মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা বালা-মুছীবত ও বিপদ-আপদ নাযিল করে মানুষকে পরীক্ষা করে থাকেন। এর মধ্যে যারা ধৈর্যাধরণ করে তাদের জন্য সুসংবাদও ঘোষণা করেছেন (সূরা আল-বাক্বারাহ : ১৫৫)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে অতিশয় অস্থির চিত্তরূপে। যখন তাকে বিপদ স্পর্শ করে, তখন সে হা-হুতাশ করে’ (সূরা আল-মা‘আরিজ : ১৯-২০)। শায়খ উছায়মীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, বিপদে আপতিত হওয়ার সময় মানুষ চার স্তরে বিভক্ত হয়ে যায়।

প্রথম স্তর : অসন্তোষ প্রকাশ করা। এটি আবার কয়েক প্রকার।১ম প্রকার : আল্লাহ যে বিষয় নির্ধারণ করেছেন, তার কারণে অন্তর দিয়ে আল্লাহর উপর অসন্তুষ্ট হয়ে যাওয়া। এটা হারাম। কারণ এধরণের অসন্তুষ্টি কখনো কুফরীর দিকে নিয়ে যায় (সূরা আল-হজ্জ : ১১)। ২য় প্রকার : কখনো অসন্তুষ্টি কথার মাধ্যমে হয়ে থাকে। যেমন হতাশা প্রকাশ করা এবং ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য দু’আ করা। এটাও হারাম। তৃতীয় প্রকার : কখনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে হয়ে থাকে। যেমন গাল চাপড়ানো, জামা-কাপড় ছেঁড়া, মাথার চুল টেনে ছিঁড়ে ফেলা ইত্যাদি (ছহীহ বুখারী, হা/১২৯৬,১২৯৭; ছহীহ মুসলিম, হা/১০৩; মিশকাত, হা/১৭২৫)। উক্ত তিন প্রকার সবই হারাম এবং ধৈর্যধারণের পরিপন্থী।

দ্বিতীয় স্তর : বিপদের সময় ধৈর্যধারণ করা ওয়াজিব। এটা আল্লাহ তা‘আলার আদেশ (সূরা আল-আনফাল : ৪৬)। তৃতীয় স্তর : বিপদ আসার পর সন্তুষ্ট থাকা এবং মুছীবত আসা ও না আসা উভয়কেই সমান মনে করা। এধরণের ধৈর্যধারণ করা মুস্তাহাব। চতুর্থ স্তর : শুকরিয়া আদায় করা। এটা সর্বোচ্চ স্তর। কারণ সে জানে যে, এ সমস্ত বিপদাপদের মাধ্যমে পাপ ক্ষমা হয় এবং ছওয়াব বৃদ্ধি হয় (ছহীহ বুখারী, হা/৫৬৪০, ৫৬৪১; ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৭২; মিশকাত, হা/১৫৩৭; শায়খ উছায়মীন, মাজমূঊ ফাতাওয়া ওয়া রাসাইল, ২য় খণ্ড, পৃ. ১০৯-১১১, প্রশ্ন নং-২০৯)।


প্রশ্নকারী : আব্দুর রহমান, নরসিংদী।




প্রশ্ন (২৯) : সন্তানের উপর হজ্জ ফরয হলে সেই টাকা দিয়ে পিতা-মাতাকে হজ্জে পাঠানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যেকোন কাজ আল্লাহর জন্য করতে চাইলেও মনের মধ্যে রিয়া প্রভাব বিস্তার করে। যেমন ছালাতের ক্ষেত্রে, দান-ছাদাক্বার ক্ষেত্রে। এমতাবস্থায় কী করা উচিত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : ইসলামে মধ্যমপন্থা অবলম্বন বলতে কী বুঝায়? অনেক প্র্যাক্টিসিং মুসলিম মনে করেন মধ্যমপন্থা মানে যে সমাজ যে রকম, সেখানে সেভাবে নিজেকে মানিয়ে নেয়া। যেমন- প্রয়োজন অনুযায়ী পারিবারিক সমাবেশে গায়রে মাহরাম কাজিনদের সাথে খোশগল্প করা, মসজিদে গেলে পাঞ্জাবি-পায়জামা (ছেলেদের ক্ষেত্রে) অথবা খিমার, নিকাব (মেয়েদের ক্ষেত্রে) অন্যদিকে অনুষ্ঠানে গেলে যথাক্রমে গেঞ্জি-টাইট প্যান্ট (ছেলে) অথবা শুধু হিজাব (মেয়ে) পরা, ইত্যাদি। অন্যদিকে যারা কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী সঠিকভাবে চোখের হেফাযত করে, ফেৎনা থেকে বাঁচার জন্য পর্দার বিধান মেনে চলে তাদেরকে অনেকে অসামাজিক, বিভ্রান্ত, কট্টরপন্থী ইত্যাদি টাইটেলে আখ্যা দিয়ে থাকে। তাদের উক্ত  দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য মহিলা চোখের ভ্রƒ উঠাতে ও কাটতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : কোন্ অবস্থায় ছাদাক্বাহ করলে নেকী বেশি পাওয়া যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : জনৈক আলেম বলেন, যে ব্যক্তি বিড়ি-সিগারেট, গুল, জর্দা পান করবে তার চল্লিশ দিনের ছালাত কবুল হবে না। তিনি দলীল হিসাবে ইবনু মাজাহর ৩৩৭৭ নং হাদীছ পেশ করেছেন। উপরিউক্ত নেশাদার দ্রবগুলোর প্রেক্ষিতে উক্ত দলীল পেশ করা যুক্তিযুক্ত হয়েছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : সমাজে প্রচলিত আছে যে, হজ্জ পালন করে বাড়ীতে ফেরার পর তিনদিন কারো সাথে কথা বলা এবং বাড়ী থেকে বের হওয়া যায় না। গরু-খাসী যবেহ করে সবাইকে খাওয়াতে হয়। বাজারে কিছু কিনতে গেলে একদরে কিনতে হয়। এগুলো কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : বিপদে পরে শাশুড়ী জামাইয়ের নিকট থেকে কিছু ঋণ গ্রহণ করেছিলেন। এখন শাশুড়ী ঋণ পরিশোধ করতে সক্ষম। জামাই নিতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩২) : আদম (আলাইহিস সালাম) হিন্দুস্তান থেকে পায়ে হেঁটে ১০০০ বার হজ্জ করেছেন (ফাযায়েলে হজ্জ, পৃ ৪১)। উক্ত বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : ইমামের শেষ বৈঠক কিন্তু মুক্তাদির শেষ বৈঠক নয়। এমতাবস্থায় মুক্তাদী ঐ বৈঠকে কী কী পাঠ করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : আমার মা ই‘তিকাফে ঢুকেছেন, তিনি ইস্তিঞ্জার নিয়তে বের হয়েছিলেন এবং আমাকে (সন্তান) খাওয়ার জন্য একটি কমলা দিয়েছেন এবং কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে কথা বলেছেন, জিজ্ঞেস করেছেন- ছালাত পরেছি কী না? প্রশ্ন হল- ই‘তিকাফ হয়েছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৫) : প্রচলিত আছে যে, যারা হজ্জ বা উমরা করতে গিয়ে মারা যাবে তারা জান্নাতী। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ