বুধবার, ২২ Jul ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন
উত্তর :এটি উপমহাদেশে প্রচলিত একটি যুলুম প্রথা। এ নিয়ে সমাজপতি ও পাত্র পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডাও হয়। যেখানে ইসলাম বিবাহকে অধিকতর সহজ ও হালকা করতে বলেছে, সেখানে সামাজিকভাবে অর্থের জন্য চাপ সৃষ্টি করা উচিত নয়। আসলে অধিকতর হালকা বিবাহ বলতে ‘মোহরানা এবং ভরণ পোষণের ব্যয় কম হওয়াকে’ বুঝানো হয়েছে। ইমাম ইবনু কুদামা (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘উত্তম হল, বাড়াবাড়ি করে মোহরানা প্রদান না করা। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, أَعْظَمُ النِّسَاءِ بَرَكَةً أَيْسَرُهُنَّ مَئُوْنَةً ‘বরকতের দিক থেকে সর্বোত্তম নারী হল তারা যাদের খরচা বা চাহিদা অধিকতর কম’ (আহমাদ, হা/২৫৮৬১; আল-মুগনী, ৭/২১২ পৃ.)। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘সুন্নাত হল, মোহরানা হালকা করা। নবী (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদের জন্য এবং তাঁর মেয়েদের জন্য মোহরানা বৃদ্ধি করেননি (মাজমূঊল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়্যাহ, ৩২/১৯২ পৃ.)। ইমাম মুনাবী (রাহিমাহুল্লাহ) ও ইমাম ছান‘আনী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, خَيْرُ النِّكَاحِ أيْسَرُهُ ‘সর্বোত্তম বিবাহ হল সেটি যা অধিকতর সহজ। অর্থাৎ যার মোহরানা এবং ভরণ-পোষণের ব্যয় কম এবং তাড়াতাড়ি রাজি হয়ে যায়’ (ফায়যুল ক্বাদীর, ৩/৪৮২; আত-তানবীর, ২/৫০৩ পৃ.)। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেন, إِنَّ مِنْ يُمْنِ الْمَرْأَةِ: تَيْسِيْرَ خِطْبَتِهَا وَتَيْسِيْرَ صَدَاقِهَا وَتَيْسِيْرَ رَحِمِهَا ‘একজন সৌভাগ্যবান মহিলার বৈশিষ্ট্য হল তার বাগদান সহজ করা, তার মোহরানা সহজ করা এবং তার গর্ভধারণ সহজ করা’ (ছহীহুল জামি‘, হা/২২৩৫; ইরওয়াউল গালীল, ৬/৩৫০ পৃ.; তাখরীজুল মুসনাদ, হা/২৪৪৭৮; মাক্বাসিদুল হাসানাহ, ২৪৪)। উক্ববাহ ইবনু আমীর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, خَيْرُ النِّكَاحِ أيْسَرُهُ ‘সর্বোত্তম বিবাহ হল সেটি যা অধিকতর সহজ বা সহজে সম্পন্ন হয়’ (আবূ দাঊদ, হা/২১১৭; সনদ ছহীহ)।


প্রশ্নকারী : আমিনুল মোল্লা, ইন্ডিয়া।





প্রশ্ন (১৪) প্রবাসী ছেলে দেশে তার একাউন্টে টাকা জমা করে। যেখান থেকে বাবা টাকা খরচ করেন। কিন্তু ছেলে উক্ত টাকার যাকাত দিতে চায় না। সেক্ষেত্রে বাবাকে সেই টাকার যাকাত আদায় করতে হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩০) : ‘ফাজায়েলে আমল’ নামক বইয়ের ৪৭৭ নং পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে যে, ‘শিশুদেরকে সর্বপ্রথম ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু’ বাক্য শিক্ষা দাও এবং মৃত্যুর সময়ও ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু’ তালক্বীন করাও। কারণ যার প্রথম এবং শেষ বাক্য ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ হবে, সে এক হাজার বছর বেঁচে থাকলেও একটি পাপ সম্পর্কেও তাকে জিজ্ঞেস করা হবে না’। উক্ত বর্ণনাটি কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : হজ্জের সময় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করতে হয় কী কারণে? সেখানে কি শয়তানকে বেঁধে রাখা হয়েছে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ‘আদম সন্তানের সৌভাগ্য তিনটি আর দুর্ভাগ্যও তিনটি। সৌভাগ্য তিনটি হলো, দ্বীনদার-নেককার স্ত্রী, ভালো বাসস্থান, ভালো সওয়ারী বা বাহন। আর দুর্ভাগ্য তিনটি হলো, খারাপ স্ত্রী, খারাপ বাসস্থান ও খারাপ সওয়ারী’ (মুসনাদে আহমাদ)। হাদীছটি কী ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৯) : আমার স্বামী আমাকে পর্দা করতে বাধা দেয়, এমতাবস্থায় আমার করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : ইবনু মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, ‘কষ্ট যদি একটি গর্তেও প্রবেশ করে, স্বস্তি একে অনুসরণ করে এতে প্রবেশ করবে’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান) মর্মে বর্ণানটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : পেশাব করার পর ঢিলা কুলুখ নেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩) : যদি কেউ নির্দিষ্ট সময়ে ইফতার না করে সতর্কতাবশতঃ ৫/৭ মিনিট পরে ইফতার করে ,তাহলে তার কোন গুনাহ অথবা ছিয়ামের কোন ক্ষতি হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : তিন ব্যক্তির দু‘আ কবুল হয় না; যে তার চরিত্রহীনা স্ত্রীকে ত্বালাক্ব দেয় না, যে ঋণ প্রদান করে সাক্ষী রাখে না এবং যে মূর্খ বা বুদ্ধিহীন ব্যক্তি (অপচয়কারী)-এর হাতে অর্থ প্রদান করে। উক্ত হাদীছ কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৫) : আল্লাহ চিরস্থায়ী। কিন্তু যেসকল মানুষ শিরক করে মারা যায় তারা তো চিরস্থায়ী জাহান্নামী এবং যারা প্রকৃত মুসলিম তারা চিরস্থায়ী জান্নাতী। তাহলে আল্লাহর চিরস্থায়ীত্বের সাথে মানুষের স্থায়িত্ব তুলনা করা শিরক হবে কি? এখানে স্রষ্টা ও সৃষ্টির মধ্যে কোন পার্থক্য থাকল না। - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৬) : পাঁচটি রাত জেগে ইবাদত করলে তার জন্য জান্নাত যরূরী হয়ে যাবে। (১) তারবিয়ার রাত বা যিলহজ্জের ৮ তারিখের রাত (২) ‘আরাফার রাত (৩) কুরবানীর রাত (৪) ঈদুল ফিতরের রাত ও (৫) ১৫ শা‘বানের রাত। উক্ত হাদীছটি কি ছহীহ? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : জনৈক মৃত ব্যক্তির ১ জন স্ত্রী রয়েছে, ৩ জন কন্যা সন্তান রয়েছে, কোন পুত্র সন্তান নেই, ১ জন বোন রয়েছে এবং ৮ জন ভাতিজা রয়েছে। তবে ঐ মৃত ব্যক্তির কোন ভাই জীবিত নেই। এক্ষণে ঐ মৃতের সম্পদে কে কতটুকু অংশীদার হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ