বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
উত্তর : একজন মুসলিমের উচিত যে, তার ইবাদত ও আনুগত্যের উদ্দেশ্য হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা এবং তার নিয়ত যেন একান্তভাবে সেই উদ্দেশ্যেই নিবদ্ধ থাকে। কিন্তু কেউ যদি ইবাদত বা আনুগত্যের কাজ করে দুনিয়াবী স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে, তাহলে তার অবস্থা দুই রকম হতে পারে-
প্রথম অবস্থা : যদি দুনিয়ার ফলই তার একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হয়, যেমন সে ছিয়াম পালন করে কেবল শরীরচর্চা বা ওযন কমানোর জন্য! জিহাদে অংশগ্রহণ করে শুধু যুদ্ধলব্ধ সম্পদ পাওয়ার জন্য, দান করে শুধু মানুষের প্রশংসা পাওয়ার আশায় ইত্যাদি, তাহলে তার জন্য আখেরাতে কোন অংশ নেই। মহান আল্লাহ বলেন, যারা শুধু পার্থিব জীবন ও তার সৌন্দর্য কামনা করে, আমি তাদেরকে তাদের কৃতকর্মসমূহ (এর ফল) পৃথিবীতেই পরিপূর্ণরূপে প্রদান করে দিই এবং সেখানে তাদের জন্য কিছুই কম করা হয় না। এরা এমন লোক যে, তাদের জন্য পরকালে জাহান্নাম ছাড়া আর কিছুই নেই, আর তারা যা কিছু করেছে, তা সবই পরকালে নিষ্ফল হবে এবং যা কিছু করে থাকে, তাও নিরর্থক হবে’ (সূরা হূদ : ১৫-১৬)।

ইমাম ইবনু জারীর আত্ব-ত্বাবারী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ছিয়াম, ছালাত বা রাত্রিতে তাহাজ্জুদের মত কোন নেক কাজ করে শুধু দুনিয়া লাভের আশায়, আল্লাহ বলেন, ‘আমি তাকে দুনিয়াতে তার কাম্য প্রতিদান দিয়ে দিই, কিন্তু তার সেই আমল বাতিল হয়ে যায়, কারণ সে তা দুনিয়ার উদ্দেশ্যে করেছে এবং আখিরাতে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে’ (তাফসীর জামিঊল বায়ান, ১২/৩৪৭ পৃ.)। ইমাম কুরতুবী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যদি ইবাদতের প্রেরণা আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া দুনিয়ার কোন কিছু প্রাপ্তি হয়, তবে তা ইবাদত নয়, বরং তা এক ধরণের গোনাহ, যা মানুষকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। এটি কখনও কুফরী হয়- অর্থাৎ বড় শিরক, আর কখনও এটি হয় রিয়া (দেখানোর জন্য করা কাজ) অর্থাৎ ছোট শিরক। এটি তখন হয়, যখন ইবাদতের মূল প্রেরণা হয় দুনিয়াবী স্বার্থ, এমনভাবে যে যদি সেই দুনিয়ার স্বার্থ না থাকত, তবে সে কাজটি করতই না (আল-মুফহিম লিমা আশকালা মিন তালখিসী ছহীহ মুসলিম, ১২/৫০ পৃ.)।

দ্বিতীয় অবস্থা : যদি কেউ তার আমল দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে, কিন্তু একই সঙ্গে ঐ আমলের সাথে সম্পর্কিত বৈধ দুনিয়াবী সুফল বা উপকার লাভেরও ইচ্ছা রাখে- যেমন: আল্লাহর জন্য ছিয়াম পালন করে, কিন্তু এর সাথে স্বাস্থ্য রক্ষারও উদ্দেশ্য রাখে। আল্লাহর পথে জিহাদ করে, কিন্তু গনীমাত (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) লাভের আশাও রাখে। আল্লাহর জন্য যাকাত দেয়, তবে এর মাধ্যমে বরকত ও সম্পদের বৃদ্ধি কামনা করে। আল্লাহর জন্য দান করে, কিন্তু এর মাধ্যমে রোগমুক্তিরও আশা রাখে। আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, তবে আশা রাখে দীর্ঘায়ু ও রিযিক্বের প্রশস্ততা পাওয়ার। এমতাবস্থায় বিধান নির্ভর করবে কোন উদ্দেশ্যটি তার উপর অধিক শক্তিশালী।

(১) যদি মুখ্য ও প্রবল উদ্দেশ্য হয় আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও তাঁর কাছ থেকে পরকালীন প্রতিদান পাওয়া, তবে তাতে কোন দোষ নেই। ত্বাহির ইবনে আশূর (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘যদি কারও মধ্যে কোন তাৎক্ষণিক পার্থিব স্বার্থ থাকে, আর তা ইবাদতের অনুষঙ্গ হিসাবে ঘটেছে, অর্থাৎ সেটাই তার মূল উদ্দেশ্য নয়Ñ তবে তা ক্ষমাযোগ্য। বিশেষ করে যদি বিষয়টি এমন হয় যে, তা মানবপ্রকৃতি থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকতে পারে না, অথবা যদি তা ইবাদত বৃদ্ধি করতে সহায়ক হয়’ (আত-তাহরীর ওয়াত-তানবীর, ২৩/৩১৮ পৃ.)। শাইখ আব্দুর রহমান আস-সা’দী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘কোন ব্যক্তি তার আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকালীন প্রতিদান কামনা করে, পাশাপাশি দুনিয়ার কিছু প্রতিদানও আশা করে, তাতে কোন ক্ষতি নেই। কারণ আল্লাহ তাঁর হিকমত ও রহমতের ভিত্তিতে দুনিয়া ও আখিরাত উভয়েরই প্রতিদান কর্মের সাথে সংযুক্ত করেছেন এবং এ প্রতিদানের আশ্বাস দিয়েছেন, যাতে মানুষেরা উৎসাহিত হয় ও সৎকর্মে তাদের মনোবল বৃদ্ধি পায়। যেমনভাবে গুনাহ ও অপরাধের জন্য শাস্তির বর্ণনা মানুষকে ভীতি প্রদর্শন করে এবং তা থেকে বিরত রাখে। অতএব, একজন সত্যিকারের মুমিন তার করা ও বিরত থাকা উভয় ক্ষেত্রেই একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যেই হয়ে থাকে এবং কর্মে থাকা বিভিন্ন প্রকার প্রেরণা দ্বারা সেই উচ্চতম উদ্দেশ্যেই সহায়তা গ্রহণ করে’ (বাহজাতু কুলুবিল আবরার, পৃ. ২৭৩)।

(২) কিন্তু যদি দুনিয়াবী উদ্দেশ্যই তার প্রধান প্রেরণা হয়, তাহলে সে কোন ছাওয়াব পাবে না। শাইখ ইবনু উছাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) পূর্বোক্ত কথার পরবর্তী অংশে বলেন, ‘যদি কারও মধ্যে ইবাদতের নিয়ত অপেক্ষা দুনিয়াবী উদ্দেশ্যই প্রাধান্য পায়, তাহলে তার আখিরাতে কোন ছাওয়াব নেই, বরং সে শুধু দুনিয়াতে যা অর্জন করেছে, তাই তার প্রতিদান। আমি আশঙ্কা করি, এতে সে গুনাহগার হতে পারে- কারণ সে আল্লাহ্র ইবাদত, যা সর্বোচ্চ লক্ষ্য, তাকে তুচ্ছ দুনিয়া অর্জনের উপায়ে পরিণত করেছে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আর তাদের মধ্যে এমন কতক লোক রয়েছে যারা ছাদাক্বার (বণ্টন) ব্যাপারে তোমার প্রতি দোষারোপ করে। অতঃপর যদি তারা ঐ সমস্ত ছাদাক্বাহ হতে (অংশ) প্রাপ্ত হয়, তাহলে তারা সন্তুষ্ট হয়, আর যদি তারা তা থেকে (অংশ) না পায়, তাহলে ক্ষুব্ধ হয়’ (সূরা আত-তাওবা : ৫৮)। ছহীহ বুখারী ও ছহীহ মুসলিমে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় কাজের প্রাপ্য হবে নিয়ত অনুযায়ী। আর মানুষ তার নিয়ত অনুযায়ী প্রতিফল পাবে। যে ব্যক্তি দুনিয়ায় কোন কিছু প্রাপ্তির জন্য হিজরত করে বা কোন নারীকে বিয়ে করার জন্য, তার হিজরত সেই উদ্দেশ্যেই গণ্য হবে যার জন্য সে হিজরত করেছে’ (ছহীহ বুখারী, হা/০১, ৫৪, ২৫২৯, ৩৮৯৮, ৫০৭০, ৬৬৮৯, ৬৯৫৩; ছহীহ মুসলিম, হা/১৯০৭)।

(৩) আর যদি তার দু’টি উদ্দেশ্যই (ইবাদত ও দুনিয়া) সমান থাকে, অর্থাৎ কোনটি প্রাধান্য পায় না, তবে এ বিষয়ে মতভেদ আছে। তবে সবচেয়ে সঠিক মত হল, তার কোন ছাওয়াব নেই, যেমন সেই ব্যক্তি যে আল্লাহর জন্যও কাজ করে এবং অন্য কারও জন্যও করে (মাজমূঊ ফাতাওয়া ও রাসাইল ইবনে উছাইমীন, ১/৯৯ পৃ.)।

আল্লাহ তা‘আলার হিকমতের অংশ হল- তিনি ইবাদতের জন্য পার্থিব ফলও নির্ধারণ করেছেন, যা ঐ ইবাদতেরই বরকত। তিনি কুরআনে এসব ফলাফলের কিছু উল্লেখ করেছেন যাতে মানুষ তাতে উৎসাহিত হয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যে কেউ ইহকালের পুরস্কার কামনা করে (সে জেনে রাখুক যে), আল্লাহর কাছে ইহকাল ও পরকাল উভয় জগতেরই পুরস্কার রয়েছে। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা’ (সূরা আন-নিসা : ১৩৪)। এইসব দুনিয়াবী সুফলের বর্ণনা মানুষকে কর্মে আগ্রহী করে তোলে। আর আল্লাহর উদারতা এমন যে, তিনি তাদেরকে পুরস্কৃত করেন, যারা কেবল তাঁর সন্তুষ্টি কামনা করে উভয় জগতেই, ‘অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়ার পুরস্কার ও উত্তম আখিরাতের প্রতিদান দান করেছেন’ (সূরা আলে ইমরান : ১৪৮)। তাকে নিন্দা করা হয় না, যে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আখিরাতে ছাওয়াব প্রাপ্তির উদ্দেশ্যই কাজ করে এবং দুনিয়ার সুফলকে শুধু অনুষঙ্গ হিসাবে দেখে বরং নিন্দনীয় সে ব্যক্তি, যে কেবল দুনিয়ার জন্যই ইবাদত করে বা যার উপর দুনিয়াবী উদ্দেশ্য প্রাধান্য পায়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘মানুষের মধ্যে কেউ কেউ বলে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়াতেই দাও’, তার জন্য আখিরাতে কোন অংশ নেই। আর কেউ বলে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দাও, আখিরাতেও কল্যাণ দাও এবং আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা কর’ (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২০০-২০১)।

দুনিয়াবী সুফলের প্রলোভন দিয়ে উৎসাহিত করার বহু শারঈ দৃষ্টান্ত রয়েছে। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয় তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তোমাদের সম্পদ ও সন্তান বৃদ্ধি করবেন, তোমাদের জন্য বাগানসমূহ সৃষ্টি করবেন এবং নদীসমূহ প্রবাহিত করবেন’ (সূরা আন-নূহ : ১০-১২)। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘যে কেউ সৎকর্ম করবে, পুরুষ বা নারী, আর সে ঈমানদার হবে, আমি অবশ্যই তাকে দুনিয়াতে উত্তম জীবন দান করব’ (সূরা আন-নাহল : ৯৭)। তিনি আরো বলেন, ‘আর যদি জনপদের লোকেরা ঈমান আনত ও তাক্বওয়া অবলম্বন করত, তবে আমরা তাদের জন্য আসমান ও যমীনের বরকতসমূহ উন্মুক্ত করে দিতাম’ (সূরা আল-আ‘রাফ : ৯৬)। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘হজ্জ ও উমরাহ একের পর এক সম্পন্ন করো, কেননা এগুলো দারিদ্র্য ও গুনাহ দূর করে, যেমন ভাটার আগুন লোহা, সোনা ও রূপার ময়লা দূর করে। আর মাক্ববূল হজ্জের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া কিছুই নয়’ (নাসাঈ, হা/২৬৩০; ইবনু মাজাহ, হা/২৮৮৭; সিলসিলা ছহীহাহ, হা/১২০০)।

উপরিউক্ত আলোচনার ভিত্তিতে প্রমাণিত হয় যে, যে ব্যক্তি ইবাদত করে শুধু আল্লাহর জন্য এবং কেবল আখিরাতের ছাওয়াবের উদ্দেশ্যে- সে নিঃসন্দেহে অধিক পরিপূর্ণ, উত্তম এবং বেশি ছাওয়াবপ্রাপ্ত- সেই ব্যক্তির তুলনায়, যে কিছু দুনিয়াবি কল্যাণও নিয়তে রাখে, যদিও তা অনুষঙ্গ মাত্র (ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-২২৮৪৫৪)।

প্রশ্নকারী : ইকবাল, পিরোজপুর।




প্রশ্ন (৩৮) : গরু বা উট ভাগে কুরবানী দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : আমার একটি পাঠা ছাগল আছে, যেটি আমি প্রজননের জন্য রেখেছি। আশেপাশের লোকজন তাদের ছাগলকে প্রজনন করানোর জন্য নিয়ে আসে এবং এজন্য তারা আমাকে কিছু টাকা দেয়। এটা গ্রহণ করা জায়েয হবে কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : একই আমল একাধিক নিয়তে করা যাবে কি? যেমন আইয়ামে বীযের ছিয়ামের তারিখে মাঝেমধ্যে সোম বা বৃহস্পতিবার পড়ে, এছাড়াও অন্যান্য অনেক আমল রয়েছে, যা আমল দেখতে একই কিন্তু তার ফযীলাত ভিন্ন ভিন্ন। তাহলে  সেই আমল একাধিক ফযীলত লাভের নিয়তে করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : যালেম বা অত্যাচারী ব্যক্তির দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : জামা‘আতে ছালাত আদায় করলে সালাম ফেরানোর সময় কাকে সালাম দেয়া হয়, আর একাকী ছালাত আদায় করলে কাকে সালাম দেয়া হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : পরবর্তীতে মূল্য বৃদ্ধির আশায় আলু-পেঁয়াজ ইত্যাদি নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য স্টক রাখার ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : কুরবানী দেয়ার জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী হতে হবে কি? আবার নিসাব পরিমাণ সম্পদ হলে কি কুরবানী ওয়াজিব হয়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : জনৈক বক্তা বলেন, আশূরার দিনেই ক্বিয়ামত হবে। উক্ত দাবী কি  শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : সর্বশেষ মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি কবরে কতদিন থাকবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : ‘তাওহীদে আসমা ওয়াছ ছিফাত’ কাকে বলে এবং এর দাবি কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৫) : কোন্ দু‘আ পড়লে সারাদিন যিকির করার নেকী পাওয়া যায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : জনৈক ব্যক্তি মানত করেছিল যে, পুত্র সন্তান হলে একটি ইসলামী জালসা করবে। প্রশ্ন হল- গ্রামের ইসলামী জালসায় টাকা দিয়ে অংশগ্রহণ করলে উক্ত মানত পূর্ণ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ