শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
উত্তর : ওয়াহ্হাবী শব্দটি একটি গভীর ষড়যন্ত্র থেকে উৎপত্তি হয়েছে। এটি কোন নতুন মাযহাব নয়। প্রচলিত চার মাযহাবের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। হানাফী, মালেকী, শাফেঈ ও হাম্বলী মাযহাবের মত কেউ ওয়াহহাবী বলে পরিচয় দেয় না। অথচ বিধর্মীরা ও বিদ‘আতীরা সালাফী মানহাজের অনুসারী আহলেহাদীছদের ‘ওয়াহহাবী’ নামে আখ্যায়িত করে অপপ্রচার চালায়।

রাসূল (ﷺ)-এর দাওয়াতী ও তাবলিগী কর্মপদ্ধতি ও কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে শায়খ মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহহাব (রাহিমাহুল্লাহ)-এর দাওয়াতী ও তাবলীগী কর্মপদ্ধতি ও কর্মক্ষেত্রের বৃহৎ অংশই সামঞ্জস্যপূর্ণ। উছমানীয় সাম্রাজ্যের প্রভাবে সর্বাধিক পবিত্র নগরী খোদ মাক্কা-মাদীনাতেও ক্ববর, মাযার ও স্মৃতি সৌধের মত শিরকের বিস্তার হয়। তখনই মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব সংস্কার কার্যক্রম শুরু করেন। হাদীছের ভাষ্য অনুযায়ী ১২০০ হিজরী শতক বা ১৭০০ খ্রিষ্টীয় শতকের সংস্কারক ছিলেন শায়খ মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহ্হাব (রাহিমাহুল্লাহ)। যখন সঊদী আরবের মুসলিমরা জাহিলিয়্যাতের যুগের ন্যায় পুনরায় শিরকের গভীর গহীনে হাবুডুবু খাচ্ছিল। ঠিক তখনই শায়খ মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহহাব (রাহিমাহুল্লাহ) আরবের বুক থেকে শিরক ও বিদ‘আতকে উৎখাত করে কুরআন ও ছহীহ সুন্নাহর বিধান প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করেন এবং এই সংগ্রামে সফল হন।

এরপর থেকেই মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহহাব নামটি মাযার পূজারী, কবর পূজারী, শিরককারী ও বিদ‘আতীদের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে, যখনই কেউ কবর, মাযার বা বিদ‘আতের প্রতিবাদ করে, তখন তাঁকে ওয়াহহাবী, নবীর দুশমন ইত্যাদি অপবাদ দিয়ে থামিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হয়।

বর্তমানেও মাযার পূজারী, পীর পূজারী ও বিদ‘আতীরা সাধারণ মানুষের অন্তরে ঘৃণা তৈরি করার জন্য আহলেহাদীছদের নামে বিভিন্ন প্রকারের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ‘ওয়াহহাবী’ নামকরণটি এ আন্দোলনের উদ্যোক্তা মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহহাব বা তাঁর অনুগামীদের প্রবর্তিত নয়। পরবর্তী ঐতিহাসিকরা বিদ্বেষবশতঃ এ আন্দোলনকে এই নামে পরিচিত করে তুলেছে। এটা মূলত এ আন্দোলনের বিরোধীদের পক্ষ থেকে গালি স্বরূপ ব্যবহার করা হয়। হাসান ইবনু আব্দুল্লাহ আলে শায়খ এ সম্পর্কে বলেন, ‘ওয়াহহাবিয়্যাহ বিশেষণটি এ আন্দোলনের অনুগামীরা সৃষ্টি করেনি। বরং তাদের বিরুদ্ধবাদীরা তাদেরকে পৃথক করার জন্য এটা ব্যবহার করে যেন মানুষ তাদের সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকে এবং শ্রোতারা মনে করে যে, এ আন্দোলন প্রচলিত বড় বড় চারটি মাযহাবের বিপরীতে পঞ্চম একটি মাযহাব নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে। তবে এ আন্দোলনের কর্মীরা নিজেদেরকে ‘সালাফী’ এবং তাদের দাওয়াতকে ‘সালাফী দাওয়াত’ বলে আখ্যায়িত করাকেই অধিক পসন্দ করতেন (আল-ওয়াহহাবিয়াহ ওয়া যাঈমুহা মুহাম্মাদ ইবনু আব্দুল ওয়াহহাব, ৮/৮২১ পৃ.)।


প্রশ্নকারী : উমর ফারুক, লন্ডন।





প্রশ্ন (১২) : ডাক্তাররা বলে থাকে চিপস, জুস, চকলেট, সাদা চিনি শরীর এর জন্য ক্ষতিকর। এখন প্রশ্ন হলো এই গুলা বিক্রি করা জায়েয কিনা? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : আমরা ‘বায়তুল্লাহর মুসাফির’ নামে একটি হজ্জ ও ওমরা সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করছি। যারা আলেম, ইমাম বা দাঈ হিসাবে আমাদের সাথে যুক্ত থাকবেন, তাদের মাধ্যমে যদি কেউ হজ্জে যান, তাহলে আমরা তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট সম্মাননা, ওমরার সুযোগ বা অর্থ দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই। এভাবে বলা যায় যে, ‘কেউ যদি আমাদের নির্দিষ্ট সংখ্যক হাজী দেন, তাহলে তাকে ওমরা করানোর ব্যবস্থা করা হবে’। শরী‘আতের দৃষ্টিতে এভাবে কাজ করাটা জায়েয হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৮) : শরী‘আতের দৃষ্টিতে স্ত্রীর নামে কোন সম্পত্তি বা বাড়ী লিখে দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৫) : রাগের মাথায় ত্বালাক্ব দিলে কি ত্বালাক্ব পতিত হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : জনৈক বক্তা বলেন, পাঁচটি বিষয় ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত- কুরআনের মুছহাফের দিকে দৃষ্টি দেয়া, কা‘বা, মাতা-পিতা, যমযম এবং আলেমের চেহারার দিকে দৃষ্টি দেয়া। উক্ত দাবী কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৬) : রেকর্ডকৃত সালামের জবাব দেয়া যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : আমার কন্সিভ হয়েছে দুই মাস পূর্ণ হল। দু’মাস বা ৬০দিন পূর্ণ হয়ে মিসক্যারেজ হয়ে গেছে। এখন আমার ছালাতের বিধান কেমন হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : যে ব্যক্তি চারের অধিক বিয়ে করেছে, ইসলামে তার বিধান কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : আমি বিবাহিত। কিন্তু স্ত্রীর যৌন চাহিদা পূরণে আমি পুরোপুরি অক্ষম। অনেক চিকিৎসা করেছি। কিন্তু উপকার হয়নি। প্রশ্ন হল- স্ত্রীর যৌনাঙ্গে হাত দিয়ে তার চাহিদা পূরণ করা যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৩) : অনেক মসজিদ বা বাড়ীতে রং-বেরংয়ের জায়নামায দেখা যায়।সেগুলোতে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২৭) : মানুষের সাথে সবসময় যে কারিন জিন থাকে এই জিন কি মানুষের ক্ষতি করতে পারে? এ থেকে বাঁচার উপায় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১) : কেউ না জেনে বিদ‘আতী প্রতিষ্ঠানে বা বিদ‘আতী কাজে দান করলে করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

সর্বশেষ প্রবন্ধ

ফেসবুক পেজ