বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
উত্তর : গীবত বা পরনিন্দা করা ইসলামে হারাম। আল্লাহ বলেন, وَ لَا یَغۡتَبۡ بَّعۡضُکُمۡ بَعۡضًا ؕ اَیُحِبُّ  اَحَدُکُمۡ  اَنۡ یَّاۡکُلَ  لَحۡمَ اَخِیۡہِ  مَیۡتًا فَکَرِہۡتُمُوۡہُ ‘তোমাদের কেউ কি চায় যে, সে তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাবে? অথচ তোমরা তো একে ঘৃণা করো! (সূরা আল-হুজুরাত: ১২)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘তুমি কি জান গীবত কী? ছাহাবীরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-ই ভালো জানেন। তিনি বললেন, তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছু বলা, যা সে অপসন্দ করে। লোকেরা বলল, যদি সত্যিই আমার ভাইয়ের মধ্যে সেই দোষ থাকে? তিনি বললেন, যদি তার মধ্যে সেই দোষ থাকে, তবে সেটাই গীবত। আর যদি তার মধ্যে না থাকে, তবে তা অপবাদ (বুহতান)’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৮৯)। যদি কেউ গীবত করে ফেলে, তাহলে তার করণীয় হলো:
১. খাঁটি অন্তরে তওবা করা। তওবা করার জন্য নিম্নোক্ত শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। যথা: (ক) অনুতপ্ত হওয়া বুঝতে হবে যে, এটি গুনাহ হয়েছে। (খ) ভবিষ্যতে আর গীবত না করার দৃঢ় সংকল্প করা।(গ) আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
২. যার গীবত করা হয়েছে, তার কাছে ক্ষমা চাওয়া (যদি সম্ভব হয়)। যদি আপনি তার কাছে গিয়ে সরাসরি ক্ষমা চাইতে পারেন, তাহলে সেটিই উত্তম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের (অধিকার) ওপর যুল্ম করেছে, সে যেন আজই তার কাছে ক্ষমা চায়, এমন সময় আসার আগে, যখন তার কাছে কোন দিরহাম-দীনার থাকবে না’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৪৪৯)। তবে সরাসরি বলার কারণে যদি সম্পর্কের ক্ষতি হয়, তাহলে সরাসরি না বলে, তার জন্য দু‘আ করা ও ভালো কথা বলা উত্তম।
৩. যদি তাকে না পাওয়া যায়, তাহলে তার জন্য দু‘আ করা, তার জন্য ইস্তিগফার বা আল্লাহর কাছে তার জন্য ক্ষমা চাওয়া, তাকে ভালোভাবে স্মরণ করা ও তার প্রশংসা করা, তার জন্য দান-ছাদাক্বাহ করা, যেন তার প্রতি করা অন্যায়ের কাফফারা হয়। ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যদি গীবত করা ব্যক্তি জীবিত থাকে কিন্তু তার কাছে যাওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং তার ভালো দিকগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরবে’ (রিয়াদুছ ছালিহীন)।


প্রশ্নকারী : জান্নাতুল ফেরদাঊস, পাবনা।





প্রশ্ন (২৫) : ছালাত আদায় না করার শাস্তি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০): সাহু সিজদার সঠিক পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : হাজারে আসওয়াদ পাথরের ইতিহাস সম্পর্কে জানাতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : নবী (ﷺ)-এর ছাহাবী দাহিয়া কালবী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) ইসলাম গ্রহণের পূর্বে তার নিজের মেয়েকে নিষ্ঠুরভাবে পর্বতে নিয়ে হত্যা করেছিল। এই বিষয়টি তিনি ইসলাম গ্রহণের পর নবী (ﷺ)-এর কাছে বর্ণনা করেন। উক্ত ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ‘যে উত্তমরূপে ওযূ করে ছওয়াবের উদ্দেশ্যে তার কোন মুসলিম ভাইকে দেখতে যাবে, তাকে জাহান্নাম হতে ষাট বছরের পথ দূরে রাখা হবে’। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : আযানের সময় মাথায় কাপড় দেয়ার কোন গুরুত্ব আছে কী? না দিলে পাপ হবে কি?  - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : মাওলানা আবু তাহের বর্ধমানী রচিত ‘কাট হুজ্জতির জওবাব’ বইয়ের ২৫ পৃষ্ঠায় একটি হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। যেমন আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, নবী করীম (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ক্বিয়ামতের দিন আহলেহাদীছগণ আমলনামাসহ উপস্থিত হবেন। তখন আল্লাহ বলবেন, তোমরা আহলেহাদীছ বেহেশতে প্রবেশ কর’ (ত্বাবারাণী, আল-ক্বাওলুল বাদী, পৃ. ১৮৯)। উক্ত হাদীছটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : সাতদিনের মধ্যে বাচ্চা মারা গেলে ‘আক্বীক্বা দিতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : কুনূতে নাযেলা নফল ছালাতে পড়া যাবে কি? এর নিয়মটা কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : মৃত্যুর প্রস্তুতি স্বরূপ কেউ কাফনের কাপড় কিনে রাখতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ﷺ) ছালাতে যখন সিজদাহ থেকে দাঁড়াতেন তখনও হস্ত উত্তোলন করতেন। এমনকি প্রত্যেক উঠা বসায় তিনি এরূপ করতেন। তার দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : আমি যেখানে চাকুরী করি সেখানে যোহরের জন্য ১০ মিনিটের বেশি সময় দেয় না। এজন্য আমি শুধু ফরয ছালাত আদায় করি। প্রশ্ন হল, এমতাবস্থায় পরে সময় পেলে সুন্নাত ছালাত আদায় করতে পারব কি? ছাহাবীগণ যোহর, মাগরিব ও এশার ছালাতের সুন্নাত কি বাড়ীতে আদায় করতেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ