উত্তর : ফেসবুক, ইমো, টুইটারসহ যেকোনো উপায়ে, পরোক্ষ এবং অপরোক্ষ কোনোভাবেই বেগানা যুবক-যুবতীর মাঝে নিষ্কাম বন্ধুত্ব হারাম। তাদের আপোসে পত্রালাপ ও রসালাপ হারাম। ইনগেইজমেন্ট (বাগদান) হয়ে গেলেও বিবাহ বন্ধন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যেমন তাদের মাঝে দেখা-সাক্ষাৎ হারাম তেমনি চিঠি, মেসেজের মাধ্যমে কথা বলা, হৃদয়ের আদান-প্রদানও হারাম। যেহেতু তাতে ফিতনার আশষ্কা রয়েছে। আর ফিতনা ও দাজ্জাল থেকে মুমিনকেও দূরে থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে (আহমাদ, ৪/৪৩১, ৪৪১; আবূ দাঊদ, হা/৪৩১৯)।
রাসূল (ﷺ) বলেন, ‘নিশ্চয় শয়তান মানুষের রক্তের শিরায় শিরায় চলাচল করে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৩২৮১)। আল্লাহ বলেন, ‘হে নবীর স্ত্রীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও (ইহুদী খৃষ্টান)। তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় পাও তবে আকর্ষণধর্মী ভঙ্গিতে কথা বল না, যাতে যাদের মাঝে যৌনলিপ্সা আছে তারা তোমাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। বরং তোমরা স্বাভাবিক কথা বল এবং তোমরা অবস্থান কর স্বীয় বসবাসের গৃহে, জাহেলি যুগের মেয়েদের মত নিজেদের প্রকাশ করো না...’ (আল-আহযাব: ৩২-৩৩)। অন্য হাদীছে রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘কোন পুরুষ যেন কোন (বেগানা) নারীর সাথে মাহরাম ব্যতীত একত্রে না থাকে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৪৯৩৫)। উমার (ﷺ) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘কোন পুরুষ অপর (মাহরাম তথা বিবাহ বৈধ এমন) নারীর সাথে নিঃসঙ্গে দেখা হলেই শয়তান সেখানে তৃতীয় জন হিসাবে উপস্থিত হয়’ (তিরমিযী, হা/১১৭১; মিশকাত, হা/৩১১৮)।
প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ, লালবাগ শহীদ নগর, ঢাকা।