বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা বালা-মুছীবত ও বিপদ-আপদ নাযিল করে মানুষকে পরীক্ষা করে থাকেন। এর মধ্যে যারা ধৈর্যাধরণ করে তাদের জন্য সুসংবাদও ঘোষণা করেছেন (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৫৫)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অতিশয় অস্থির চিত্তরূপে। যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে, তখন সে হা-হুতাশ করে’ (সূরা আল-মা‘আরিজ : ১৯-২০)। শায়খ উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, বিপদে আপতিত হওয়ার সময় মানুষ চার স্তরে বিভক্ত হয়ে যায়।

প্রথম স্তর : অসন্তোষ প্রকাশ করা। এটি আবার কয়েক প্রকার।১ম প্রকার : আল্লাহ যে বিষয় নির্ধারণ করেছেন, তার কারণে অন্তর দিয়ে আল্লাহর উপর অসন্তুষ্ট হয়ে যাওয়া। এটা হারাম। কারণ এধরণের অসন্তুষ্টি কখনো কুফরীর দিকে নিয়ে যায় (সূরা আল-হজ্জ : ১১)। ২য় প্রকার : কখনো অসন্তুষ্টি কথার মাধ্যমে হয়ে থাকে। যেমন হতাশা প্রকাশ করা এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য দু’আ করা। এটাও হারাম। তৃতীয় প্রকার : কখনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে হয়ে থাকে। যেমন গাল চাপড়ানো, জামা-কাপড় ছেঁড়া, মাথার চুল টেনে ছিঁড়ে ফেলা ইত্যাদি (ছহীহ বুখারী, হা/১২৯৬,১২৯৭; ছহীহ মুসলিম, হা/১০৩; মিশকাত, হা/১৭২৫)। উক্ত তিন প্রকার সবই হারাম এবং ধৈর্যধারণের পরিপন্থী।

দ্বিতীয় স্তর : বিপদের সময় ধৈর্যধারণ করা ওয়াজিব। এটা আল্লাহ তা‘আলার আদেশ (সূরা আল-আনফাল : ৪৬)। তৃতীয় স্তর : বিপদ আসার পর সন্তুষ্ট থাকা এবং মুছীবত আসা ও না আসা উভয়কেই সমান মনে করা। এধরণের ধৈর্যধারণ করা মুস্তাহাব। চতুর্থ স্তর : শুকরিয়া আদায় করা। এটা সর্বোচ্চ স্তর। কারণ সে জানে যে, এ সমস্ত বিপদাপদের মাধ্যমে পাপ ক্ষমা হয় এবং ছওয়াব বৃদ্ধি হয় (ছহীহ বুখারী, হা/৫৬৪০, ৫৬৪১; ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৭২; মিশকাত, হা/১৫৩৭; শায়খ উছায়মীন, মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, ২য় খণ্ড, পৃ. ১০৯-১১১, প্রশ্ন নং-২০৯)।


প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, নরসিংদী।




প্রশ্ন (১৪) : অনেকেই বাড়িতে গৃহস্থালী কাজ (থালা-বাসন ধোঁয়া, ঝাড়– দেয়া, রান্না করা প্রভৃতি) করা অবস্থায় মোবাইল বা কোন ডিভাইসে কুরআন তিলাওয়াত শুনেন। এভাবে কাজ চলাকালীন অবস্থায় তিলাওয়াত শুনলে নেকি হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : ‘হস্তমৈথুন’-এর শাস্তি কী? এর থেকে ত‌ওবা করার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ফরয ছালাতের আগে যে ইক্বামত দেয়া হয়, সেটা কি আযানের মত ২ বার করে বলতে হয়, না-কি একবার? আর ইক্বামতে ‘হাইয়া ‘আলাছ ছালাহ’ বললে কি ছালাতের জন্য দাঁড়াতে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ঝাড়ফুঁক বৈধ হওয়ার জন্য শরী‘আতে কী কী শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : ‘যে বিয়েতে খরচ যত কম, সেই বিয়েতে বরকত তত বেশি’ মর্মে বর্ণিত হাদীছ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০): বন্ধুদের মাঝে দাওয়াতি কাজ করতে চাইলে কোথা থেকে শুরু করতে হবে এবং কোন্ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : দুই রাক‘আত বিশিষ্ট ছালাতের (ফজর, জুমু‘আহ বা ঈদ-এর ছালাত) শেষ বৈঠকে কিভাবে বসতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : যেসকল তাসবীহ ১০০ বার পড়তে হয়, তা যদি একসাথে না পড়ে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পড়ি, তাহলে কি হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : ছালাতের মাঝে ভুলে এক পাশে সালাম দিলে, পরে মনে আসলে কী করণীয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : আমার স্ত্রী ২০২২ এর মার্চ মাসে সন্তান প্রসব করেন, সে জন্য এপ্রিলে ছিয়াম রাখতে পারেননি। পরের বছর সন্তানের বয়স কম থাকায় এবং বাচ্চা যথেষ্ট বুকের দুধ পাবে না, এই জন্য ২০২৩ এর ছিয়াম ও রাখেননি বা রাখতে পারেননি। এমতাবস্থায় আবার সে কনসেপ করে এবং এই রামাযানের (২০২৪) পরেই ডেলিভারি সম্ভব্য সময়। সে জন্য এই বছরের (২০২৪) ছিয়াম রাখতেও পারবে না। তাহলে তার মোট ৩ বারের ছিয়াম ক্বাযা হচ্ছে। এই অবস্থায় শারঈ বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : অনিচ্ছাকৃতভাবে পাওয়া সূদের অর্থ কোথায় ব্যয় করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : যুহ্দ বা দুনিয়াবিমুখতা বলতে কী বুঝায়? তালি দেয়া, ছিঁড়া কাপড় পরা, প্রতিদিন ছিয়াম রাখা, সমাজ থেকে দূরে থাকা ইত্যাদি কি যুহ্দ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ