বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : রামাযান কিংবা অন্য যেকোন সময়ে মৃত ব্যক্তির নামে কুরআন খতম করা জায়েয নয়। এটা বিদ‘আতী প্রথা, যা পরিত্যাগ করা অপরিহার্য। মৃত ব্যক্তির জন্য জীবিতদের করণীয় হল, দু‘আ করা, ছাদাক্বা করা (ছহীহ মুসলিম, হা/১৬৩১; আবূ দাঊদ, হা/২৮৮০), ঋণ পরিশোধ করা (ছহীহ বুখারী, হা/২২৯৮) এবং মৃত ব্যক্তির বন্ধু পরিবারের সাথে সদ্ব্যবহার করা (ছহীহ মুসলিম, হা/২৫৫২; আবূ দাঊদ, হা/৫১৪৩; তিরমিযী, হা/১৯০৩; মিশকাত, হা/৪৯১৭)। উল্লেখ্য যে, রামাযান কিংবা অন্য মাসে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে বাড়ী বাড়ী কুরআন খতম করাও বিদ‘আতী প্রথা। প্রত্যেক ব্যক্তি রামাযানে বেশী বেশী কুরআন তেলাওয়াত করবে এটাই সুন্নাত (ছহীহ বুখারী, হা/৪৯৯৭)। তাছাড়া অন্যের জন্য কুরআন তেলাওয়াত করার কোন বিধান নেই।


প্রশ্নকারী : আব্দুল হান্নান, লক্ষ্মীপুর।




প্রশ্ন (১৫) : আক্বীক্বার পশু কুরবানীর পশুর ন্যায় মুসিন্নাহ হওয়া যরূরী কি? আর আক্বীক্বার গোশত কয়ভাগে ভাগ করতে হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১২) : শায়খ ড. রাবী ইবনে হাদী আল মাদখালী সম্পর্কে জানতে চাই। তিনি সালাফী মানহাজ থেকে বের হয়ে গেছেন এমন দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : স্ত্রী ছালাত আদায় না করলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : ইসলামে কুরআন অবমাননাকারীদের শাস্তি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : কোন ব্যক্তি যদি একটি বা দু’টি মাস’আলার কারণে মাযহাব ত্যাগ করে ছহীহ আক্বীদা গ্রহণ করে, তাহলে কি সে মুশরিক হয়ে যাবে? তার উপর কি জান্নাত হারাম হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ছালাতে কেউ রুকূ‘ পেল কিন্তু সূরা ফাতিহা পড়তে পারল না। এমতাবস্থায় তার উক্ত রাক‘আত গণ্য হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : বেশি নেকীর আশায় বড় মসজিদে গমন করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : আমাদের এলাকায় অনেকেই ফজর ছালাতের পর ১৯ বার ‘বিসমিল্লা-হ’ পাঠ করে থাকে। এটা কতটুকু শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : সকল কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়ার সাথে সাথে দরুদে ইবরাহীম ছওয়াবের আশায় পড়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন আল্লাহ তা‘আলা যমীন সৃষ্টি করলেন তখন তা দুলতে লাগল। অতঃপর পাহাড়গুলো সৃষ্টি করে সেগুলো পৃথিবীর উপর স্থীর করেন। অতঃপর পৃথিবী স্থীর হয়ে গেল। ফেরেশতাগণ পাহাড়ের এ শক্তি দেখে আশ্চর্যান্বিত হলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পাহাড় অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? আল্লাহ বললেন, হ্যাঁ; আর সেটা লোহা। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করল, হে প্রভু! আপনার সৃষ্টির মধ্যে লোহা অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আগুন। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে আগুন অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; পানি। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে পানি অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; বাতাস। অতঃপর তারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টির মধ্যে বাতাস অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী আর কোন সৃষ্টি আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ; আদম সন্তান। যে তার ডান হাতে দান করে আর দানকে বাম হাত হতে গোপন রাখে। এ ঘটনাটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : সহশিক্ষা আছে এমন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা এবং শিক্ষা গ্রহণ করা কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : একই পশুতে কুরবানী ও আক্বীক্বার নিয়ত করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ