বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
উত্তর : খাবারের ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো হালাল ও মুবাহ (আল মাবসূত্ব, ২৪/৬৮; রওযাতু ত্বালিবীন, ৩/২৭১; আল-ইনসাফ, ১০/২৬৬)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ہُوَ الَّذِیۡ خَلَقَ لَکُمۡ مَّا فِی الۡاَرۡضِ جَمِیۡعًا ‘তিনিই যমীনে যা আছে সব তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ২৯)। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘হে লোক সকল! পৃথিবীতে যা কিছু বৈধ ও পবিত্র খাদ্যবস্তু রয়েছে, তা থেকে তোমরা আহার কর’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১৬৮)। ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন,

كَانَ أَهْلُ الْجَاهِلِيَّةِ يَأْكُلُوْنَ أَشْيَاءَ وَيَتْرُكُوْنَ أَشْيَاءَ تَقَذُّرًا، فَبَعَثَ اللهُ تَعَالَى نَبِيَّهُ ﷺ وَأَنْزَلَ كِتَابَهُ، وَأَحَلَّ حَلَالَهُ، وَحَرَّمَ حَرَامَهُ، فَمَا أَحَلَّ فَهُوَ حَلَالٌ، وَمَا حَرَّمَ فَهُوَ حَرَامٌ، وَمَا سَكَتَ عَنْهُ فَهُوَ عَفْوٌ وَتَلَا (قُلۡ لَّاۤ  اَجِدُ فِیۡ مَاۤ   اُوۡحِیَ  اِلَیَّ  مُحَرَّمًا) إِلَى آخِرِ الْآيَةِ

‘জাহিলী যুগের লোকেরা কিছু জিনিস খেতো এবং ঘৃণাবশত কিছু জিনিস পরিহার করতো। এ অবস্থায় আল্লাহ তাঁর নবী (ﷺ)-কে প্রেরণ করলেন এবং তাঁর কিতাব অবতীর্ণ করলেন এবং তাতে কিছু জিনিস হালাল করলেন ও কিছু জিনিস হারাম করলেন। তিনি যা হালাল করেছেন তা হালাল এবং যা হারাম করেছেন তা হারাম, আর যেগুলো সম্পর্কে নীরব থেকেছেন তাতে ছাড় দেয়া হয়েছে। অতঃপর ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) তিলাওয়াত করেন, قُلۡ لَّاۤ  اَجِدُ فِیۡ مَاۤ   اُوۡحِیَ  اِلَیَّ  مُحَرَّمًا ‘আপনি বলুন, আমার নিকট যে অহী এসেছে তাতে এমন কোন জিনিস পাইনি যা আহার করা কারো জন্য হারাম’ আয়াতের শেষ পর্যন্ত’ (আবূ দাঊদ, হা/৩৮০০, সনদ ছহীহ)।

সুতরাং যে খাবারে মানব দেহে কিছু ক্ষতি রয়েছে বিধায় সেটা হারাম এমটি বলা বা বুঝা ঠিক নয়। তবে একই খাবার কারোর জন্য ক্ষতিকর আবার কারোর জন্য সেটা ক্ষতিকর নয় আবার সেটা শারঈ দৃষ্টিতে হারামও নয়, যদিও ডাক্তারদের মতানুসারে সেটা খাওয়ানো ক্ষতিকর বলে বিবেচিত। এ জন্য হারামের দলীল না পাওয়া পর্যন্ত সেটাকে হারাম বলা যাবে না।


প্রশ্নকারী : লুতফাতুল ইসলাম নোবেল, মনোহরগঞ্জ, কুমিল্লা।





প্রশ্ন (২৫) : জুমু‘আর দিন অনেকে মুছল্লীদের খিচুড়ি খাওয়ায়। এর ফলে মসজিদে অনেক হৈচৈ হয়। মসজিদে এরূপ করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : ঘরের ভিতর বিছানা বিছানোর নির্দিষ্ট কোন দিক আছে কি? যেমন- পূর্ব-পশ্চিম না উত্তর-দক্ষিণ। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : হজ্জের সামর্থ্য থাকা বলতে কী বুঝায়? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : মুনাজাতের পর মুখে হাত মাসাহ করা কি বৈধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪) : এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ও দুই কন্যা রেখে মারা গেছেন। কোন পুত্র সন্তান নেই। এ ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি ওয়ারিছ হিসাবে কারা কতটুকু অংশ পাবে? মৃত ব্যক্তির ভাই বা বোন কি কোন অংশ পাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৪) : কোন্ কোন্ পোশাক পরিধান করা যাবে না? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : দুধ বোনের ভাই-বোন মাহরাম হবে কি? তাদের সাথে দেখা করার শারঈ পদ্ধতি কি হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : যে ব্যক্তির কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে এবং প্রতিদিন তার ডায়ালেসিস করতে হয়। সে ছিয়াম রাখতে পারবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : কুশপুত্তলিকা  বানানো যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : ফুটবল, ক্রিকেট কিংবা ভলিবল খেলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৮) : মাসজিদের পার্শ্ব ঘেষে কবরস্থান রয়েছে। জমির মালিককে বললেও কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না। পরে কবরস্থান ও মসজিদের মাঝে নেটের বেড়া দিয়েছে। এটা কি যথেষ্ট হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : সিজদাহ অবস্থায় পাগুলো কি একত্র থাকবে, না-কি ফাঁকা থাকবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ