বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : গীবত বা পরনিন্দা করা ইসলামে হারাম। আল্লাহ বলেন, وَ لَا یَغۡتَبۡ بَّعۡضُکُمۡ بَعۡضًا ؕ اَیُحِبُّ  اَحَدُکُمۡ  اَنۡ یَّاۡکُلَ  لَحۡمَ اَخِیۡہِ  مَیۡتًا فَکَرِہۡتُمُوۡہُ ‘তোমাদের কেউ কি চায় যে, সে তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাবে? অথচ তোমরা তো একে ঘৃণা করো! (সূরা আল-হুজুরাত: ১২)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘তুমি কি জান গীবত কী? ছাহাবীরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-ই ভালো জানেন। তিনি বললেন, তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছু বলা, যা সে অপসন্দ করে। লোকেরা বলল, যদি সত্যিই আমার ভাইয়ের মধ্যে সেই দোষ থাকে? তিনি বললেন, যদি তার মধ্যে সেই দোষ থাকে, তবে সেটাই গীবত। আর যদি তার মধ্যে না থাকে, তবে তা অপবাদ (বুহতান)’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৮৯)। যদি কেউ গীবত করে ফেলে, তাহলে তার করণীয় হলো:
১. খাঁটি অন্তরে তওবা করা। তওবা করার জন্য নিম্নোক্ত শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। যথা: (ক) অনুতপ্ত হওয়া বুঝতে হবে যে, এটি গুনাহ হয়েছে। (খ) ভবিষ্যতে আর গীবত না করার দৃঢ় সংকল্প করা।(গ) আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
২. যার গীবত করা হয়েছে, তার কাছে ক্ষমা চাওয়া (যদি সম্ভব হয়)। যদি আপনি তার কাছে গিয়ে সরাসরি ক্ষমা চাইতে পারেন, তাহলে সেটিই উত্তম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের (অধিকার) ওপর যুল্ম করেছে, সে যেন আজই তার কাছে ক্ষমা চায়, এমন সময় আসার আগে, যখন তার কাছে কোন দিরহাম-দীনার থাকবে না’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৪৪৯)। তবে সরাসরি বলার কারণে যদি সম্পর্কের ক্ষতি হয়, তাহলে সরাসরি না বলে, তার জন্য দু‘আ করা ও ভালো কথা বলা উত্তম।
৩. যদি তাকে না পাওয়া যায়, তাহলে তার জন্য দু‘আ করা, তার জন্য ইস্তিগফার বা আল্লাহর কাছে তার জন্য ক্ষমা চাওয়া, তাকে ভালোভাবে স্মরণ করা ও তার প্রশংসা করা, তার জন্য দান-ছাদাক্বাহ করা, যেন তার প্রতি করা অন্যায়ের কাফফারা হয়। ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যদি গীবত করা ব্যক্তি জীবিত থাকে কিন্তু তার কাছে যাওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং তার ভালো দিকগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরবে’ (রিয়াদুছ ছালিহীন)।


প্রশ্নকারী : জান্নাতুল ফেরদাঊস, পাবনা।





প্রশ্ন (১৩) : ‘আমরা চাইলে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তকেই আনন্দময় করে তুলতে পারি’, এরূপ বলা কি শিরক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪৭) : ফরয কিংবা নফল ছালাতে যে সমস্ত জায়গায় দু‘আ করা হয়, সে সব জায়গায় কুরআনের দু‘আমূলক আয়াত পরা যাবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : আমার বড় বোনের সাথে আমার খালাতো ভাইয়ের বিয়ে হয়েছে। এখন জানা যাচ্ছে, ছোট বেলায় আমার খালা আমাকে দুধ পান করিয়েছেন। এখন তাদের বিয়ে কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : নফল ছিয়াম ভেঙ্গে ফেলা যাবে কি এবং ভেঙ্গে ফেলা ছিয়ামের কাযা আদায় করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : সুন্নাত ছালাত কি মহিলাদের পিছনে দাঁড়িয়ে আদায় করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : সুর দিয়ে বক্তব্য দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : জনৈক বক্তা বলেন, ‘যে অসুস্থ অবস্থায় মারা গেছে, সে শহীদ হয়ে মারা গেছে। তাকে কবরের আযাব দেয়া হবে না এবং সকাল-সন্ধ্যায় তাকে জান্নাতের রিযিক দেয়া হবে’। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : আমি যেখানে চাকুরী করি সেখানে যোহরের জন্য ১০ মিনিটের বেশি সময় দেয় না। এজন্য আমি শুধু ফরয ছালাত আদায় করি। প্রশ্ন হল, এমতাবস্থায় পরে সময় পেলে সুন্নাত ছালাত আদায় করতে পারব কি? ছাহাবীগণ যোহর, মাগরিব ও এশার ছালাতের সুন্নাত কি বাড়ীতে আদায় করতেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : কোন মুসাফির ব্যক্তির এমন হতে পারে যে, তার ছিয়াম পালন অবস্থায় বিমান উড্ডয়নের পূর্বে সূর্য অস্ত গেল। ফলে সে ইফতার করল। কিন্তু বিমান উড্ডয়নের পরে সে সূর্য দেখতে পেল। এমতাবস্থায় তার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : আল্লাহর নাম ও গুণাবলী তথা আসমা ওয়াছা ছিফাত জানার গুরুত্ব এবং ফজিলত কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : কিছু সংখ্যক কাফির শত্রুকে হত্যা করার জন্য তথাকথিত শহীদী হামলার নামে নিজেকে বিস্ফোরিত করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : জুমু‘আর দিন কোন্ সময় সূরা কাহ্ফ পড়তে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ