বুধবার, ২২ Jul ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা বালা-মুছীবত ও বিপদ-আপদ নাযিল করে মানুষকে পরীক্ষা করে থাকেন। এর মধ্যে যারা ধৈর্যাধরণ করে তাদের জন্য সুসংবাদও ঘোষণা করেছেন (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৫৫)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অতিশয় অস্থির চিত্তরূপে। যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে, তখন সে হা-হুতাশ করে’ (সূরা আল-মা‘আরিজ : ১৯-২০)। শায়খ উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, বিপদে আপতিত হওয়ার সময় মানুষ চার স্তরে বিভক্ত হয়ে যায়।

প্রথম স্তর : অসন্তোষ প্রকাশ করা। এটি আবার কয়েক প্রকার।১ম প্রকার : আল্লাহ যে বিষয় নির্ধারণ করেছেন, তার কারণে অন্তর দিয়ে আল্লাহর উপর অসন্তুষ্ট হয়ে যাওয়া। এটা হারাম। কারণ এধরণের অসন্তুষ্টি কখনো কুফরীর দিকে নিয়ে যায় (সূরা আল-হজ্জ : ১১)। ২য় প্রকার : কখনো অসন্তুষ্টি কথার মাধ্যমে হয়ে থাকে। যেমন হতাশা প্রকাশ করা এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য দু’আ করা। এটাও হারাম। তৃতীয় প্রকার : কখনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে হয়ে থাকে। যেমন গাল চাপড়ানো, জামা-কাপড় ছেঁড়া, মাথার চুল টেনে ছিঁড়ে ফেলা ইত্যাদি (ছহীহ বুখারী, হা/১২৯৬,১২৯৭; ছহীহ মুসলিম, হা/১০৩; মিশকাত, হা/১৭২৫)। উক্ত তিন প্রকার সবই হারাম এবং ধৈর্যধারণের পরিপন্থী।

দ্বিতীয় স্তর : বিপদের সময় ধৈর্যধারণ করা ওয়াজিব। এটা আল্লাহ তা‘আলার আদেশ (সূরা আল-আনফাল : ৪৬)। তৃতীয় স্তর : বিপদ আসার পর সন্তুষ্ট থাকা এবং মুছীবত আসা ও না আসা উভয়কেই সমান মনে করা। এধরণের ধৈর্যধারণ করা মুস্তাহাব। চতুর্থ স্তর : শুকরিয়া আদায় করা। এটা সর্বোচ্চ স্তর। কারণ সে জানে যে, এ সমস্ত বিপদাপদের মাধ্যমে পাপ ক্ষমা হয় এবং ছওয়াব বৃদ্ধি হয় (ছহীহ বুখারী, হা/৫৬৪০, ৫৬৪১; ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৭২; মিশকাত, হা/১৫৩৭; শায়খ উছায়মীন, মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, ২য় খণ্ড, পৃ. ১০৯-১১১, প্রশ্ন নং-২০৯)।


প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, নরসিংদী।




প্রশ্ন (৪) : ফজরের পূর্বে দুই, যোহরের পূর্বে চার ও পরে দুই, মাগরিবের পরে দুই, এশার পরে দুই রাক‘আত দিনে রাতে মোট বার রাক‘আত ছালাতের ফযীলতের কথা আমরা জানি। আমার প্রশ্ন হল- কেউ যদি যোহরের আগের চার রাক‘আত ছালাত পরে আদায় করে তবে কি তিনি সেই ফযীলত পাবেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : হায়েয অবস্থায় স্ত্রী তার মৃত স্বামীকে গোসল করাতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : কোন মুসলিম বেঁচে থাকতে ছালাত আদায় করেনি, কিন্তু অনেক কিছু দান কিংবা ভালো কাজ করে গেছেন। সেগুলার পুরস্কার কি কবরে পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : প্রচলিত রয়েছে যে, শু‘আইব (আলাইহিস সালাম) মূসা (আলাইহিস সালাম)-এর শ্বশুর ছিলেন। কথাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : জনৈক আলেম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক জুমু‘আর দিন তার মাতা-পিতা অথবা তাদের মধ্যে কোন একজনের কবর যিয়ারত করবে, তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে এবং মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহারকারী বলে লেখা হবে’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান হা/৭৯০১)। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৭) : মাঝে মাঝে কেউ যদি ছালাতে রাফ‘ঊল ইয়াদায়েন না করে, তাহলে তার ছালাত বাতিল হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : যিলহজ্জ মাসের প্রতিটি দিনের ছিয়াম এক বছরের ছিয়ামের সমতুল্য। এর প্রতিটি রাতের ইবাদত লায়লাতুল ক্বদরের ইবাদতের সমতুল্য। হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জনৈক বক্তা বলেন, জুমু‘আর খুত্ববা বাংলা ভাষায় দেয়া যাবে না, আরবী ভাষায় দিতে হবে। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ইউটিউব থেকে টাকা উপার্জন করা কি হারাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২০) : মুহাম্মাদ (ﷺ) দিনের কোন্ কোন্ সময় ঘুমাতেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : প্রচলিত আছে যে, রাসূল (ﷺ)-এর যে নিয়মে চুল রাখতেন সেই নিয়মকে ‘বাবরী চুল’ বলা হয়। আসলে ‘বাবরী চুল’ দ্বারা কী বুঝানো হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : ফের্কাবন্দী অর্থ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ