রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
উত্তর : হিন্দুরা মূর্তিপূজার মত সবচেয়ে ঘৃণিত কাজ করে, যা সুস্পষ্ট শিরক। আর শিরক এতটাই ভয়ানক অপরাধ যে,  এটির কারণে মহান আল্লাহ সবচেয়ে বেশি ক্রোধান্বিত হন এবং এই অপরাধ তিনি কাউকে ক্ষমা করবেন না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন’ (সূরা আন-নিসা: ৪৮)। সুতরাং কোনও মুসলিমের জন্য জঘন্য শিরকের কাজে কোনও ভাবেই সহায়তা করা বৈধ নয়। অতএব হিন্দুদের পূজা উপলক্ষে ফার্নিচার, মাইক, গাড়ি ইত্যাদি ভাড়াও দেয়া যাবে না। মোটকথা, পূজার কাজে ব্যবহার করার জন্য কোন বস্তু বা উপকরণ তাদের কাছে বিক্রয় করা বা ভাড়া দেয়া বৈধ নয়। কারণ তা শিরকের কাজে সহায়তার শামিল (সূরা আল-মায়িদাহ: ২)। তবে সিসি ক্যামেরা ভাড়া দেয়া যেতে পারে। কারণ তা মুসলিম-হিন্দু সকলের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজন। কেননা অনেক সময় কিছু স্বার্থান্বেষী অমুসলিম মুসলিম সেজে পূজা মণ্ডপে আক্রমণ চালিয়ে মুসলিমদের উপর তার দোষ চাপিয়ে দিতে পারে। সিসি ক্যামেরা থাকলে হয়ত এমন চক্রান্ত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। সুতরাং বৃহত্তর স্বার্থে এতে কোন সমস্যা নেই। শায়খ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘কোনও মুসলিম পুরুষ-নারীর জন্য ইহুদি-খ্রিস্টান বা অন্যান্য কাফেরদের উৎসবে অংশগ্রহণ করা ও সহযোগিতা করা জায়েয নয়, বরং তা বর্জন করা আবশ্যক। কারণ যে ব্যক্তি অন্য কোনও জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে তাদের দলভুক্ত হিসাবে গণ্য হবে’। রাসুল (ﷺ) আমাদেরকে তাদের সাদৃশ্য অবলম্বন ও চরিত্র গ্রহণ করার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। সুতরাং ইমানদার নারী-পুরুষের জন্য এ বিষয়ে সাবধান হওয়া যরূরী। এ উৎসব পালনে তাদেরকে কোনভাবেই সাহায্য করা বৈধ নয়। কেননা এগুলো শরী‘আত বিরোধী উৎসব। সুতরাং তাতে অংশগ্রহণ করা জায়েয নেই এবং তাদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করা বৈধ নয়। চা, কফি, হাড়ি-পাতিল ইত্যাদি দ্বারাও সহায়তা করা যাবে না। আল্লাহ তা'আলা বলেন, وَ تَعَاوَنُوۡا عَلَی الۡبِرِّ وَ التَّقۡوٰی ۪ وَ لَا تَعَاوَنُوۡا عَلَی الۡاِثۡمِ وَ الۡعُدۡوَانِ ‘আর তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতি কাজে একে অন্যের সহায়তা কর। পাপ ও সীমালঙ্ঘনের ব্যাপারে একে অন্যের সহায়তা করো না’ (সূরা আল-মায়িদাহ: ২)। আর কাফেরদের সাথে তাদের উৎসবে অংশগ্রহণ করা তাদেরকে গুনাহ এবং সীমালঙ্ঘনের কাজে সহায়তার শামিল’ (মাজমূঊ ফাতাওয়া লিইবনি বায, ৬/৪০৫ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : সাব্বির, বাগাতিপাড়া, নাটোর।





প্রশ্ন (৩) : আমার এলাকার জনৈক ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত ছালাতও আদায় করেন আবার মসজিদের বাইরে গিয়ে গীবতও করেন। তার ছালাত হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : কুরআন তেলাওয়াত করে মৃতের উপর ছাওয়াব বখশিয়ে দিলে সেই ছাওয়াব কি তারা পান? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : প্রবাসী ব্যক্তি ফিতরা কি প্রবাসেই আদায় করবে? না-কি দেশে পরিবারের মাধ্যমে আদায় করবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : কিছু কিছু মসজিদে ক্বিবলার দিক নিয়ে সমস্যা রয়েছে। কম্পাস অনুযায়ী ঠিক ক্বিবলার দিকে পড়ে না। এক্ষণে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন প্রণীত ‘জান্নাতের দুই রাস্তা : তাকওয়া ও তওবা’ শীর্ষক বইয়ে ‘আওলিয়াগণ আল্লাহপাকের ‘শানে-মাগফেরাত’-এর তাজাল্লীগাহ’ আলোচনায় বলা হয়েছে, আল্লাহওয়ালারা আল্লাহপাকের ‘ছিফাত‘-এর মাযহার’ তথা আল্লাহপাকের গুণাবলীর প্রকাশস্থল। এই কথার ভেতরে কি শিরক আছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মৃত বা জীবিত ব্যক্তির পক্ষ থেকে বদলী ওমরাহ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : প্রতিবেশীরা বিভিন্ন হারাম কাজের সঙ্গে জড়িত। তাদের কিছু হালাল উপার্জন থাকলেও তা হারাম মিশ্রিত। তারা অনেক সময় খাবার হাদিয়া পাঠায়। কিন্তু সেটা হালাল না হারাম থেকে দিয়েছে তা বুঝা যায় না। তাদের দেয়া উক্ত খাবার খাওয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : আমার মা রক্তের সম্পর্কের বহির্ভূত এক জনের সাথে কথা বলেন। মাকে তিনি ‘ভাবী’ বলেন এবং আমার মা তাকে ‘ভাই’ বলেন। আমাদের বাড়িতে আসেন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা সামনাসামনি হয়ে কথা বলেন। এখন সন্তান হিসাবে আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪): উটপাখির গোশত খাওয়া কি জায়েয? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : দুধ বোনের ভাই-বোন মাহরাম হবে কি? তাদের সাথে দেখা করার শারঈ পদ্ধতি কি হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২) : ‘আমার পরে কেউ যদি নবী হত, তাহলে ওমরই হত’- বক্তব্যটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : আমার স্ত্রীর বিয়ের পূর্বে এক ছেলের সাথে গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঐ ছেলের দ্বারা সে গর্ভবতী হয়। এ অবস্থায় মেয়ের পরিবার বিষয়টি গোপন রেখে তড়িঘড়ি করে ২ মাসের গর্ভবতী মেয়েকে আমার সাথে বিয়ে দেয়। মেয়ে মনের বিরুদ্ধেই পরিবারের চাপে আমার সাথে বিয়ে করে, কিন্তু স্বামীকে মন থেকে মেনে নেয় না। এক সময় বাচ্চা হয়। সেই মেয়ে পূর্ব প্রেমিককে ভুলে থাকতে পারে না। স্বামীর অগোচরে পূর্ব প্রেমিককে সাথে মোবাইলে, ইমোতে, কল ও ভিডিও পরকীয়ার সম্পর্ক চালিয়ে যায়। মেয়ে  নিজেই স্বীকার করে বলে যে, বাচ্চা পূর্ব প্রেমিকের। এমতাবস্থায় কয়েকটি প্রশ্ন হল- মেয়ে যেহেতু যিনাকারিণী এবং বিয়ের সময় গর্ভবতী ছিল, তাই আমার বিবাহ কি ছহীহ হয়েছিল? এমতাবস্থায় এ মেয়েকে নিয়ে সংসার করা কি জায়েয? মেয়ে আত্মস্বীকৃত চরিত্রহীন এবং বাচ্চাটাও আমার না তাই আমি তাকে ডিভোর্স দিয়েছি। এতে কী আমি তার ওপর যুল্ম করেছি? অবৈধ বাচ্চার হুকুম কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ