উত্তর : দেয়া যাবে। কেননা আমরা মসজিদের নিযুক্ত ইমামকে সম্মানী দিয়ে থাকি, আর সেটা মসজিদের ক্যাশ থেকে দেয়া হয়। আর মসজিদের ক্যাশ মুছল্লীদের দানকৃত টাকা থেকে। অতএব এটা কোন শরী‘আত বিরোধী কিছু নয়। বরং এটাই শরী‘আত সম্মত। তাছাড়া ইমামের সম্মানী কিভাবে দেয়া হবে কোন সম্পদ থেকে!? এখানে আরেকটি বিষয় যে, যত টাকা আদায় হয় সম্পূর্ণটাই দিয়ে দেয়া হয় যদি কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নেন যে, জুম‘আ ও ঈদের দিন যত টাকা উঠবে পুরোটাই দিয়ে দেয়া হবে তাহলে কোন সমস্যা নেই। পক্ষান্তরে যদি ইমাম কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ছাড়াই তাদের না জানিয়ে নিয়ে নেন তাহলে সেটা ঠিক হবে না।
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ الصُّلْحُ جَائِزٌ بَيْنَ الْمُسْلِمِيْنَ زَادَ أَحْمَدُ، إِلَّا صُلْحًا أَحَلَّ حَرَامًا، أَوْ حَرَّمَ حَلَالًا وَزَادَ سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، وَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ الْمُسْلِمُوْنَ عَلَى شُرُوْطِهِمْ
আবূ হুরাইরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, মুসলিম সমাজে পরস্পরের মধ্যে সন্ধি স্থাপন বৈধ। ইমাম আহমাদের বর্ণানয় রয়েছে, তবে এমন সন্ধি বৈধ নয় যা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করে। সুলাইমান ইবনু দাঊদের বর্ণনায় রয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ‘মুসলিমরা নিজেদের (চুক্তিপত্রের) শর্তসমূহ পালন করতে বাধ্য’ (আবূ দাঊদ, হা/৩৫৯৪, সনদ হাসান ছহীহ)।
প্রশ্নকারী : আবু সাঈদ ছাকিব, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।