উত্তর : যারা পথভ্রষ্ট তারাই এ ধরনের কথা বলে থাকে। বরং যারা ছিরাতে মুস্তাক্বীব বা জান্নাতের রাস্তা সন্ধান করতে গিয়ে শিরক ও বিদ‘আত সংমিশ্রিত মাযহাব ত্যাগ করে সালাফী আক্বীদা গ্রহণ করে, তারা মুশরিক ও বিদ‘আতী হওয়া থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে নেন এবং জান্নাতের পথ খুঁজে পান। কারণ বিশুদ্ধ আক্বীদ ইসলামের মৌলিক ভিত্তি। যদি কেউ মাযারপূজা, কবরপূজা, পীরপূজা ও কুফ্রী আক্বীদার সাথে জড়িত থাকে, সে ইসলাম থেকেই দূরে আছে। এ ধরনের ব্যক্তি ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত। মুসলিম ব্যক্তির আমল ক্ববুল হওয়ার জন্য শর্ত হল-
(১) ইখলাছ বা বিশুদ্ধ নিয়ত: শারঈ দলীল এবং সালাফে ছালিহীনের মন্তব্যের ভিত্তিতে এটিই প্রমাণিত হয় যে, মুসলিম ব্যক্তির আমল ক্ববুল হওয়ার জন্য শর্ত হল ইখলাছ উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, إِنَّمَا الأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ، ‘নিশ্চয় কাজের (প্রাপ্য হবে) নিয়ত অনুযায়ী। আর মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী প্রতিফল পাবে’ (ছহীহ বুখারী, হা/০১, ৫৪, ২৫২৯,; ছহীহ মুসলিম, হা/১৯০৭)।
(২) সুন্নাতের অনুগত্য: সুতরাং সুন্নাতের অনুগত্য থেকে বিমুখ হয়ে বিদ‘আতী পন্থায় কোন আমল করলে তা ক্ববুল হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয় (মাওক্বিফু আহলিস সুন্নাহ মিন আহলিল আহওয়া ওয়াল বিদা‘, ১/২৯২-২৯৩; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১০৭২৮৬)।
নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, রাসূল (ﷺ) মানুষদেরকে নির্দিষ্ট কোন মাযহাবের অনুসরণ করতে বলেননি। বরং তিনি তাঁর আনুগত্য করা আবশ্যক করে দিয়েছেন। কারণ রাসূল (ﷺ) যা নিয়ে এসেছেন, হাক্ব তারই মধ্যে সীমাবদ্ধ।
প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ, ঢাকা।