বিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম কাকে বস্ত্র পরিধান করানো হবে? কেউ কেউ বলে যে, ‘বস্ত্র পরিধান করেই রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বিয়ামতের দিন উঠবেন’, একথা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : ত্বালাক্ব দেয়ার সময় স্ত্রীকে জানানো অথবা লিখিত দেয়া কি যরূরী? স্ত্রীকে না জানিয়ে ত্বালাক্ব দিলে সেই ত্বালাক কার্যকর হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : জনৈক আলেম ফৎওয়া দিয়েছেন যে, হানাফী এলাকাতে আছরের ছালাত শেষ ওয়াক্তে হওয়ায় এবং সেই এলাকায় আহলেহাদীছ মসজিদ না থাকলে বাড়িতে ছালাত আদায় করা যাবে। প্রশ্ন হল, এটা কি শরী‘আতসম্মত? আওয়াল ওয়াক্তে একাকী ফরয ছালাত পড়া উত্তম হবে, না-কি শেষ ওয়াক্ত হলেও জামা‘আতে ছালাত আদায় করা উত্তম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৭) : বর্তমানে ঈদের দিন গান-বাজনা এবং বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করা হয় কিংবা পরিবারের সদস্যগণ টিভি-সিনেমার পর্দায় নোংরা চলচ্চিত্র র্দশন করে সময় অতিবাহিত করে। এটি শরী‘আত সম্মত কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : জনৈক বক্তা বলেছেন, হজ্জ করার পূর্বে কোন অবস্থাতেই ওমরাহ পালন করা যাবে না? উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮): ঈদের স্বালাতের পূর্বেই কি যাকাতুল ফিতরের সমস্ত খাদ্যদ্রব্য বন্টন করতে হবে না-কি ঈদের পরেও করা যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : ভয়াবহতা না জেনেই আমি ভুলক্রমে সমকামিতায় লিপ্ত হয়েছি। এখন আমার মনে হয় যে,  আমি আত্মহত্যা করি। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : হজ্জ ও ওমরাতে যাওয়া উপলক্ষে সমস্ত আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামের মানুষকে দাওয়াত দিয়ে ব্যাপক আকারে খাবার অনুষ্ঠান করা ও তাতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ