বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
উত্তর : শরী‘আতের বিধান হচ্ছে আক্বীদা দিয়ে দাওয়াতী কাজ শুরু করা। যেভাবে আমাদের নবী (ﷺ) সহ অন্য সকল নবী-রাসূলও শুরু করেছিলেন। আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, মু‘আয ইবনু জাবাল (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে ইয়ামানের (শাসক নিয়োগ করে) পাঠানোর সময় আল্লাহর রাসূল (ﷺ) তাঁকে বলেছিলেন, তুমি অচিরেই আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের নিকট যাচ্ছ। কাজেই তাদের কাছে যখন পৌঁছবে তখন তাদেরকে এ কথার দিকে দাওয়াত দিবে, ‘তারা যেন সাক্ষ্য দিয়ে বলে যে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান রাসূলুল্লাহ’ অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহ‌র প্রেরিত রাসূল। যদি তারা তোমার এ কথা মেনে নেয় তবে তাদের বলবে যে, আল্লাহ তাদের উপর দিনে রাতে পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত ফরয করেছেন। যদি তারা এ কথাও মেনে নেয় তবে তাদের বলবে যে, আল্লাহ তাদের উপর ছাদাক্বা (যাকাত) ফরয করেছেন, যা তাদের ধনীদের নিকট হতে গ্রহণ করা হবে এবং অভাবগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণ করে দেয়া হবে। তোমার এ কথা যদি তারা মেনে নেয়, তবে (কেবল) তাদের উত্তম মাল গ্রহণ হতে বিরত থাকবে এবং মযলুমের বদ-দু‘আকে ভয় করবে। কেননা, তার (বদ-দু‘আ) এবং আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না’ (ছহীহ বুখারী, হা/১৪৯৬, ৪৩৪৭; ছহীহ মুসলিম, হা/১৯)।

দাওয়াতের টার্গেটকৃত শ্রেণী যদি কাফির হয়, তাহলে তাদের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতিটি প্রযোজ্য। আর দাওয়াতের টার্গেটকৃত শ্রেণী যদি মুসলিম হয়, তাহলে দ্বীনের যে বিষয়গুলো সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়গুলো তারা জানে না অথবা যে বিষয়গুলোতে তারা অবহেলা করে সে বিষয়গুলো তাদেরকে জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে গুরুত্বের বিবেচনা থেকে ক্রমধারা অবলম্বন করতে হবে এবং সঠিক স্থানে ও উপযুক্ত সময়ে তাদের দাওয়াত দিতে হবে (ফাতাওয়া আল-লাজনাহ আদ-দায়িমাহ, ১২/২৩৮ পৃ.; ইসলাম সাওয়াল ওয়া জাওয়াব, ফৎওয়া নং-১০২৬১, ১৭০৩)।


প্রশ্নকারী : ইমতিয়াজ, গোপালগঞ্জ।





প্রশ্ন (৩০) : ‘ফাজায়েলে আমল’ নামক বইয়ের ৪৭৭ নং পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে যে, ‘শিশুদেরকে সর্বপ্রথম ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু’ বাক্য শিক্ষা দাও এবং মৃত্যুর সময়ও ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু’ তালক্বীন করাও। কারণ যার প্রথম এবং শেষ বাক্য ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ হবে, সে এক হাজার বছর বেঁচে থাকলেও একটি পাপ সম্পর্কেও তাকে জিজ্ঞেস করা হবে না’। উক্ত বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩): জনৈক আলেম বলেন, জুম‘আর দিন মুসলিমদের জন্য ঈদের দিন। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : হাজারে আসওয়াদকে স্পর্শ করার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : জনৈক বক্তা বলেন, যে ব্যক্তি চারটি রাত জাগবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে- মিনা, আরাফা, ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের রাত। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : কোন মহিলা বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হলে স্বামীর অনুমতি ছাড়াই বাইরে চলে যায়। স্বামীর অনুমতির প্রয়োজন মনে করে না। এক্ষেত্রে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : যারা পানের সাথে সাদা পাতা খায় এবং ২০ বছর বা ২৫ বছর ধরে ছালাত আদায় করে, তাদের ছালাত কবুল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : পড়ার জন্য আমার সংগ্রহে অনেক বইয়ের পিডিএফ আছে। আমি জানি না যে, প্রকাশনী বা লেখক থেকে এগুলোর অনুমোদন আছে কি নেই। যদি না থাকে তাহলে সেগুলো পড়া বা সংগ্রহে রাখা কি গুনাহ হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৮) : গাছে, পাথর, পশুপাখির দেহে ইত্যাদি জায়গায় ‘আল্লাহ’ লেখা দেখতে পাওয়া যায়। এগুলো অনেকে ফেসবুকে প্রচার করে থাকে। এগুলো সম্পর্কে ইসলামের বক্তব্য কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : স্বামীর অবর্তমানে ব্যবসায়িক বিষয়ে মহিলারা কি পর-পুরুষের সাথে কথা বলতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : অনেকেই গ্রামের বাড়ির আশেপাশে থেকে ছোট ছোট মাছ ধরে থাকে। এসব মাছ কেউ চাষ করে না কিংবা টাকা দিয়ে জমিতে ছাড়েও না। জমির মালিকের অনুমতি ছাড়া এসব মাছ ধরা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : ইসলামের দৃষ্টিতে মধ্যমপন্থার মূল্যায়ন কেমন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : গীবত করা যেনার চেয়ে বড় পাপ। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ