মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫২ অপরাহ্ন
উত্তর : কোন সমস্যা হবে না। কারণ রাসূল (ﷺ)-এর দেয়া একজন প্রিয় ছাহাবীর উপনাম। প্রথমে আমাদের বুঝতে হবে, ‘আবূ হুরায়রা’ নামটি কোন ব্যক্তির আসল নাম নয়, বরং এটি একটি ‘কুনিয়াত’  বা উপনাম। আরবী সংস্কৃতিতে ‘কুনিয়াত’ হল সেই নাম, যা সম্মান, স্নেহ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য ‘আবূ’ (পিতা) বা ‘উম্মু’ (মাতা) শব্দ দিয়ে শুরু হয়। ইসলামের সবচেয়ে বেশি হাদীছ বর্ণনাকারী এই মহান ছাহাবীর আসল নাম ছিল আব্দুর রহমান ইবনে সাখর আদ-দাওসী। একটি বিড়ালছানাকে অত্যন্ত ভালোবাসার কারণে এবং সর্বদা সাথে রাখার জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) স্নেহ করে তাঁকে এই উপনামে ডেকেছিলেন। ছাহাবীর এই উপনামটি যেহেতু নিন্দনীয় কোন অর্থ বহন করে না, বরং রাসূল (ﷺ) কর্তৃক প্রদত্ত এবং ইসলামের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সম্মানের প্রতীক, তাই এই নামে নাম বা উপনাম রাখলে শরী‘আতের দৃষ্টিতে কোন সমস্যা নেই, বরং তা জায়েয। এই বিষয়ে, বিশেষত কুনিয়াতকে আসল নাম হিসাবে ব্যবহার করার প্রসঙ্গে শাইখ মুহাম্মদ ইবনে ছালেহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বক্তব্যটি বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য:

الألقاب التي لا تُذم لا بأس أن يُسمى الإنسان بها، ولكن أن يجعلها اسماً، أي: يُنادَى به بقطع النظر عن الاسم الأصلي فهذا هو محل النظر، وإن كان الأحسن أن يُسَمَّى باسمه الأصلي كـ عبد الرحمن، ثم يُكنَّى بعد ذلك بأبي هريرة أو غيره

‘যে উপাধি বা কুনিয়াতগুলো নিন্দনীয় নয়, সেগুলোতে মানুষের নাম রাখলে কোন অসুবিধা নেই। তবে যদি এটিকে আসল নাম হিসাবে ব্যবহার করা হয়, যাতে আসল নাম থেকে দৃষ্টি সরিয়ে শুধু এটি দিয়েই ডাকা হয়, তবে এটি চিন্তার বিষয়। বরং উত্তম হলো: আসল নাম রাখা (যেমন: আব্দুর রহমান), অতঃপর তাকে ‘আবূ হুরায়রা’ বা অন্য কোন নামে কুনিয়াত দেয়া’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসায়েল আল-উছাইমীন, ১০/৯৩ পৃ.)। অতএব, আবূ হুরায়রা কারো নাম হিসাবে রাখলে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে ছাহাবীর মত মূল নামের পাশাপাশি উপনাম হিসাবে ব্যবহার করাই হলো শ্রেষ্ঠ ও উত্তম পন্থা।


প্রশ্নকারী : সেলিম রানা, ডেমরা, ঢাকা।





প্রশ্ন (৩০) : আল-কুরআনের মুহকাম ও মুতাশাবিহ আয়াত বলতে কী বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : আরাফার ময়দানে অনেক হাজীকে নিম্নের দু‘আটি পড়তে দেখা যায়। এই দু‘আটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : একজন সদ্য ইসলাম গ্রহণ করেছে। তিনি কি তার পিতার সম্পদের ওয়ারিছ হতে পারবে? অসহায় হলে তিনি কি তার ভাইদের কাছে চাইতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : জনৈক ব্যক্তি রাগ করে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী তিন ত্বালাক্ব দেয় এবং ৯০ দিন পর সিটিকর্পোরেশন থেকে সার্টিফিকেট নেয়। তাদের দাম্পত্য জীবন ১১ বছরের এবং ১০ বছরের একটি ছেলে সন্তানও আছে। তবে ত্বালাক্ব দেয়ার সময় সে এক ত্বালাক্ব দিয়েছে। এমতাবস্থায় স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার কোন সুযোগ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : কোন অসুস্থ ব্যক্তি দু‘আ চাইলে শুক্রবারে জুমু‘আর ছালাতের পর সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ৮০ থেকে ৯০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সী মহিলার স্বামী মারা গেলে, তার জন্য কী কী করণীয়? এ সময় কি তাকে সুসজ্জিত হওয়া ও অলংকার পরিধান করা থেকে বিরত থাকতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : মসজিদের দেওয়ালে কুরআনের বা হাদীছ লেখে রাখা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : আমার দুই সন্তান আছে। আমরা তাদের নিয়ে একটা সুখী পরিবার। এখন আমরা আর সন্তান নিতে চাই না। উল্লেখ্য, দরিদ্র্য হওয়ার ভয়ে নয়। এই দু’জনকে আমরা আমাদের সর্বোচ্চ শ্রম এবং সময় দিয়ে যোগ্য দ্বীনদার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এই চিন্তায় কি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : আমার আশেপাশে কোন আহলেহাদীছ মসজিদ নেই। এমতাবস্থায় বিদ‘আতী মসজিদে জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করব, না-কি একাকী আদায় করব? বিশেষ করে তারা আছর ও ফজরের ছালাত অনেক দেরি করে পড়ে। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : একজন ব্যক্তি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে মাযারে/খানকায়/কবরে ফুল দেয়া শিরক জেনেও যদি এরকম অপরাধ বার বার করেই চলে, তাহলে সে কি ক্ষমা পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : আমি সুন্নাত ছালাত বাসায় আদায় করে মসজিদে গিয়ে ফরয আদায় করি। মসজিদে পৌঁছানোর পর যদি দেখি জামা‘আত শুরু হতে ৪/৫ মিনিট বাকি আছে, তাহলে কি দু’রাক‘আত ছালাত পড়ে বসব, না-কি জামা‘আত শুরু অবধি দাঁড়িয়ে থাকব? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : আব্দুল্লাহ ইবনু শাকীক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘মানুষের হৃদয়ে আছে দু’টি কুঠরী, একটিতে থাকে ফেরেশতা, অপরটিতে থাকে শয়তান। মানুষ যখন আল্লাহর যিকিরে মগ্ন হয়, তখন শয়তান পিছনে সরে যায়। আর যখন মানুষ যিকির থেকে উদাসীন থাকে, তখন সে তার ঠোঁট দিয়ে হৃদয়ে ঠোকর মারতে থাকে। হৃদয়ে প্রক্ষেপ করে প্ররোচনা’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ