বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
উত্তর : ফের্কাবন্দীর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এর মাধ্যমে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, শান্তি ও নিরাপত্তা ধ্বংস হয়ে পড়ে। সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। ইসলামী সমাজ সংস্কার আন্দোলন অসাড় হয়ে পড়ে এবং ঐক্যবদ্ধ মুসলিম জাতিকে শক্তিহীন করে দেয়। এজন্য দলে দলে বিভক্ত হওয়া ও মতভেদকে আল্লাহ তা‘আলা ও রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছেন (সূরা আলে ইমরান : ১০৩)। এছাড়া আল্লাহ্র রজ্জুকে সম্মিলিতভাবে সুদৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরতে বলেছেন এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হতে নিষেধ করেছেন (ছহীহ মুসলিম, হা/১৭১৫)। বর্ণিত وَلَا تَفَرَّقُوْا ‘তোমরা পরস্পরে বিভক্ত হয়ো না’-এর ব্যাখ্যায় ইবনু কাছীর (৭০১-৭৭৪ হি.) (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, أمرهم بالجماعة ونهاهم عن التفرقة ‘তাদেরকে জামা‘আতবদ্ধ জীবন-যাপনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং বিভক্তি হতে নিষেধ করেছেন’ (তাফসীর ইবনু কাছীর, ২য় খণ্ড, পৃ. ৮৯)। ইমাম কুরতুবী (৬০০-৬৭১ হি.) (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, إن الله تعالى يأمر بالألفة وينهى عن الفرقة فإن الفرقة هلكة والجماعة نجاة ‘আল্লাহ তা‘আলা মিলেমিশে ঐক্যবদ্ধ থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন এবং বিভক্ত হতে নিষেধ করেছেন। কেননা বিভক্ত ধ্বংসের কারণ এবং ঐক্যবদ্ধ থাকা মুক্তির কারণ’ (তাফসীরে কুরতুবী, ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ১৫৯)। আর বিভক্তি ব্যর্থতা ও শক্তি বিনষ্টের কারণ (আযওয়াউল বায়ান, ২য় খণ্ড, পৃ. ১০২)। যেমন মহান আল্লাহ বলেন,

وَأَطِيْعُوا اللَّهَ وَرَسُوْلَهُ وَلَا تَنَازَعُوْا فَتَفْشَلُوْا وَتَذْهَبَ رِيْحُكُمْ وَاصْبِرُوْا إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّابِرِيْنَ

‘আর তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করবে এবং নিজেদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ করবে না, অন্যথা শক্তি বিলুপ্ত হবে, আর তোমরা সাহস হারিয়ে দুর্বল হয়ে পড়বে এবং তোমাদের মনের দৃঢ়তা ও তোমরা ধৈর্যসহকারে সব কাজ করবে, আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন’ (সূরা আল-আনফাল : ৪৫-৪৭)।


প্রশ্নকারী : আবুল হোসেন, মোহনপুর, রাজশাহী।




প্রশ্ন (১৪): প্রচলিত আছে যে, ‘৭০ বছর বয়স হলে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের কোন পাপ ফেরেশতারা লিখেন না’। উক্ত দাবী কি শরী‘আতসম্মত? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : ‘যখন কোন সদাচরণকারী সন্তান যদি তার পিতা-মাতার প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকায়, তখন আল্লাহ তা‘আলা তার প্রতিটি দৃষ্টির বিনিময়ে তার ‘আমলনামায় একটি ‘কবুল হজ্জ’ তথা কবুলযোগ্য হজ্জের ছওয়াব লিপিবদ্ধ করেন’। ছাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, যদি সে দৈনিক একশ’বার তাকায়? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহ মহান এবং অতি পবিত্র’ (বায়হাক্বী, শু‘আবুল ঈমান, হা/৭৪৭৫; মিশকাত হা/৪৯৪৪; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৪৭২৭)। উক্ত বর্ণনা কি সঠিক? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৭) : ‘তাক্বিয়া’ করা কোন্ ক্ষেত্রে হারাম? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৪) : আমি এবং আমার স্ত্রী নিয়মিত ছালাত আদায় করতাম না। আমি শুধু জুমু‘আহর ছালাত আদায় করতাম। বর্তমানে আমি ৫ ওয়াক্ত ছালাত আদায় করছি এবং ছিয়াম রাখতেছি। কিন্তু আমার স্ত্রী ছালাত আদায় করে না। সেক্ষেত্রে কি স্ত্রী অটো ত্বালাক্ব হয়ে যাবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৯) : আক্বীক্বার সপ্তম দিনে যদি যিলহজ্জ মাসের চাঁদ উদিত হয়, তাহলে আক্বীক্বা করা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৭) : ইয়াযীদ ইবনু মু‘আবিয়া সম্পর্কে কেমন ধারণা পোষণ করতে হবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৯) : যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পর ইফতার করল, অতঃপর বিমান উড্ডয়নের পর সূর্য দেখতে পেল। তার জন্য করণীয় কী? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৩৩) : মুসলিম নারী কি বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারবে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (১৩) : জনৈক শিক্ষক জিপিএফ-এর সূদ বন্ধ করে দিয়েছেন। কারণ এখন সূদমুক্ত অফশন চালু করা হয়েছে। কিন্তু তার পিতা-মাতা এই বিষয় নিয়ে মনক্ষুন্ন হয়েছেন। তারা সেই সূদের টাকা চাচ্ছিলেন। কিন্তু শিক্ষকের ভয় হল, তিনি যদি আগেই মারা যান, আর সন্তানরা যদি সূদের টাকা আলাদা না করে তবে তিনি পাপী হবেন। তিনি কি অপরাধ করেছেন? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২২) : জনৈক ব্যক্তি মানত করেছিল যে, পুত্র সন্তান হলে একটি ইসলামী জালসা করবে। প্রশ্ন হল- গ্রামের ইসলামী জালসায় টাকা দিয়ে অংশগ্রহণ করলে উক্ত মানত পূর্ণ হবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (৬) : ফাতেমা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-কে ‘মা’ বলা যাবে কি? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ
প্রশ্ন (২১) : ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লা-হু’ কিভাবে তাওহীদের সকল প্রকারকে অন্তর্ভুক্ত করে? - ফাতাওয়া বোর্ড, মাসিক আল-ইখলাছ

ফেসবুক পেজ