শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:০২ অপরাহ্ন
উত্তর : একজন পুরুষ কামনা-বাসনা সহকারে অন্য পুরুষের দিকে তাকানো হারাম। এটি অশুভ ও ফিতনার সূচনা এবং এর নিকৃষ্টতা বুদ্ধিবৃত্তিক, স্বতঃসিদ্ধ ও শারঈ দিক থেকে সুস্পষ্ট। শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁর ‘মাজমূঊল ফাতাওয়া’ গ্রন্থে বলেছেন, ‘কামনার সাথে সুন্দর যুবকের দিকে তাকানো আত্মীয় নারী বা অপরিচিত নারীর দিকে কামনার সাথে তাকানোর মত। এটি সঙ্গমের কামনা হোক বা শুধু দর্শনের তৃপ্তি হোক, যেমন অপরিচিত নারীর দিকে তাকিয়ে তৃপ্তি লাভ করা। প্রত্যেকেরই জানা যে এটি হারাম। অনুরূপভাবে সকল ইমামের ঐকমত্যে যুবকের দিকে কামনার সাথে তাকানোও হারাম...।

আল্লাহ সুবহানাহু তা‘আলা তাঁর কিতাবে দৃষ্টি নত করার নির্দেশ দিয়েছেন (সূরা আন-নূর: ৩০-৩১)। যা মূলত দুই প্রকার। যথা : (১) غَضُّ البَصَر عَن العَوْرة ‘অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ (আওরাত) থেকে দৃষ্টি নত করা’ (২) وغَضُّهُ عَن مَحَلِّ الشَّهْوة কামনা-বাসনার স্থান থেকে দৃষ্টি নত করা’। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি সুন্দর কিশোর বা অনুরূপ কারো দিকে বারবার তাকায় এবং দীর্ঘক্ষণ তাকিয়ে থাকে, আর বলে, ‘আমি কামনার বশবর্তী হয়ে তাকাই না’ সে এ বিষয়ে মিথ্যাবাদী। কারণ, যদি তার তাকানোর জন্য কোন প্রয়োজনীয় কারণ না থাকে, তবে তার তাকানোর একমাত্র উদ্দেশ্য হল হৃদয়ে সেই দর্শন থেকে লাভ করা তৃপ্তি’। ইমাম নববী (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁর ‘আল-মাজমূঊ’ গ্রন্থে বলেছেন, ‘চেহারাসম্পন্ন সুদর্শন যুবকের সাথে হাত মেলানো থেকে সতর্ক থাকা উচিত। কারণ, প্রয়োজন ছাড়া তার দিকে তাকানো হারাম, এটিই সঠিক ও প্রমাণিত মত’ (ইসলাম ওয়েব: http://iswy.co/evh3t)।


প্রশ্নকারী : মেহেদী হাসান, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার।





প্রশ্ন (১২) : তাবলীগ জামা‘আতের চিল্লায় মুরুব্বীরা বলেন যে, ‘কোন ব্যক্তি যদি কুরআন পড়ে মানুষের নিকট খায়, তাহলে ক্বিয়ামতের দিন সে এমন অবস্থায় উপস্থিত হবে যে, তার চেহারায় হাড় থাকবে, কোন গোশত থাকবে না’। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : কিছু বক্তা বলছেন, অবুঝ বাচ্চাদের শরীরে তা‘বীয বেঁধে দেয়া যাবে। জনৈক ছাহাবী বাচ্চাদের তা‘বীয দিতেন। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জনৈক ব্যক্তির একটি স্কুল আছে, সেখানে ছাত্র-ছাত্রীর জন্য নির্দিষ্ট একটি প্রকাশনীর বই নির্বাচন করায় প্রকাশনী হতে কিছু টাকা দেয়। উক্ত টাকা নেয়া জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ফজরের পূর্বে দুই, যোহরের পূর্বে চার ও পরে দুই, মাগরিবের পরে দুই, এশার পরে দুই রাক‘আত দিনে রাতে মোট বার রাক‘আত ছালাতের ফযীলতের কথা আমরা জানি। আমার প্রশ্ন হল- কেউ যদি যোহরের আগের চার রাক‘আত ছালাত পরে আদায় করে তবে কি তিনি সেই ফযীলত পাবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোথায় কোথায় সম্মিলিত মুনাজাত করেছেন? বিস্তারিত জানতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : বিভিন্ন কাজে পত্রিকার কাগজ ব্যবহার করা হয়। যদি ঐ পত্রিকায় আল্লাহর নাম বা কুরআনের আয়াত বা হাদীছ থাকে, তাহলে ব্যবহার করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : বিবাহ করা ফরয, না-কি সুন্নাত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ছাদাক্বাহ করার ফযীলত বর্ণনায় বলা হয় যে, দান সম্পদকে হ্রাস করে না। আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমার মাধ্যমে বান্দার সম্মান বৃদ্ধি করেন এবং যে আল্লাহর জন্য বিনয় প্রকাশ করে আল্লাহ তাকে উন্নত করেন। এ বর্ণনাটি সঠিক! - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কিভাবে বুঝব যে, আমার মধ্যে অল্পেতুষ্টি গুণটি রয়েছে? আর যদি না থাকে তাহলে কিভাবে এই গুণ নিজের মধ্যে আনতে পারি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : জুমু‘আর দিনে ইমাম মিম্বারে বসেছেন এবং মুওয়াযযিন আযান দিচ্ছেন; এমতাবস্থায় কোন মুছল্লী মসজিদে প্রবেশ করলে তার করণীয় কি? সে দু’ রাকা‘আত ছালাত শুরু করবে নাকি আযানের জবাব দিবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : ‘যখন কোন সদাচরণকারী সন্তান যদি তার পিতা-মাতার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকায়, তখন আল্লাহ তা‘আলা তার প্রতিটি দৃষ্টির বিনিময়ে তার ‘আমলনামায় একটি ‘কবুল হজ্জ’ তথা কবুলযোগ্য হজ্জের ছওয়াব লিপিবদ্ধ করেন’। ছাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, যদি সে দৈনিক একশ’বার তাকায়? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহ মহান এবং অতি পবিত্র’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, হা/৭৪৭৫; মিশকাত হা/৪৯৪৪; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৪৭২৭)। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আছরের ছালাত ক্বাযা হলে মাগরিব ছালাতের সময় আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ