রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
উত্তর : গীবত বা পরনিন্দা করা ইসলামে হারাম। আল্লাহ বলেন, وَ لَا یَغۡتَبۡ بَّعۡضُکُمۡ بَعۡضًا ؕ اَیُحِبُّ  اَحَدُکُمۡ  اَنۡ یَّاۡکُلَ  لَحۡمَ اَخِیۡہِ  مَیۡتًا فَکَرِہۡتُمُوۡہُ ‘তোমাদের কেউ কি চায় যে, সে তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাবে? অথচ তোমরা তো একে ঘৃণা করো! (সূরা আল-হুজুরাত: ১২)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘তুমি কি জান গীবত কী? ছাহাবীরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-ই ভালো জানেন। তিনি বললেন, তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছু বলা, যা সে অপসন্দ করে। লোকেরা বলল, যদি সত্যিই আমার ভাইয়ের মধ্যে সেই দোষ থাকে? তিনি বললেন, যদি তার মধ্যে সেই দোষ থাকে, তবে সেটাই গীবত। আর যদি তার মধ্যে না থাকে, তবে তা অপবাদ (বুহতান)’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৮৯)। যদি কেউ গীবত করে ফেলে, তাহলে তার করণীয় হলো:
১. খাঁটি অন্তরে তওবা করা। তওবা করার জন্য নিম্নোক্ত শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। যথা: (ক) অনুতপ্ত হওয়া বুঝতে হবে যে, এটি গুনাহ হয়েছে। (খ) ভবিষ্যতে আর গীবত না করার দৃঢ় সংকল্প করা।(গ) আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
২. যার গীবত করা হয়েছে, তার কাছে ক্ষমা চাওয়া (যদি সম্ভব হয়)। যদি আপনি তার কাছে গিয়ে সরাসরি ক্ষমা চাইতে পারেন, তাহলে সেটিই উত্তম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের (অধিকার) ওপর যুল্ম করেছে, সে যেন আজই তার কাছে ক্ষমা চায়, এমন সময় আসার আগে, যখন তার কাছে কোন দিরহাম-দীনার থাকবে না’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৪৪৯)। তবে সরাসরি বলার কারণে যদি সম্পর্কের ক্ষতি হয়, তাহলে সরাসরি না বলে, তার জন্য দু‘আ করা ও ভালো কথা বলা উত্তম।
৩. যদি তাকে না পাওয়া যায়, তাহলে তার জন্য দু‘আ করা, তার জন্য ইস্তিগফার বা আল্লাহর কাছে তার জন্য ক্ষমা চাওয়া, তাকে ভালোভাবে স্মরণ করা ও তার প্রশংসা করা, তার জন্য দান-ছাদাক্বাহ করা, যেন তার প্রতি করা অন্যায়ের কাফফারা হয়। ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যদি গীবত করা ব্যক্তি জীবিত থাকে কিন্তু তার কাছে যাওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং তার ভালো দিকগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরবে’ (রিয়াদুছ ছালিহীন)।


প্রশ্নকারী : জান্নাতুল ফেরদাঊস, পাবনা।





প্রশ্ন (১১) : একটি সূদী প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর নিজ খরচে কিছু কর্মচারীকে হজ্জে পাঠায়। উক্ত হজ্জ কি কবুল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : সফরে গমনকালে বাড়ীতেই যোহর ও আছর ছালাত একসাথে জমা করে আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫): এক বছরের বাচ্চা যদি ছালাত আদায়ের সময় কাপড়ে পেশাব-পায়খানা করে দেয়, তাহলে এমতাবস্থায় ছালাত চালিয়ে যেতে হবে, না-কি পোশাক পরিবর্তন করে পুনরায় ছালাত আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩১) : যে ব্যক্তি কুরআন পড়েছে এবং সেটাকে মুখস্থ রেখেছে অতঃপর তার হালালকে হালাল এবং হারামকে হারাম জেনেছে, তাকে আল্লাহ জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং তার পরিবারের এমন দশ ব্যক্তির ব্যাপারে সুপারিশ কবুল করবেন, যাদের প্রত্যেকের জন্য জাহান্নাম অবধারিত হয়েছিল। এর সনদ ঠিক আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : শুক্রবারে জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হয় এবং সেদিন কেউ মারা গেলে বিনা হিসাবে জান্নাতে চলে যায়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ইমাম আবূ হানিফা (রাহিমাহুল্লাহ) সম্পর্কে কেমন আক্বীদা পোষণ করা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : ইসলামের দৃষ্টিতে মধ্যমপন্থার মূল্যায়ন কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : হারাম মাসসমূহে শিকার করা কি হারাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : জনৈক ব্যক্তি বাকী গোরস্থান থেকে পাথর এনে ছওয়াবের আশায় মসজিদে স্থাপন করেছেন। উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : যে ব্যক্তি হিজাব পরিধানকারী এবং মুখমণ্ডল ও হাত ঢেকে রাখা কোন মুসলিম নারীকে উপহাস করে, তার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : দোকানের চতুর্দিকে অনেক ছবি আছে। এমন স্থানে ছালাত আদায় করলে ছালাত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : সঊদী আরবে অনেক প্রবাসী এমন রয়েছেন যাদের বিদেশে আসা বাবদ বেশ কিছু টাকা ঋণ হয়ে যায়। তবে উমরা করার সময়-সুযোগ সবসময় হয় না বিধায় অনেকেই ঋণ পরিশোধের আগেই উমরা করে। সেক্ষেত্রে উমরা ক্ববুল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ