রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
উত্তর : কোন সমস্যা হবে না। কারণ রাসূল (ﷺ)-এর দেয়া একজন প্রিয় ছাহাবীর উপনাম। প্রথমে আমাদের বুঝতে হবে, ‘আবূ হুরায়রা’ নামটি কোন ব্যক্তির আসল নাম নয়, বরং এটি একটি ‘কুনিয়াত’  বা উপনাম। আরবী সংস্কৃতিতে ‘কুনিয়াত’ হল সেই নাম, যা সম্মান, স্নেহ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য ‘আবূ’ (পিতা) বা ‘উম্মু’ (মাতা) শব্দ দিয়ে শুরু হয়। ইসলামের সবচেয়ে বেশি হাদীছ বর্ণনাকারী এই মহান ছাহাবীর আসল নাম ছিল আব্দুর রহমান ইবনে সাখর আদ-দাওসী। একটি বিড়ালছানাকে অত্যন্ত ভালোবাসার কারণে এবং সর্বদা সাথে রাখার জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) স্নেহ করে তাঁকে এই উপনামে ডেকেছিলেন। ছাহাবীর এই উপনামটি যেহেতু নিন্দনীয় কোন অর্থ বহন করে না, বরং রাসূল (ﷺ) কর্তৃক প্রদত্ত এবং ইসলামের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সম্মানের প্রতীক, তাই এই নামে নাম বা উপনাম রাখলে শরী‘আতের দৃষ্টিতে কোন সমস্যা নেই, বরং তা জায়েয। এই বিষয়ে, বিশেষত কুনিয়াতকে আসল নাম হিসাবে ব্যবহার করার প্রসঙ্গে শাইখ মুহাম্মদ ইবনে ছালেহ আল-উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বক্তব্যটি বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য:

الألقاب التي لا تُذم لا بأس أن يُسمى الإنسان بها، ولكن أن يجعلها اسماً، أي: يُنادَى به بقطع النظر عن الاسم الأصلي فهذا هو محل النظر، وإن كان الأحسن أن يُسَمَّى باسمه الأصلي كـ عبد الرحمن، ثم يُكنَّى بعد ذلك بأبي هريرة أو غيره

‘যে উপাধি বা কুনিয়াতগুলো নিন্দনীয় নয়, সেগুলোতে মানুষের নাম রাখলে কোন অসুবিধা নেই। তবে যদি এটিকে আসল নাম হিসাবে ব্যবহার করা হয়, যাতে আসল নাম থেকে দৃষ্টি সরিয়ে শুধু এটি দিয়েই ডাকা হয়, তবে এটি চিন্তার বিষয়। বরং উত্তম হলো: আসল নাম রাখা (যেমন: আব্দুর রহমান), অতঃপর তাকে ‘আবূ হুরায়রা’ বা অন্য কোন নামে কুনিয়াত দেয়া’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসায়েল আল-উছাইমীন, ১০/৯৩ পৃ.)। অতএব, আবূ হুরায়রা কারো নাম হিসাবে রাখলে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে ছাহাবীর মত মূল নামের পাশাপাশি উপনাম হিসাবে ব্যবহার করাই হলো শ্রেষ্ঠ ও উত্তম পন্থা।


প্রশ্নকারী : সেলিম রানা, ডেমরা, ঢাকা।





প্রশ্ন (২৫) : ফজরের ওয়াক্ত পুরো সময় বায়ু বের হয় এমনকি মাঝে মধ্যে ওযূতেও বায়ু বের হয়। অন্য ওয়াক্তে মাঝে মাঝে এমনটি হয়। এখন উক্ত ব্যক্তি কি মা‘যূর? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : হায়েয অবস্থায় স্ত্রী তার মৃত স্বামীকে গোসল করাতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭): শপথকারী সৎ হলে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কি শপথ করা জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮): একজন তরুণী মহিলা ডাক্তার। যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের নিকট এমন বিষয় ব্যাখ্যা করেন, যার কারণে তিনি এমন কিছু নড়াচড়া করে থাকেন, যা ছাত্রদের সামনে করা উচিত নয়। প্রশ্ন হল- তার দিকে তাকানোর বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক খতীব ‘তাযকিরাতুল কুরআনে’র কথা উল্লেখ করে বলেন, আল্লাহ্র আরশে একটি দু‘আ লিখা আছে যার নাম ‘গঞ্জুল আরশ’। উক্ত দু‘আ চারজন ফেরেশতা পাঠ করার পর আল্লাহর আরশ বহন করতে সক্ষম হন। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : বক্তব্য বা কথা-বার্তা শেষ করার শারঈ পদ্ধতি কী? যেমন কারো সাথে মোবাইলে কথা বলার সময় সালাম দিয়ে শুরু করা হয়। কিন্তু শেষ করার সময় কী বলতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩): সেবামূলক হাসপাতালে অথবা শিশু ক্যান্সার হাসপাতালে যাকাতের অর্থ প্রদান করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : তাহাজ্জুদ বা তারাবীহর মত নফল ছালাতে কুরআন দেখে দেখে পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : লেনদেনের ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি যদি অসহায় দরিদ্র ব্যক্তিকে মাফ করে দেয় বা কিছু হালকা করে দেয়, তাহলে আল্লাহ তাকে এর বিনিময়ে জান্নাত দান করবেন। এমন কোন হাদীছ আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ওয়াইফাই লাইন যদি শেয়ারে নেয়া হয়। তন্মধ্যে কেউ ইন্টারনেটে হারাম কাজ করে এবং কেউ ভালো কাজ করে। এমতাবস্থায় খারাপ কাজের পাপের ভাগ কি সবাইকে নিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : কেউ মিথ্যা কথা বললে, ফেরেশতারা মিথ্যার দুর্গন্ধে ১ মাইল দূরে চলে যায়। এই বর্ণনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মসজিদে একই কাতারের বাম পাশ অপেক্ষা ডান পাশে বসা বা ছালাত আদায় করার মধ্যে বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ