শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
উত্তর : কোন পুরুষ বা নারী কর্তৃক যাকাতের মাল তার দরিদ্র ভাই, বোন, চাচা, ফুফুসহ সকল দরিদ্র আত্মীয়-স্বজনকে দিতে কোন আপত্তি নেই। যেহেতু এ সংক্রান্ত দলীলগুলো সাধারণ। বরং তাদেরকে যাকাত দেয়া হলে সেটা ছাদাক্বাহ ও আত্মীয়তার হক্ব উভয়ই আদায় হয়। যেমন সালমান ইবনু আমীর আদ-দাব্বী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, الصَّدَقَةُ عَلَى الْمِسْكِيْنِ صَدَقَةٌ وَعَلَى ذِي الْقَرَابَةِ اثْنَتَانِ صَدَقَةٌ وَصِلَةٌ ‘অনাত্মীয় গরীব-মিসকীনকে যাকাত দান করলে তা যাকাতই (যাকাতের ছওয়াব পাওয়া যায়) গণ্য হয়। আর আত্মীয়-স্বজনকে যাকাত দিলে দ্বিগুণ (যাকাতের ছওয়াব এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার ছওয়াব) হয়’ (তিরমিযী, হা/৬৫৮; ইবনু মাজাহ, হা/১৮৪৪; নাসাঈ, হা/২৫৮২; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৬২৭৯;  ইরওয়াউল গালীল, হা/৮৮৩)।

বরং এক্ষেত্রে নিকটাত্মীয় ফক্বীর-মিসকীনরা অগ্রাধিকার পাবে, কেননা এদের দেয়া হলে দ্বিগুণ নেকী অর্জিত হয়। তবে পিতা-মাতা এবং সন্তান-সন্ততি এর অন্তর্ভুক্ত নয়। কেননা এরা আমাদের দায়িত্বাধীন। সুতরাং এদের দেখাশোনা করা, ভরণপোষণ করা এবং এদের পিছনে অর্থ ব্যয় করা আমাদের উপর অপরিহার্য। তাঁদের বংশীয় স্তর যত ঊর্ধ্বে হোক না কেন যেমন দাদা, পরদাদা এবং ছেলে ও মেয়েদের বংশীয় স্তর যত নিম্নে হোক না কেন যেমনঃ পৌত্র, প্রপৌত্র ইত্যাদি। এরা গরীব হলেও এদেরকে যাকাতের মাল দেয়া যাবে না। বরং সামর্থ্য থাকলে তাদের খরচ চালানো আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। বিশেষ করে যদি তাদের খরচ চালানোর মত অন্য কেউ না থাকে (ফাতাওয়া আল-লাজনা আদ-দায়িমা, ১০/৫৭-৫৯; মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে বায, ১৪/৩০১; মাজমূঊ ফাতাওয়া ইবনে উছাইমীন, ১৮/৪২২-৪২৩ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২১৮১০)।


প্রশ্নকারী : জহরুল ইসলাম, নাটোর।





প্রশ্ন (২৯) : মৃত্যু যন্ত্রণা কি গুনাহগুলোকে হালকা করবে? অনুরূপভাবে রোগ-বিমার কি গুনাহকে কিছুটা লাঘব করে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : যে রুমে কুরআনের মাছহাফ রাখা আছে সে রুমে স্ত্রী সহবাস করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০): সাহু সিজদার সঠিক পদ্ধতি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : ঈদের সম্ভাষণ হিসাবে ‘ঈদ মোবারক’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : ইসলামী শরী‘আতে মা দিবসের উৎসব পালন করার কোন বিধান আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১০) : সূরা আল-বাক্বারাহ ২৬৯ নং আয়াতে ‘হিকমাহ’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : মহিলার দেহ থেকে লোম তুলে ফেলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : জনৈক ব্যক্তির হজ্জ করার সামর্থ্য আছে। কিন্তু তার অর্থ অন্যের কাছে ধার দেয়া আছে। এখন সে কি আরেকজনের নিকট থেকে টাকা ধার নিয়ে হজ্জ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : নিরাপত্তা কর্মীদের জন্য ছালাত আদায়ের নির্দেশাবলী কী? বিশেষ করে গণ্যমান্য ব্যক্তিদের যারা বডি গার্ড তাদের ব্যাপারে কী নির্দেশনা দেয়া হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : কিছু সংখ্যক কাফির শত্রুকে হত্যা করার জন্য তথাকথিত শহীদী হামলার নামে নিজেকে বিস্ফোরিত করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : চাকুরীর বাধ্যবাধকতার কারণে পানি থাকা সত্ত্বেও হাত ও মুখে কসমেটিকস থাকায় তায়াম্মুম করে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : একদিন মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে তার নাতি হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, আমি বড় না আপনি বড়? তখন নবী (ﷺ) বললেন যে, ‘তিনি বড়’। তখন হুসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলল, ‘না, আমি বড়’। তখন নবী (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, কীভাবে? তিনি বললেন, ‘আপনার পিতার নাম কী?’ নবী (ﷺ) বললেন, আব্দুল্লাহ। হোসাইন (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলল, ‘আমার বাবা আলী, যাকে আল্লাহর সিংহ বলা হয়েছে’। ...পরিশেষে নবী (ﷺ) বলেন, ‘হোসাইন তুমিই বড়’। উক্ত ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ