শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
উত্তর : বাচ্চা প্রসবের পর মহিলারা নিফাস অবস্থায় থাকেন। ইসলামী শরী‘আতে নিফাস বলতে প্রসব-পরবর্তী রক্তপাতের সময়কে বোঝানো হয়। সাধারণত এই সময়ে (সর্বোচ্চ ৪০ দিন পর্যন্ত) মহিলারা ছালাত, ছিয়াম, কুরআন স্পর্শ করে তিলাওয়াত ইত্যাদি কিছু ইবাদত থেকে বিরত থাকেন। তবে আল্লাহর স্মরণ ও ইবাদত বন্ধ হয়ে যায় না। নিফাসের সময় যেসব ইবাদত বৈধ: (ক) যিকর ও তাসবীহ। সুবহানাল্লাহ, আল-হামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ, দরূদ পাঠ করা। এ যিকরগুলো নিয়মিত করলে নিফাসের সময়ও আল্লাহর সাথে সম্পর্ক বজায় থাকে। (খ) দু‘আ ও ইস্তিগফার। নিফাস অবস্থায় দু‘আ করা সম্পূর্ণ বৈধ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আমার বান্দারা যখন আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, আমি তো নিকটবর্তী’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৮৬)। (গ) কুরআন শোনা। নিফাস অবস্থায় কুরআন পড়া ও স্পর্শ করা নিষিদ্ধ, তবে কুরআন তিলাওয়াত শোনা সম্পূর্ণ বৈধ। ইমাম আল্লামা শাইখ ইবনু উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘নিফাস ও হায়েয অবস্থায় নারীর জন্য কুরআন শোনা বৈধ। বরং এতে সওয়াব রয়েছে’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল ইবন উছাইমীন, ১১/২৪৭ পৃ.)। (ঘ) ইসলামী বই-পুস্তক পড়া। কুরআনের আয়াত সরাসরি না পড়ে, কিন্তু অর্থ, তাফসীর বা ইসলামী বই পড়া বৈধ। যদি বইতে কুরআনের আয়াত থাকে, তবে কেবল আয়াতগুলো স্পর্শ না করে বাকি অংশ পড়া যেতে পারে। (ঙ) লেকচার, খুতবা ও হাদীছ শুনা। নিফাস সময়ে কুরআন তাফসীর, হাদীছ বা ইসলামী বক্তৃতা শুনে ইলম হাসিল করা বৈধ।

প্রশ্নকারী : ইকবাল, মুর্শিদাবাদ, ভারত।





প্রশ্ন (৫) : প্রতিবেশী যদি এমন ধরনের উম্মাদ পাগল ও মানসিক ভারসাম্যহীন হয় যে, যেকোন সময় গুরুতর বিপদ ঘটানোর আশঙ্কা থাকে। এমতাবস্থায় ইসলামের বিধান? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : ফের্কাবন্দীর পরিণতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : রামাযান উপলক্ষে এক টিভিতে বলা হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি সূরা কাহ্ফ পাঠ করবে ক্বিয়ামতের দিন তাকে এমন একটি নূর দেয়া হবে, যা তার অবস্থান থেকে মক্কা পর্যন্ত আলোকিত করবে’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : জনৈক বক্তা বলেন, যে বান্দা রামাযানের ছিয়াম পালন করে তার সাথে প্রত্যেক দিন তাঁবুতে সুরক্ষিত হুরদের মধ্য হতে একজনকে বিবাহ দিয়ে দেন। প্রত্যেক স্ত্রীর সাথে ৭০টি দামী কাপড় থাকবে। প্রত্যেকটির রং হবে পৃথক পৃথক। তাকে ৭০ প্রকারের সুগন্ধিযুক্ত রং দেয়া হবে। এক রঙের সাথে অন্য রঙ মিলবে না। প্রত্যেকেই বসে থাকবে হীরার খাটে, যাতে মুক্তা দ্বারা বিন্যস্ত করা থাকবে ৭০টি বিছানা, যার আস্তর থাকবে রেশমের। ৭০টি বিছানার উপর থাকবে ৭০টি পালঙ্ক। প্রত্যের স্ত্রীর জন্য থাকবে ৭০ জন্য সেবিকা, যারা তার সেবা করবে। আর ৭০ জন সেবিকা থাকবে তার সাথে মুলাক্বাতের জন্য। আর প্রত্যেক সহচরের সাথে থাকবে অনেক সম্ভ্রান্ত সাথী। জান্নাতে স্বর্ণের পাত্র থাকবে তাতে বিভিন্ন রঙের খাবার থাকবে। প্রথম যে স্বাদ পাওয়া যাবে শেষেও সে স্বাদ পাওয়া যাবে। আর তার স্বামীকেও অনুরূপ লাল হীরার খাট দেয়া হবে, যার উপর দু’টি স্বর্ণের বালা থাকবে, যা বিন্যস্ত থাকবে লাল হীরা দ্বারা। এটা রামাযানের প্রত্যেক দিন ছিয়াম পালনকারীর জন্য, অন্য নেক আমলের জন্য নয় (ত্বাবারাণী, আল-মু‘জামুল কাবীর হা/৯৬৭)। উক্ত বর্ণনা কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : ছালাতের সময় নারীদের পায়ের পাতা ঢেকে রাখা ওয়াজিব কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : মৃত ব্যক্তির নামে খাওয়ানো, চার দিন পর দু‘আ অনুষ্ঠান, চল্লিশা উৎযাপন, মৃত্যু বার্ষিকী উৎযাপন ইত্যাদির মাধ্যমে কি মৃত ব্যক্তি শাস্তিপ্রাপ্ত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : আবূ দাঊদের ৬৬৬ নং হাদীছ দেখিয়ে জনৈক ব্যক্তি বলেন, যে জামা‘আতে পায়ে পা কাঁধে কাঁধ মিলানো হয় না, সে জামা‘আতে ছালাত পড়া যাবে না। এছাড়াও তিনি বলেন কাতার না মিলালে নাকি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যা কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : যে ব্যক্তি প্রত্যেক রাতে সূরা ওয়াক্বি‘আহ পড়বে, সে কখনো অভাবের মধ্যে পড়বে না। ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে উক্ত সূরা পড়তে বলতেন (বায়হাক্বী হা/২৪৯৮; মিশকাত হা/২১৮১; ফাযায়েলে আমল, পৃঃ ২৭৫)। উক্ত বর্ণনা সনদ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : রুকূতে বা সিজদাতে দু‘আ মুখে উচ্চারণ করে পড়তে হবে, না-কি মনে মনে পড়লেও হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ইসলামী জালসা ও মাহফিলের শেষে আখেরী মুনাজাত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : মসজিদের সামনে কবর আছে এবং কবর ও মসজিদের মাঝে কোন প্রাচীর নেই। এখন করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : অনেক মহিলারা ডান হাতের নখ রাখে। কারণ তারা তা না রাখলে নাকি কাজ করতে পারে না। এখন কেউ যদি বড় নখ রাখে তাহলে তার পাপ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ