বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
উত্তর : গীবত বা পরনিন্দা করা ইসলামে হারাম। আল্লাহ বলেন, وَ لَا یَغۡتَبۡ بَّعۡضُکُمۡ بَعۡضًا ؕ اَیُحِبُّ  اَحَدُکُمۡ  اَنۡ یَّاۡکُلَ  لَحۡمَ اَخِیۡہِ  مَیۡتًا فَکَرِہۡتُمُوۡہُ ‘তোমাদের কেউ কি চায় যে, সে তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাবে? অথচ তোমরা তো একে ঘৃণা করো! (সূরা আল-হুজুরাত: ১২)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘তুমি কি জান গীবত কী? ছাহাবীরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-ই ভালো জানেন। তিনি বললেন, তোমার ভাই সম্পর্কে এমন কিছু বলা, যা সে অপসন্দ করে। লোকেরা বলল, যদি সত্যিই আমার ভাইয়ের মধ্যে সেই দোষ থাকে? তিনি বললেন, যদি তার মধ্যে সেই দোষ থাকে, তবে সেটাই গীবত। আর যদি তার মধ্যে না থাকে, তবে তা অপবাদ (বুহতান)’ (ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৮৯)। যদি কেউ গীবত করে ফেলে, তাহলে তার করণীয় হলো:
১. খাঁটি অন্তরে তওবা করা। তওবা করার জন্য নিম্নোক্ত শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। যথা: (ক) অনুতপ্ত হওয়া বুঝতে হবে যে, এটি গুনাহ হয়েছে। (খ) ভবিষ্যতে আর গীবত না করার দৃঢ় সংকল্প করা।(গ) আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া।
২. যার গীবত করা হয়েছে, তার কাছে ক্ষমা চাওয়া (যদি সম্ভব হয়)। যদি আপনি তার কাছে গিয়ে সরাসরি ক্ষমা চাইতে পারেন, তাহলে সেটিই উত্তম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের (অধিকার) ওপর যুল্ম করেছে, সে যেন আজই তার কাছে ক্ষমা চায়, এমন সময় আসার আগে, যখন তার কাছে কোন দিরহাম-দীনার থাকবে না’ (ছহীহ বুখারী, হা/২৪৪৯)। তবে সরাসরি বলার কারণে যদি সম্পর্কের ক্ষতি হয়, তাহলে সরাসরি না বলে, তার জন্য দু‘আ করা ও ভালো কথা বলা উত্তম।
৩. যদি তাকে না পাওয়া যায়, তাহলে তার জন্য দু‘আ করা, তার জন্য ইস্তিগফার বা আল্লাহর কাছে তার জন্য ক্ষমা চাওয়া, তাকে ভালোভাবে স্মরণ করা ও তার প্রশংসা করা, তার জন্য দান-ছাদাক্বাহ করা, যেন তার প্রতি করা অন্যায়ের কাফফারা হয়। ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যদি গীবত করা ব্যক্তি জীবিত থাকে কিন্তু তার কাছে যাওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং তার ভালো দিকগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরবে’ (রিয়াদুছ ছালিহীন)।


প্রশ্নকারী : জান্নাতুল ফেরদাঊস, পাবনা।





প্রশ্ন (৪) : লোকসানের অংশীদার হবে এমন শর্তে কোন ইসলামী ব্যাংকে টাকা রেখে তার লভ্যাংশ খাওয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : চেয়ারে বসে ছালাত আদায় করা যাবে কি? যদি যায়, তবে চেয়ার কাতারের কোথায় রাখতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : অনেক মানুষদের দেখা যায় যে, লোকে কী বলবে এই চিন্তা করে হালাল কাজ থেকে দূরে থাকে। লোকে কী বলবে তাই চাচাতো ভাইয়ের মেয়েকে বিয়ে করতে সম্মত হয় না ইত্যাদি। এরূপ ভাবা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : সফরে সর্বোচ্চ কতদিন পর্যন্ত ক্বছর করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ﷺ) ছালাতে যখন সিজদাহ থেকে দাঁড়াতেন তখনও হস্ত উত্তোলন করতেন। এমনকি প্রত্যেক উঠা বসায় তিনি এরূপ করতেন। তার দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মসজিদে যখন আযান হয়, আযান চলাকালীন অবস্থায় মসজিদে প্রবেশের সময়, মসজিদে প্রবেশের দু‘আ পড়ে মসজিদে প্রবেশ করতে হবে, না-কি আযানের জবাব দিতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : বিয়ের পর মেয়েরা তার বাবার বাড়ীতে কি তিনদিনের বেশি থাকতে পারবে? আর স্বামী কি তিনদিনের বেশি শ্বশুর বাড়ীতে থাকতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : কোন মুসলিমকে কাফের বলার জন্য কোন শর্ত আছে কী? তাকফীরের মূলনীতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪০) : ছহীহ হাদীছের দৃষ্টিতে ঈদের তাকবীর কয়টি? ৬ তাকবীরে ছালাত আদায়কারী ব্যক্তির পেছনে ১২ তাকবীরে ছালাত আদায়কারী ব্যক্তি ছালাত পড়তে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : ‘যে ব্যক্তি খুশি মনে, নেকীর আশায় কুরবানীর পশু যবেহ করবে, তার জন্য সে পশু জাহান্নামের ঢাল হবে’। উক্ত হাদীছের সনদ সম্পর্কে জানতে চাই। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) স্বামী যদি স্ত্রীকে পীরের মুরীদ হতে বলে এবং পীরকে সিজদা করতে বাধ্য করে, সেক্ষেত্রে স্ত্রীর করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : নিচ থেকে শরীরের অংশ বা উরুর অংশ দেখা যায় এমন সাদা রঙের পাতলা ও স্বচ্ছ কাপড় পরে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ