রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : খাবারের ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো হালাল ও মুবাহ (আল মাবসূত্ব, ২৪/৬৮; রওযাতু ত্বালিবীন, ৩/২৭১; আল-ইনসাফ, ১০/২৬৬)। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ہُوَ الَّذِیۡ خَلَقَ لَکُمۡ مَّا فِی الۡاَرۡضِ جَمِیۡعًا ‘তিনিই যমীনে যা আছে সব তোমাদের জন্য সৃষ্টি করেছেন’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ২৯)। অন্যত্র তিনি বলেন, ‘হে লোক সকল! পৃথিবীতে যা কিছু বৈধ ও পবিত্র খাদ্যবস্তু রয়েছে, তা থেকে তোমরা আহার কর’ (সূরা আল-বাক্বারাহ: ১৬৮)। ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন,

كَانَ أَهْلُ الْجَاهِلِيَّةِ يَأْكُلُوْنَ أَشْيَاءَ وَيَتْرُكُوْنَ أَشْيَاءَ تَقَذُّرًا، فَبَعَثَ اللهُ تَعَالَى نَبِيَّهُ ﷺ وَأَنْزَلَ كِتَابَهُ، وَأَحَلَّ حَلَالَهُ، وَحَرَّمَ حَرَامَهُ، فَمَا أَحَلَّ فَهُوَ حَلَالٌ، وَمَا حَرَّمَ فَهُوَ حَرَامٌ، وَمَا سَكَتَ عَنْهُ فَهُوَ عَفْوٌ وَتَلَا (قُلۡ لَّاۤ  اَجِدُ فِیۡ مَاۤ   اُوۡحِیَ  اِلَیَّ  مُحَرَّمًا) إِلَى آخِرِ الْآيَةِ

‘জাহিলী যুগের লোকেরা কিছু জিনিস খেতো এবং ঘৃণাবশত কিছু জিনিস পরিহার করতো। এ অবস্থায় আল্লাহ তাঁর নবী (ﷺ)-কে প্রেরণ করলেন এবং তাঁর কিতাব অবতীর্ণ করলেন এবং তাতে কিছু জিনিস হালাল করলেন ও কিছু জিনিস হারাম করলেন। তিনি যা হালাল করেছেন তা হালাল এবং যা হারাম করেছেন তা হারাম, আর যেগুলো সম্পর্কে নীরব থেকেছেন তাতে ছাড় দেয়া হয়েছে। অতঃপর ইবনু আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) তিলাওয়াত করেন, قُلۡ لَّاۤ  اَجِدُ فِیۡ مَاۤ   اُوۡحِیَ  اِلَیَّ  مُحَرَّمًا ‘আপনি বলুন, আমার নিকট যে অহী এসেছে তাতে এমন কোন জিনিস পাইনি যা আহার করা কারো জন্য হারাম’ আয়াতের শেষ পর্যন্ত’ (আবূ দাঊদ, হা/৩৮০০, সনদ ছহীহ)।

সুতরাং যে খাবারে মানব দেহে কিছু ক্ষতি রয়েছে বিধায় সেটা হারাম এমটি বলা বা বুঝা ঠিক নয়। তবে একই খাবার কারোর জন্য ক্ষতিকর আবার কারোর জন্য সেটা ক্ষতিকর নয় আবার সেটা শারঈ দৃষ্টিতে হারামও নয়, যদিও ডাক্তারদের মতানুসারে সেটা খাওয়ানো ক্ষতিকর বলে বিবেচিত। এ জন্য হারামের দলীল না পাওয়া পর্যন্ত সেটাকে হারাম বলা যাবে না।


প্রশ্নকারী : লুতফাতুল ইসলাম নোবেল, মনোহরগঞ্জ, কুমিল্লা।





প্রশ্ন (২৯) : অমুসলিমের বাড়ী ভাড়া নেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৯) : প্রচলিত রয়েছে যে, ‘মুখলিছদের জন্য সুসংবাদ! তারা হিদায়াতের প্রদীপস্বরূপ। তাদের থেকে প্রত্যেক অন্ধকারাচ্ছন্ন ফিতনা দূর হয়ে যায়’। এই বর্ণনাটি কি বিশুদ্ধ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : ভয়াবহতা না জেনেই আমি ভুলক্রমে সমকামিতায় লিপ্ত হয়েছি। এখন আমার মনে হয় যে,  আমি আত্মহত্যা করি। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : বাচ্চাদের বদনযর থেকে রক্ষা পাওয়ার দু’আ এবং উপায়সমূহ কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১১) : স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ভালবাসা বৃদ্ধির জন্য তাবীয-কবয করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৪) : মসজিদের বিল্ডিংয়ের যেকোন তলায় পরিবারসহ ইমামের থাকার ব্যবস্থা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৮) : নারী-পুরুষ কি একসাথে চাকরি করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : কোন কারণে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেলে এবং সিজারের মাধ্যমে সন্তান ভূমিষ্ট হলে ঐ মহিলাদ্বয়ের ইদ্দতকাল কতদিন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৬) : মহিলাদের স্বপ্নদোষ হলে গোসল ফরজ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : কোন ব্যক্তি টাকা ধার নিয়ে সময়মত টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। যাকাত দেয়ার সময় উক্ত টাকা বাদ দিয়ে যাকাত দিলে হবে কি? উল্লেখ্য, যে টাকা ধার দেয়, সে দেয়ার সময়ই নিয়ত করে যে, যদি সেই ব্যক্তি কোন কারণে টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে উক্ত টাকা সে যাকাতের টাকা ধরে বাদ দিবে। এটা কি শরী‘আত সম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : আপেল ভিনেগার যদি বাড়িতে আপেল দিয়ে তৈরি করা হয়। সেটা কি হালাল হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৪২) : রজব মাসে ওমরাহ পালন করার বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ