বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:২০ অপরাহ্ন
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা বালা-মুছীবত ও বিপদ-আপদ নাযিল করে মানুষকে পরীক্ষা করে থাকেন। এর মধ্যে যারা ধৈর্যাধরণ করে তাদের জন্য সুসংবাদও ঘোষণা করেছেন (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৫৫)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অতিশয় অস্থির চিত্তরূপে। যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে, তখন সে হা-হুতাশ করে’ (সূরা আল-মা‘আরিজ : ১৯-২০)। শায়খ উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, বিপদে আপতিত হওয়ার সময় মানুষ চার স্তরে বিভক্ত হয়ে যায়।

প্রথম স্তর : অসন্তোষ প্রকাশ করা। এটি আবার কয়েক প্রকার।১ম প্রকার : আল্লাহ যে বিষয় নির্ধারণ করেছেন, তার কারণে অন্তর দিয়ে আল্লাহর উপর অসন্তুষ্ট হয়ে যাওয়া। এটা হারাম। কারণ এধরণের অসন্তুষ্টি কখনো কুফরীর দিকে নিয়ে যায় (সূরা আল-হজ্জ : ১১)। ২য় প্রকার : কখনো অসন্তুষ্টি কথার মাধ্যমে হয়ে থাকে। যেমন হতাশা প্রকাশ করা এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য দু’আ করা। এটাও হারাম। তৃতীয় প্রকার : কখনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে হয়ে থাকে। যেমন গাল চাপড়ানো, জামা-কাপড় ছেঁড়া, মাথার চুল টেনে ছিঁড়ে ফেলা ইত্যাদি (ছহীহ বুখারী, হা/১২৯৬,১২৯৭; ছহীহ মুসলিম, হা/১০৩; মিশকাত, হা/১৭২৫)। উক্ত তিন প্রকার সবই হারাম এবং ধৈর্যধারণের পরিপন্থী।

দ্বিতীয় স্তর : বিপদের সময় ধৈর্যধারণ করা ওয়াজিব। এটা আল্লাহ তা‘আলার আদেশ (সূরা আল-আনফাল : ৪৬)। তৃতীয় স্তর : বিপদ আসার পর সন্তুষ্ট থাকা এবং মুছীবত আসা ও না আসা উভয়কেই সমান মনে করা। এধরণের ধৈর্যধারণ করা মুস্তাহাব। চতুর্থ স্তর : শুকরিয়া আদায় করা। এটা সর্বোচ্চ স্তর। কারণ সে জানে যে, এ সমস্ত বিপদাপদের মাধ্যমে পাপ ক্ষমা হয় এবং ছওয়াব বৃদ্ধি হয় (ছহীহ বুখারী, হা/৫৬৪০, ৫৬৪১; ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৭২; মিশকাত, হা/১৫৩৭; শায়খ উছায়মীন, মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, ২য় খণ্ড, পৃ. ১০৯-১১১, প্রশ্ন নং-২০৯)।


প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, নরসিংদী।




প্রশ্ন (১৪) : জনৈক ব্যক্তি বিজিবি কর্মকর্তা। ছালাত আদায়কালে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চলে আসলে তিনি ছালাত বাদ দিয়ে স্যালুট জানাবেন, না-কি ছালাত শেষ করে তাকে স্যালুট জানাবেন? উল্লেখ্য যে, স্যালুট জানাতে বিলম্ব হলে চাকরীচ্যুত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : মুবাহালার বিধান কী? এটা কি শুধু রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য খাছ ছিল? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : ওযূর সময় কি সালাম দেয়া ও নেয়া যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : কাগজ নকল করে কোনো দেশের ভিসা করে টাকা উপার্জন করলে, সেই টাকা কি হারাম হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : জুম‘আর দিন কবর যিয়ারত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : ইলম অর্জন, তাবলীগ ও দাওয়াতের কাজে সফরে যাওয়ার জন্য পিতা-মাতার অনুমতি ছাড়া যাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : যে দেশে একাধিক ইসলামী সংগঠন এবং ধর্মীয় নেতা আছেন, কিন্তু তাদের প্রশাসনিক কোন কর্তৃত্ব নেই, তারা কি উক্ত সংগঠনের কর্মীদের থেকে বাই‘আত নিতে পারবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : ঈমানদার জিনরা কি ঈমানদার মানুষের সাথে বিবাহ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : মুক্তাদী ছুটে যাওয়া ছালাত আদায়ের জন্য কখন দাঁড়াবে? ইমাম একদিকে সালাম ফিরানোর পর, না-কি দুই দিকে সালাম ফিরানোর পর? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ইমামের কুরআন তেলওয়াত শুদ্ধ না হলে, মুক্তাদির ছালাত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : যে ব্যক্তি প্রত্যেক রাতে সূরা ওয়াক্বি‘আহ পড়বে, সে কখনো অভাবের মধ্যে পড়বে না। ইবনু মাসঊদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তার মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে উক্ত সূরা পড়তে বলতেন (বায়হাক্বী হা/২৪৯৮; মিশকাত হা/২১৮১; ফাযায়েলে আমল, পৃঃ ২৭৫)। উক্ত বর্ণনা সনদ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : কেউ যদি এই বলে মানত করে থাকে যে, কোন একটা কাজে সফল হলে সে আল্লাহর শুকরিয়া উদ্দেশ্যে ১০০ রাক‘আত নফল ছালাত পড়বে। সেটা কি জায়েয হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ