বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
উত্তর :  দু‘আ ইউনুস খতম করা হাদীছসম্মত নয়। বরং জাল বর্ণনা। ‘নেয়ামুল কুরআন’ গ্রন্থে এ ব্যাপারে একটি বানোয়াট ফযীলত বর্ণিত হয়েছে। ঘটনাটি নি¤œরূপ: ‘কঠিন বিপদ মামলা-মোকাদ্দমা ও সঙ্কটের সময় এই দু‘আ সোয়া লক্ষ বার পড়িবে। প্রত্যেক একশতবার পড়া হইলে শরীর বা মুখে পানি দিবে। পাক অবস্থায় পাক বিছানায় বসিয়া কেবলামুখী হইয়া পড়িবে। ৩, ৭ কিংবা ৪০ দিনে শেষ করিবে। মাছের পেটের ভিতর অন্ধকারের এই দোয়া জন্মলাভ করিয়াছে বলিয়া অন্ধকারে বসিয়া পড়িলে আরও সত্ত্বর ফল লাভ হয়। খতম শেষ হইলে সূরা আম্বিয়ার ৮৮ নং আয়াত একবার আয়াত পড়িবে। এই তাদবীরকে খতমে ইউনুস বলা হয়। ইহা প্রত্যেক ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী ও অব্যর্থ ফলপদ বলিয়া প্রমাণিত হইয়াছে’ (নেয়ামুল কুরআন, মৌলবী শামছুল হুদা, রহমানিয়া লাইব্রেরী, একাদশ সংস্করণ, পৃ. ১২০)।

দ্বিতীয়তঃ দু‘আ ইউনুস অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ একটি দু‘আ। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর (স্মরণ কর) যুন-নূন (ইউনুস)-এর কথা, যখন তিনি ক্রোধভারে বের হয়ে গিয়েছিলেন এবং বিশ্বাসী ছিলেন যে, আমরা তার উপর কোনরূপ কষ্টদানের সিদ্ধান্ত নেব না; অতঃপর তিনি অন্ধকার হতে সত্য আহ্বান করেছিলেন, আপনি ছাড়া কোন (সত্য) মা‘বূদ নেই; আপনি পবিত্র মহান; আমি তো অত্যাচারীদের একজন। তখন আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছিলাম এবং তাঁকে উদ্ধার করেছিলাম দুশ্চিন্তা হতে এবং এভাবেই আমি মুমিনদেরকে উদ্ধার করে থাকি’ (সূরা আল-আম্বিয়া: ৮৭-৮৮)। সা‘দ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন,

دَعْوَةُ ذِي النُّوْنِ إِذَا دَعَا رَبَّهُ وَهُوَ فِيْ بَطْنِ الْحُوْتِ (لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّيْ كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَ) لَمْ يَدْعُ بِهَا رَجُلٌ مُسْلِمٌ فِيْ شَيْئٍ إِلَّا اسْتَجَابَ لَهُ.

‘মাছওয়ালা নবী ইউনুস (আলাইহিস সালাম)-এর দু‘আ হল এই যে, যখন তিনি মাছের পেট থেকে তাঁর প্রভুর নিকট দু‘আ করেছিলেন, ‘লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুব্হানাকা ইন্নী কুংতু মিনাযযালিমীন’। অর্থ: আপনি ব্যতীত কোন সত্য মা‘বূদ নেই, আপনি পবিত্র আর আমি অত্যাচারী অপরাধী। যখন কোন মুসলিমই কোন ব্যাপারে এই দু‘আ করবে, তখন নিশ্চয় তার দু‘আ কবুল হবে (আহমাদ, হা/১৪৬২; তিরমিযী, হা/৩৫০৫; মিশকাত, হা/২২৯২, সনদ ছহীহ)।

প্রশ্নকারী : সুমন, দড়িখরবোনা, রাজশাহী।





প্রশ্ন (২৬) : ছালাতে মাঝে মধ্যে রুকূতে সিজদার তাসবীহ অথবা সিজদাতে রুকূ-র তাসবীহ পড়ে ফেলি। রুকূ‘-সিজদাহ সম্পূর্ণ হওয়ার পর মনে পড়ে আমি ভুল করেছি। এই ক্ষেত্রে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : আমরা অনেকেই সরকারী চাকরী করি। অধিকাংশ মন্ত্রণালয় বিভিন্নভাবে সূদ ও ঘুষের সাথে জড়িত। উক্ত চাকরির বেতন হালাল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭): সিজারিয়ান পদ্ধতিতে বাচ্চা প্রসবের পরে প্রসবোত্তর সময় তথা বাচ্চা প্রসবের ৪০ দিন পর্যন্ত ঐ মহিলার কি ছালাত আদায় করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মসজিদে বাম হাতের উপর ভর দিয়ে বসার ব্যাপারে কি কোন সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা আছে? জানা যায় যে, এটি ভাল নয়। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : দাজ্জালের পরিচয় ও বৈশিষ্ট্য জানিয়ে বাধিত করবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : জনৈক ব্যক্তি স্ত্রীর প্রতি রাগান্বিত হয়ে স্ত্রীর সামনে স্ত্রীর নাম উল্লেখ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আল্লাহ তুমি স্বাক্ষী থাক, আল্লাহর কসম! আল্লাহর কসম! আল্লাহর কসম! আমি তোমার সাথে (স্ত্রী) আর কখনো মিলন করব না’। এরূপ কসমের জন্য করণীয় কী? এজন্য কি বিবাহ বিচ্ছিদ ঘটবে, না-কি কসমের কাফ্ফারা স্বরূপ তিনটি ছিয়াম রাখলেই যথেষ্ট হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : ঔষধের মাধ্যমে কোন মহিলা তার ঋতুস্রাব  বন্ধ করে ছিয়াম পালন করতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : কেউ গান-বাজনাকে হালাল মনে করলে তার ঈমান থাকবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : জনৈক আলেম বলেন, রাতে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার পর যে ব্যক্তি নিম্নের দু‘আটি পাঠ করবে, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে। যদি সে দু‘আ করে, তবে তার দু‘আ কবুল হবে। আর সে যদি উঠে ওযয় করে ছালাত আদায় করে, তাহলে তার ছালাত কবুল হবে। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : কোন্ দু‘আ পড়লে সারাদিন যিকির করার নেকী পাওয়া যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমার বাবা-মা চায় ডাক্তারী পড়ি, কিন্তু আমার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার ইচ্ছা। এ জন্য অনেকদিন যাবৎ আব্বু আমার সাথে কথা বলেন না। এখন কী করতে পারি? আমি যদি তাদের ইচ্ছানুযায়ী ডাক্তারী না পড়ি, তাহলে কি এটা অবাধ্য হওয়ার শামিল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : ইমাম সালাম ফেরানোর পর মাসবুক ব্যক্তি উঠে দাঁড়ানোর সময় রাফ‘উল ইয়াদায়েন করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ