উত্তর : এটা জায়েয নয়। কারণ মুসলিমরা পরস্পরের সাথে সাক্ষাৎ করলে কিভাবে সালাম জানাবে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা রয়েছে। সেই সাথে কে কাকে সালাম দিবে এবং কখন, কিভাবে সালাম প্রদান করবে এ সম্পর্কিত সবিস্তার আদব বর্ণিত হয়েছে হাদীছের মধ্যে (ছহীহ বুখারী, হা/৬২৩১)। কেউ প্রথমে সালাম দিলে তার জবাব দিবে (আবূ দাঊদ হা/৫১৯৭; তিরমিযী, হা/২৬৯৪)। যখন দ্বিতীয় ব্যক্তি সালামের জবাব দিয়ে দেয়, তখন তার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় (ছহীহ বুখারী, হা/৬২২৯)। এরপর পাল্টা সালাম দেয়ার প্রমাণ পাওয়া যায় না। বরং এটা বিদ‘আত। এমন আমল অবশ্যই পরিত্যাজ্য। কেননা রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘কেউ আমাদের এই দ্বীনের অংশ নয় এমন কিছু উদ্ভাবন করলে বা অনুপ্রবেশ ঘটালে তা পরিত্যাজ্য-প্রত্যাখ্যাত। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘যে ব্যক্তি আমাদের ধর্মীয় কাজের মধ্যে এমন বিষয় উদ্ভাবন করে যা তাতে নেই (অর্থাৎ দলীলবিহীন) তা অগ্রহণযোগ্য’ (বুখারী, হা/২৬৯৭; মুসলিম, হা/১৭১৮; আহমাদ, হা/২৩৯২৯)। অন্যত্র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘যে কেউ দ্বীনের ব্যাপারে বিদ‘আত উদ্ভাবণ করে কিংবা কোন বিদ‘আতীকে আশ্রয় দিবে তার উপর আল্লাহ তা‘আলা, ফেরেশতাদের ও সকল মানুষের লা‘নত ও অভিসম্পাত। তার কোন ফরয কিংবা নফল ইবাদত গৃহীত হবে না’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৮৭০; আবূ দাঊদ, হা/২০৩৪)।
প্রশ্নকারী : আমজাদ, কমলনগর, লক্ষ্মীপুর।